📌 বাংলাদেশ ও মার্কিন সেনাবাহিনীর যৌথ অনুশীলন 'এক্সারসাইজ টাইগার লাইটনিং-২০২৬' সিলেটের জালালাবাদ সেনানিবাসে সমাপ্ত হয়েছে। ১১ দিনব্যাপী এই অনুশীলনে মার্কিন সেনা কর্মকর্তারা ও বাংলাদেশের প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মিলিটারি ট্রেনিং পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. হুমায়ূন কবির
বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অনুশীলন 'এক্সারসাইজ টাইগার লাইটনিং-২০২৬' সিলেটের জালালাবাদ সেনানিবাসে সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। বুধবার সকালে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মিলিটারি ট্রেনিং পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. হুমায়ূন কবির প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এই ১১ দিনব্যাপী অনুশীলনটি বাংলাদেশের বিশেষায়িত ফরমেশন প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১১ দিনব্যাপী যৌথ অনুশীলন 'এক্সারসাইজ টাইগার লাইটনিং-২০২৬' সিলেটের জালালাবাদ সেনানিবাসে সম্পন্ন হয়েছে।
- 📌 অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মিলিটারি ট্রেনিং পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. হুমায়ূন কবির।
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাইকেল চ্যান্ডলার এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম এম ইমরান হাসান বক্তব্য রাখেন।
- 📌 অনুশীলনে মার্কিন সেনাবাহিনীর ৯১ জন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯৩ জন সদস্য অংশগ্রহণ করেন।
- 📌 অনুশীলনের উদ্বোধন হয়েছিল ১৯ জুলাই থেকে এবং এর লক্ষ্য ছিল আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা, সন্ত্রাস দমন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সহযোগিতা বৃদ্ধি।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি প্যাসিফিক কমান্ডের যৌথ অংশগ্রহণে এই অনুশীলন পরিচালিত হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম এম ইমরান হাসান এবং মার্কিন দূতাবাসের প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাইকেল চ্যান্ডলার উভয় দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও কৌশলগত জোটের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
বক্তব্যে তারা জানান, বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বৈশ্বিক হুমকি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য অংশীদারদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে আসছে। এই অনুশীলনের মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্যে কৌশলগত যৌথ আভিযানিক সক্ষমতা উন্নয়ন এবং প্রস্তুতি জোরদার করার লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণকারী সেনারা ছিলেন আর্মি প্যাসিফিক ও ওরেগন ন্যাশনাল গার্ডের সদস্য। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডসহ বিভিন্ন ফরমেশন থেকে অংশগ্রহণকারী সদস্যরা এই অনুশীলনে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সন্ত্রাস দমনের কৌশলগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
"বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং কৌশলগত যৌথ আভিযানিক সক্ষমতা উন্নয়ন এই অনুশীলনের মূল লক্ষ্য। উভয় দেশের সেনাবাহিনী যৌথভাবে প্রস্তুতি জোরদার করে বৈশ্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেটের জালালাবাদ সেনানিবাস, প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. হুমায়ূন কবির, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাইকেল চ্যান্ডলার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম এম ইমরান হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ দিন, ৯১ জন মার্কিন সেনা, ৯৩ জন বাংলাদেশি সেনা, ১৯ জুলাই
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!