📅 ৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বৈশ্বিক খাদ্য অপচয় ও ন্যায়সঙ্গত বণ্টনের অভাবে বাংলাদেশে ক্ষুধার্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তৃতীয় স্থানে

বৈশ্বিক খাদ্য অপচয় ও ন্যায়সঙ্গত বণ্টনের অভাবে বাংলাদেশে ক্ষুধার্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তৃতীয় স্থানে

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা ভোগকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশে প্রতি চারজন মানুষের মধ্যে একজন বহুমাত্রিক দারিদ্র্যের শিকার। খাদ্য উৎপাদনের প্রাচুর্য থাকলেও অপচয় ও অব্যবস্থাপনার কারণে ৩৪ শতাংশ খাদ্য নষ্ট হয়। ব্রাজিলের উদ্যোগে গ্লোবাল এলিয়েন্স এগিনেস্ট হাংগার এন্ড প্রোভার্টি জোটের মাধ্যমে বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের প্রচেষ্টা চলছে

বৈশ্বিক খাদ্য ব্যবস্থাপনার অপারগতা ও ন্যায়সঙ্গত বণ্টনের অভাবের কারণে বাংলাদেশে ক্ষুধার্তের সংখ্যা ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা ভোগকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশে প্রতি চারজন মানুষের মধ্যে একজন বহুমাত্রিক দারিদ্র্যের মধ্যে পড়ে। খাদ্য উৎপাদনের প্রাচুর্য থাকলেও অপচয়, অব্যবস্থাপনা ও অসম বণ্টনের কারণে প্রতি বছর প্রায় ৩৪ শতাংশ উৎপাদিত খাদ্য নষ্ট হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিশ্বের ৭৮৩ মিলিয়ন মানুষ অভুক্ত, বাংলাদেশ তৃতীয় সর্বোচ্চ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা ভোগকারী দেশ (২৩.৬ মিলিয়ন)
  • 📌 প্রতি বছর ১ বিলিয়ন মিল খাদ্য নষ্ট হয়, যার অর্থমূল্য ১ ট্রিলিয়ন ডলার
  • 📌 বাংলাদেশে প্রতি বছর ৮২ কেজি খাদ্য একটি পরিবারে নষ্ট হয়, যা বিশ্বের শীর্ষ ৫ দেশের মধ্যে
  • 📌 ৬৩ শতাংশ মানুষ পুষ্টিমান খাবার পায় না, যার ফলে দারিদ্র্য ও বৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করেছে
  • 📌 ব্রাজিলের উদ্যোগে গ্লোবাল এলিয়েন্স এগিনেস্ট হাংগার এন্ড প্রোভার্টি জোটে ২০০ সদস্য, ১০৩টি দেশ ও ৯৭টি অংশীদার সংস্থা জড়িত
  • 📌 ধান উৎপাদনের পর ১৭.৮০ শতাংশ খাদ্য পোস্টহার্ভেস্ট পর্যায়ে নষ্ট হয়

📰 বিস্তারিত

বিশ্বের মোট খাদ্য উৎপাদনের প্রাচুর্য থাকলেও, বৈষম্য ও অপচয় খাদ্য নিরাপত্তার প্রধান বাধা। বিশ্বের ৬৭৩ মিলিয়ন মানুষের খাদ্যের অধিকার অস্বীকার করা হয়, যেখানে মাত্র ৩,০০০ বিলিয়নেয়ার মোট দেশজ উৎপাদনের ১৪.৬ শতাংশের মালিক। খাদ্য নিরাপত্তার জন্য সম্পদের অভাব নেই, বরং অভাব রয়েছে ন্যায়সঙ্গত বণ্টন ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা।

বিশ্ব খাদ্য সংস্থার প্রতিবেদনে দেখা যায়, প্রতি বছর ১ বিলিয়ন মিল খাদ্য নষ্ট হয়, যার অর্থমূল্য ১ ট্রিলিয়ন ডলার। এই অপচয় শুধু অর্থ নয়, বরং মূল্যবান জমি, পানি, শ্রম ও শক্তির বিনাশ। খাদ্য পচনের ফলে নির্গত গ্রিনহাউস গ্যাসের অংশ প্রায় ১০ শতাংশ।

ব্রাজিলের উদ্যোগে গ্লোবাল এলিয়েন্স এগিনস্ট হাংগার এন্ড প্রোভার্টি জোটে ইতোমধ্যে ২০০ সদস্য, ১০৩টি দেশ ও ৯৭টি অংশীদার সংস্থা জড়িত। এই জোটের লক্ষ্য হলো বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও বৈষম্য হ্রাস। ব্রাজিলের অভিজ্ঞতা এই উদ্যোগের ভিত্তি, যেখানে ২০২৩ সালে ক্ষুধার বিরুদ্ধে লড়াইকে সরকারি অগ্রাধিকার দিয়েছে।

বাংলাদেশে প্রতি বছর ৮২ কেজি খাদ্য একটি পরিবারে নষ্ট হয়, যা বিশ্বের শীর্ষ ৫ দেশের মধ্যে। খাদ্য নষ্টের তালিকায় মালদ্বীপ শীর্ষে (২০৭ কেজি), পাকিস্তান (১৩০ কেজি), আফগানিস্তান (১২৭ কেজি), নেপাল (৯৩ কেজি), বাংলাদেশ (৮২ কেজি) ও শ্রীলঙ্কা (৭৬ কেজি)।

"বিশ্বের মোট উৎপাদিত খাদ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ নষ্ট বা অপচয় হয়, যার পরিমাণ দৈনিক ১ বিলিয়ন মিল। বছরে এই ক্ষতির অর্থমূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলার।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ, ব্রাজিল, বিশ্বব্যাপী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিশ্বের অভুক্ত মানুষ, বাংলাদেশের দারিদ্র্যসীমার মানুষ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩.৬ মিলিয়ন (বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা), ৩৪ শতাংশ (খাদ্য নষ্ট), ৮২ কেজি (বাংলাদেশে পরিবারপ্রতি খাদ্য নষ্ট), ১ ট্রিলিয়ন ডলার (অপচয় ক্ষতি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖