📌 পটুয়াখালীর বাউফলে দুই বছর মেয়াদি ঋণ দেওয়ার প্রলোভনে গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে একটি এনজিওর কর্মীরা পালিয়ে গেছেন। ভুক্তভোগীরা জানান, নির্ধারিত সময়ে ঋণ না পেয়ে তারা প্রতারিত হয়েছেন
পটুয়াখালীর বাউফলে দুই বছর মেয়াদি ঋণ দেওয়ার প্রলোভনে গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে একটি নামধারী এনজিওর কর্মীরা পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে বাউফল পৌরসভার মুসলিমপাড়া মোড় এলাকায় একটি ভবন ভাড়া নিয়ে ‘সমাজ কল্যাণ উন্নয়ন সংস্থা’ নামে কার্যক্রম শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দুই বছর মেয়াদি ঋণ দেওয়ার কথা বলে প্রায় ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে
- 📌 ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে বিমা ও সঞ্চয়ের নামে টাকা আদায় করা হয়েছে
- 📌 রোববার দুপুর ৩টার সময় নির্ধারিত থাকলেও কর্মীরা পালিয়ে যান
- 📌 ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একজন থেকে সর্বোচ্চ ৩৭ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে
- 📌 ভবনের মালিক জানান, মৌখিক চুক্তিতে মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাড়া এবং দুই লাখ টাকা অগ্রিম নেওয়া হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
বাউফল পৌরসভার মুসলিমপাড়া মোড় এলাকায় অবস্থিত ‘সমাজ কল্যাণ উন্নয়ন সংস্থা’ নামে একটি এনজিওর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা দুই বছর মেয়াদি ঋণ দেওয়ার কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকা আদায় করেন। ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাবেয়া বেগমের কাছ থেকে ১১ হাজার টাকা, বাবুল সিপাইয়ের কাছ থেকে ১১ হাজার টাকা, মাসুদুর রহমানের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা, মলিন্দ্রের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা, মনু বেগমের কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা, তাসলিমা বেগমের কাছ থেকে ১১ হাজার টাকা এবং আব্দুল আজিজের কাছ থেকে দুই নামে ৩৭ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ জানান, চার লাখ টাকা ঋণের জন্য দুই নামে ৩৭ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, সকাল ১০টার মধ্যে সঞ্চয়ের টাকা জমা দেওয়ার কথা ছিল এবং দুপুর ৩টায় ঋণের টাকা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে অফিসে গিয়ে কাউকে না পেয়ে তিনি জানতে পারেন কর্মীরা পালিয়ে গেছেন। রাবেয়া বেগম জানান, এক লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার কথা বলে মাসে পাঁচ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে বলে জানানো হয়। এর জন্য ১১ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে এক হাজার টাকা বিমা এবং ১০ হাজার টাকা সঞ্চয় হিসেবে নেওয়া হয়েছিল।
"আমার গাড়ি নষ্ট ছিল। তাই গাড়ি কেনার জন্য ঋণের টাকা প্রয়োজন ছিল। এ কারণে আমিও টাকা দিয়েছি। আজ ঋণের টাকা নিতে গেলে জানতে পারি, তারা পালিয়ে গেছে।" — রাবেয়া বেগম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুসলিমপাড়া মোড়, বাউফল, পটুয়াখালী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাবেয়া বেগম, আব্দুল আজিজ, জালাল আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ লাখ টাকা, ১৬ আগস্ট, দুপুর ৩টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!