📅 ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১২৫টি অব্যবহৃত লাগেজ ভ্যানকে যাত্রী পরিবহনে রূপান্তর: রেলওয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়

১২৫টি অব্যবহৃত লাগেজ ভ্যানকে যাত্রী পরিবহনে রূপান্তর: রেলওয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ৩৫৮ কোটি টাকায় কেনা ১২৫টি লাগেজ ভ্যানের মাত্র ৫% ব্যবহৃত হচ্ছে। রেলওয়ে এবার অব্যবহৃত বগিগুলো যাত্রী পরিবহনে রূপান্তর করার পরিকল্পনা করছে। নীলফামারীতে পরিদর্শনে এই প্রস্তাব উপস্থাপিত হয়

বাংলাদেশ রেলওয়ে ৩৫৮ কোটি টাকায় কেনা ১২৫টি লাগেজ ভ্যানের মাত্র ৫% ব্যবহৃত হচ্ছে। এবার অব্যবহৃত বগিগুলোকে যাত্রী পরিবহনে রূপান্তর করার পরিকল্পনা করছে রেলওয়ে। নীলফামারীতে রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরিদর্শনে এই প্রস্তাব উপস্থাপিত হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩৫৮ কোটি টাকায় কেনা ১২৫টি লাগেজ ভ্যানের মাত্র ৫% ব্যবহৃত হচ্ছে, বাকি ৯৫% অব্যবহৃত পড়ে আছে
  • 📌 রেলওয়ে অব্যবহৃত লাগেজ ভ্যানগুলোকে লোকাল, মেইল ও কমিউটার ট্রেনে যাত্রী পরিবহনের বগি হিসেবে রূপান্তর করার পরিকল্পনা করছে
  • 📌 ১৩ অক্টোবর নীলফামারীতে রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে পরিদর্শনে লাগেজ ভ্যান রূপান্তর প্রস্তাব উপস্থাপিত হয়
  • 📌 ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ১২৫টি লাগেজ ভ্যান রেলওয়ে বহরে যুক্ত, এডিবি অর্থায়নে কেনা হয়েছিল
  • 📌 ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পূর্বাঞ্চলে পার্সেল পরিবহন থেকে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, কিন্তু আয় হয়েছে মাত্র ৮ কোটি ৯৭ লাখ টাকা

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ রেলওয়ে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ১২৫টি লাগেজ ভ্যান কেনা শুরু করে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে ‘রোলিং স্টক অপারেশন উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় এগুলো কেনা হয়েছিল। তবে কেনার পর থেকে এসব ভ্যানের মাত্র ৫% ব্যবহৃত হচ্ছে। পণ্য পরিবহনে প্রত্যাশিত আয় না আসায় রেলওয়ে এবার অব্যবহৃত বগিগুলোকে যাত্রী পরিবহনের বগিতে রূপান্তর করার পরিকল্পনা করছে।

১৩ অক্টোবর রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম, প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও রেলসচিব মো. ফাহিমুল ইসলামের নেতৃত্বে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে নীলফামারীতে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনের সময় লাগেজ ভ্যানগুলোকে যাত্রী পরিবহনের বগিতে রূপান্তর করার প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। সৈয়দপুর কারখানার বিভাগীয় ব্যবস্থাপক শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ মুঠোফোনে প্রথম আলোকে জানান, “রেলমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কারখানা পরিদর্শনে এলে লাগেজ ভ্যানগুলো যাত্রী পরিবহনে ব্যবহারের প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। কীভাবে বগিগুলো রূপান্তর করা যেতে পারে, তা দেখানো হয়েছে। এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কর্তৃপক্ষ।”

রেলওয়ে কর্মকর্তারা বলছেন, অব্যবহৃত লাগেজ ভ্যানগুলো ফেলে না রেখে যাত্রী বহনের উপযোগী করা গেলে কাজে লাগানো সম্ভব হবে। এ জন্য বগিগুলোর ব্যবহার পরিবর্তন করে লোকাল, মেইল ও কমিউটার ট্রেনে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

২০২০ সালের ৩১ আগস্ট চীনের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করে রেলওয়ে লাগেজ ভ্যান কেনার উদ্যোগ নেয়। তৎকালীন প্রকল্প পরিচালক মো. মিজানুর রহমান চুক্তিতে রেলওয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেন। তবে পণ্য পরিবহনে ব্যবসায়ীদের আগ্রহ কম থাকায় আয় প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পূর্বাঞ্চলে পার্সেল পরিবহন থেকে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, কিন্তু আয় হয়েছে মাত্র ৮ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।

"কীভাবে বগিগুলো রূপান্তর করা যেতে পারে, তা-ও দেখানো হয়েছে। এখন এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নীলফামারী, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ রবিউল ইসলাম, হাবিবুর রশিদ, মো. ফাহিমুল ইসলাম, শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ মুঠোফোনে, মো. মিজানুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫৮ কোটি টাকা, ১২৫টি লাগেজ ভ্যান, ৫ শতাংশ, ৯৫ শতাংশ, ১৩ অক্টোবর, ২৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, ৮ কোটি ৯৭ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖