📅 ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশ-ভারত আন্তসীমান্ত নদী তালিকা: স্বীকৃত ৫৭টি নদীর চেয়ে বেশি বাস্তবে প্রবাহিত নদী, গবেষকদের সতর্কতা

বাংলাদেশ-ভারত আন্তসীমান্ত নদী তালিকা: স্বীকৃত ৫৭টি নদীর চেয়ে বেশি বাস্তবে প্রবাহিত নদী, গবেষকদের সতর্কতা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত আন্তসীমান্ত নদী সংখ্যা সরকারী তালিকায় উল্লেখিত ৫৭টির চেয়ে বেশি। গবেষকরা রংপুর বিভাগে ৬৩টি নদী খুঁজে পেয়েছেন, যেখানে সরকারী তালিকায় মাত্র ১৮টি নদীর নাম রয়েছে। নদী রক্ষা কমিশন ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ও স্বীকৃতির বাইরে নদী রয়েছে বলে জানিয়েছেন

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত আন্তসীমান্ত নদী সংখ্যা সরকারী তালিকায় উল্লেখিত ৫৭টির চেয়ে অনেক বেশি। গবেষক ও স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা রংপুর বিভাগে মাত্র ১৮টি নদী থাকলেও বাস্তবে ৬৩টি আন্তসীমান্ত নদীর সন্ধান পেয়েছেন। সরকারী তালিকায় স্বীকৃত নদীগুলোর নামের পিছনে প্রশ্ন তুলেছেন নদী গবেষক ও স্থানীয় কর্মকর্তারা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সরকারী তালিকায় ৫৭টি আন্তসীমান্ত নদী থাকলেও বাস্তবে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদীর সংখ্যা অনেক বেশি
  • 📌 রংপুর বিভাগে সরকারী তালিকায় ১৮টি নদী থাকলেও গবেষকরা ৬৩টি আন্তসীমান্ত নদী খুঁজে পেয়েছেন
  • 📌 তালিকায় স্বীকৃত নদীগুলোর মধ্যে খেড়ুয়া ও পাঙ্ঘা নামের দুটি নদী মিলিত হয়ে দেওনাই নদী গঠন করলেও তালিকায় তাদের নাম নেই
  • 📌 নদী গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী সারা দেশে ২২৩টি আন্তসীমান্ত নদীর সন্ধান পেয়েছেন, যা সরকারী তালিকায় উল্লেখিত ৫৭টির চেয়ে বেশি
  • 📌 পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের তালিকায় ১২৬টি আন্তসীমান্ত নদী উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে ৮৩টি নদী সরকারী তালিকায় নেই
  • 📌 কুড়িগ্রামের কালজানি, গদাধর ও গঙ্গাধর নদীগুলোর স্বীকৃতি না থাকলে ভারত পানি প্রত্যাহার করতে পারে বলে আশঙ্কা

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদী সংখ্যা সরকারী তালিকায় উল্লেখিত ৫৭টির চেয়ে অনেক বেশি। যৌথ নদী কমিশনের তালিকায় ৫৪টি নদী ভারতের সঙ্গে অভিন্ন হিসেবে স্বীকৃত, বাকি ৩টি মিয়ানমারের সঙ্গে। তবে বাস্তবে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদীর সংখ্যা অনেক বেশি। গবেষক ও স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা রংপুর বিভাগে সরকারী তালিকায় ১৮টি নদী থাকলেও বাস্তবে ৬৩টি আন্তসীমান্ত নদীর সন্ধান পেয়েছেন।

রংপুর বিভাগে সরকারী তালিকায় দেওনাই-চাড়ালকাটা-যমুনেশ্বরী নদীর তথ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। খেড়ুয়া ও পাঙ্ঘা নামের দুটি নদী ভারত থেকে বাংলাদেশে এসে মিলেছে, কিন্তু এই দুটি নদীর নাম সরকারী তালিকায় নেই। গবেষকদের মতে, রংপুর বিভাগেই স্বীকৃতির বাইরে রয়েছে ৪৬টি নদী। এছাড়াও জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন বা পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তালিকাতেও ১০টি নদীর নাম নেই।

নদী গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী জানান, তিনি সারা দেশে এখন পর্যন্ত ২২৩টি আন্তসীমান্ত নদীর সন্ধান পেয়েছেন। অন্যদিকে, নদী গবেষক ম ইনামুল হক ২০১৭ সালে প্রকাশিত তাঁর বইয়ে ১৬৭টি আন্তসীমান্ত নদীর কথা উল্লেখ করেছেন। নদী রক্ষাবিষয়ক সংগঠন রিভারাইন পিপলের মহাসচিব শেখ রোকন বলেন, ২০১৬ সালে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারত সরকারের কাছে আরও ১৬টি নদীকে আন্তসীমান্ত নদী হিসেবে তালিকাভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু ভারত তা আমলে নেয়নি।

গবেষকরা আরও জানান, প্রচলিত তালিকায় শুধু কুলিক নদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে উৎপন্ন হয়ে ভারতে যাওয়ার কথা উল্লেখ আছে। তবে রংপুর বিভাগেই কুলিকের বাইরে এ রকম আরও ১১টি নদী রয়েছে। এগুলোর মধ্যে আছে ঠাকুরগাঁওয়ের কাহালাই, জলই ও টাঙন; দিনাজপুরের তেঁতুলিয়া, নোনা, ভেলামতী ও ছোট যমুনা; পঞ্চগড়ের বেরং ও ডাহুক এবং লালমনিরহাটের চেনাকাটা ও খর্প।

"আমার হিসাবে, রংপুর বিভাগেই স্বীকৃতির বাইরে রয়েছে ৪৬টি নদী। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন কিংবা পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তালিকাতেও নেই—এমন আরও ১০টি নদী এই বিভাগে পেয়েছি।"

২০২৩ সালে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন বাংলাদেশের নদ-নদী: সংজ্ঞা ও সংখ্যা নামের একটি বই প্রকাশ করে। এতে সারা দেশে ১ হাজার ৮টি নদীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে আন্তসীমান্ত নদীর সংখ্যা ৬৮ উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই তালিকায় যৌথ নদী কমিশন স্বীকৃত ৫৪টি নদীর মধ্যে ৪৪টি তালিকায় দেখা যায়। বাকি ১০টি নদীর নাম তালিকায় থাকলেও সেগুলোকে আন্তসীমান্ত নদী বলা হয়নি।

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ২০২৫ সালে বাংলাদেশের ১ হাজার ৪১৫টি নদ-নদীর একটি তালিকা প্রকাশ করে। এতে ১২৬টিকে বাংলাদেশ-ভারত আন্তসীমান্ত নদী বলা হয়েছে। প্রচলিত ৫৪টি নদীর মধ্যে ৪৩টি এই তালিকায় আন্তসীমান্ত হিসেবে চিহ্নিত; বাকি ১১টিকে তা বলা হয়নি। অর্থাৎ মন্ত্রণালয়ের তালিকাতেই প্রচলিত ৫৪টির বাইরে আরও ৮৩টি আন্তসীমান্ত নদীর উল্লেখ আছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রংপুর বিভাগ, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহবুব সিদ্দিকী, ম ইনামুল হক, শেখ রোকন, ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৭টি (সরকারী তালিকা), ৬৩টি (রংপুরে খুঁজে পাওয়া), ২২৩টি (মাহবুব সিদ্দিকীর গবেষণা), ১২৬টি (পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তালিকা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖