📌 বরিশালে ২০১৫ সালে ছাত্রদল ও জাসাস নেতাদের ক্রসফায়ারে হত্যার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা আলী আহম্মেদ। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের পর দুই এএসআইকে ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ দেওয়া জবানবন্দিতে বরিশালের উজিরপুর থানার সাবেক কর্মকর্তা আলী আহম্মেদ জানিয়েছেন, ২০১৫ সালে ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে ক্রসফায়ারে হত্যার ঘটনায় তৎকালীন দুই এএসআই মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিনকে ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আগৈলঝাড়া উপজেলার ছাত্রদল নেতা টিপু হাওলাদার ও জাসাস নেতা কবির মোল্লাকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়।
- 📌 আলী আহম্মেদের জবানবন্দি অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের পর দুই এএসআইকে ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।
- 📌 তৎকালীন পুলিশ সুপার এ কে এম এহসানউল্লাহর নির্দেশে ওই অভিযান পরিচালিত হয়েছিল বলে জানান সাক্ষী।
- 📌 আলী আহম্মেদ জানান, দুই এএসআইকে পরবর্তীতে দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা হয়েছিল।
📰 বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ দেওয়া জবানবন্দিতে বরিশাল মহানগর সিআইডির পরিদর্শক আলী আহম্মেদ জানান, ২০১৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৯টার দিকে তৎকালীন পুলিশ সুপার এ কে এম এহসানউল্লাহ উজিরপুর থানায় আসেন এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলামের সঙ্গে প্রায় ১৫ মিনিট আলোচনা করেন। পরে তিনি দুই এএসআই মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিনকে বিশেষ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন।
আলী আহম্মেদ বলেন, পরদিন সকালে তিনি টেলিভিশনে দেখেন যে, আগৈলঝাড়া থানায় টিপু হাওলাদার ও কবির মোল্লা নামের দুই ব্যক্তি পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। তিনি জানান, ঘটনার পর ওসি তাঁকে দুই এএসআইকে পরবর্তী ১০ দিন ডিউটি থেকে বিরত রাখার নির্দেশ দেন। পরবর্তী সময়ে তিনি জানতে পারেন যে, এসপির নির্দেশে ওই দুই এএসআই হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছেন।
আলী আহম্মেদ আরও জানান, দুই এএসআই পরবর্তীতে অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কর্মকর্তা ও ফোর্সদের মধ্যে কানাঘুষা শুরু হয়। তিনি বলেন, তৎকালীন সরকারের আমলে বরিশাল জেলায় আরও চার থেকে পাঁচটি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল।
"২০১৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৯টার দিকে তৎকালীন পুলিশ সুপার এ কে এম এহসানউল্লাহ উজিরপুর থানায় আসেন এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলামের সঙ্গে প্রায় ১৫ মিনিট আলোচনা করেন। পরে তিনি দুই এএসআই মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিনকে বিশেষ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশাল, উজিরপুর থানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলী আহম্মেদ, টিপু হাওলাদার, কবির মোল্লা, মো. মাহাবুল ইসলাম, মো. জসিম উদ্দিন, এ কে এম এহসানউল্লাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ হাজার টাকা, ২ জন নেতা, ২ জন এএসআই
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!