📌 বরগুনা পৌর এলাকার মোট ১০১ কিলোমিটার পাকা সড়কের মধ্যে ২৮ শতাংশই ভাঙাচোরা ও খানাখন্দে ভরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কগুলো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পৌর কর্তৃপক্ষ অবশ্য দাবি করেছে, দ্রুতই সংস্কারকাজ শুরু হবে
বরগুনা পৌর এলাকায় মোট ১০১ কিলোমিটার পাকা সড়কের মধ্যে ২৮ কিলোমিটার অংশই ভাঙাচোরা ও খানাখন্দে ভরা। ফলে শহরের প্রায় ২৮ শতাংশ সড়কই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এসব সড়কে যানবাহন চলাচলে ভোগান্তির পাশাপাশি দুর্ঘটনারও আশঙ্কা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বরগুনা পৌর এলাকায় মোট ১০১ কিলোমিটার পাকা সড়ক রয়েছে
- 📌 এর মধ্যে ২৮ কিলোমিটার সড়কই ভাঙাচোরা ও খানাখন্দে ভরা
- 📌 শহরের প্রায় ৬০ হাজার ৮৭৫ জন মানুষের বসবাস
- 📌 অন্তত ১৪টি সড়কের পিচঢালাই উঠে গেছে, তৈরি হয়েছে খানাখন্দ
- 📌 দিঘিরপাড় সড়কের প্রায় ৫০ ফুট অংশ ধসে গেছে
📰 বিস্তারিত
বরগুনা পৌর এলাকায় মোট ১০১ কিলোমিটার পাকা সড়কের মধ্যে ২৮ কিলোমিটার অংশই ভাঙাচোরা ও খানাখন্দে ভরা। ফলে শহরের প্রায় ২৮ শতাংশ সড়কই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। শহরের আমতলার পাড়, বটতলা, ডিকেপি, দিঘিরপাড়, কড়ই, টাউন হল, কেজি স্কুল, কাঠপট্টি, আবুল হোসেন ঈদগাহ, চরকলোনি, পোস্ট অফিস, পশু হাসপাতাল, জেলা বিএনপি কার্যালয় এলাকার সড়কগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত।
গত শনিবার সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, অন্তত ১০টি সড়কের বিভিন্ন অংশে পিচঢালাই উঠে গেছে এবং খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। এসব সড়ক দিয়ে সাধারণত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, রিকশা, ট্রাক, পিকআপ ভ্যান, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল ও সাইকেল চলাচল করে। পোস্ট অফিস সড়কের এক পাশ সম্প্রতি ধসে গেছে। শহরের বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমার বাসা-সংলগ্ন সড়কটি ধসে দিঘিতে পড়ে গেছে। দেবে যাওয়া অংশে জমে আছে পানি। ফলে কয়েক বছর ধরে সড়কটি দিয়ে চলাচল বন্ধ আছে।’
আমতলার পাড় সড়কের প্রায় এক হাজার ফুট পর্যন্ত পিচঢালাই উঠে গেছে এবং বিভিন্ন স্থানে গর্ত তৈরি হয়েছে। শহরের কেজি স্কুল এলাকার বাসিন্দা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক ইদ্রিস আলী জানান, ভাঙা সড়কে প্রতিদিনই গাড়ি আটকে যায়। তিনি বলেন, ‘ভাঙা সড়কে গাড়ি চালাতেও মন চায় না, কিন্তু জীবিকার তাগিদে চালাতে হয়।’
চরকলোনি সড়ক এলাকার বাসিন্দা নুরুল আহাদ জানান, প্রায় দেড় যুগ আগে নির্মিত এই সড়কটি ছয় বছর ধরে ভাঙাচোরা। তিনি বলেন, ‘এলাকাটি শহরের অভিজাত এলাকা হলেও পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার অভিযোগ করেও সংস্কার করা যায়নি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরগুনা পৌর এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিজানুর রহমান, ইদ্রিস আলী, নুরুল আহাদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০১ কিলোমিটার, ২৮ শতাংশ, ৬০ হাজার ৮৭৫ জন, ১৪টি, ৫০ ফুট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!