📌 ২০২৭ সালের হজযাত্রীদের পরিবহনে তিনটি বিমান সংস্থাকে কোটা বরাদ্দ করা হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৫০ শতাংশ, সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স ৩৫ শতাংশ এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ১৫ শতাংশ ভাগ পেয়েছে। সরকারি শর্তাবলী মেনে হজযাত্রীদের পরিবহন নিশ্চিত করতে হবে এয়ারলাইন্সগুলিকে
২০২৭ সালের হজযাত্রীদের পরিবহনে বাংলাদেশ সরকার তিনটি বিমান সংস্থাকে কোটা বরাদ্দ করেছে। এই কোটা বরাদ্দের মাধ্যমে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৫০ শতাংশ, সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স ৩৫ শতাংশ এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ১৫ শতাংশ ভাগ পেয়েছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এই কোটা বরাদ্দের বিষয়ে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) তিনটি এয়ারলাইন্সের কাছে চিঠি পাঠানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৭ সালের হজযাত্রীদের পরিবহনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৫০ শতাংশ, সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স ৩৫ শতাংশ এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ১৫ শতাংশ কোটা পায়
- 📌 ৬ থেকে ১১ নভেম্বর সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মধ্যে ২০২৭ সালের হজ চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে
- 📌 জেদ্দা বিমানবন্দর দিয়ে ৮০ শতাংশ এবং মদিনা বিমানবন্দর দিয়ে ২০ শতাংশ হজযাত্রীদের পরিবহন নিশ্চিত করতে হবে
- 📌 ডেডিকেটেড ফ্লাইটে বিজনেস ক্লাসের অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া যাবে না
- 📌 টিকিট ইস্যুতে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং পে-অর্ডার পাওয়ার দুই দিনের মধ্যে টিকিট ইস্যু করতে হবে
- 📌 হজযাত্রীর মৃত্যু হলে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সকে পুরো টিকিটের অর্থ ফেরত দিতে হবে
📰 বিস্তারিত
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মধ্যে ২০২৭ সালের হজ চুক্তি আগামী ৬ থেকে ১১ নভেম্বর স্বাক্ষরিত হবে। এই চুক্তির পর বাংলাদেশের হজযাত্রীদের চূড়ান্ত সংখ্যা জানা যাবে। এয়ারলাইন্সগুলিকে হজযাত্রীদের পরিবহনের জন্য বিভিন্ন শর্ত পালন করতে হবে। যেমন, জেদ্দা বিমানবন্দর দিয়ে ৮০ শতাংশ এবং মদিনা বিমানবন্দর দিয়ে ২০ শতাংশ হজযাত্রীদের পরিবহন নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও, সরকারি নির্ধারিত হজ প্যাকেজের ভাড়ায় ডেডিকেটেড ফ্লাইটে হজযাত্রীদের পরিবহন করতে হবে এবং বিজনেস ক্লাসের অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া যাবে না।
এয়ারলাইন্সগুলিকে কোটা বরাদ্দের ১৫ দিনের মধ্যে ফ্লাইট সিডিউলের খসড়া তৈরি করে জিএসিএতে (সৌদি আরবের জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন) অনুমোদনের জন্য পাঠাতে হবে। এছাড়াও, জিএসিএ ও বেবিচকের অনুমোদিত ফ্লাইট শিডিউল এয়ারলাইন্সগুলোকে তাদের ওয়েবসাইট ও হজ পোর্টালে আপলোড করতে হবে। এজেন্সির কাছ থেকে টিকিটের চাহিদা পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে টিকিট দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে এবং পে-অর্ডার পাওয়ার দুই দিনের মধ্যে হজযাত্রীর নামে টিকিট ইস্যু করতে হবে।
টিকিট ইস্যুর পর এয়ারলাইন্সগুলোকে ই-হজ সিস্টেমে টিকিটের তথ্য এন্ট্রি করতে হবে এবং হজযাত্রীদেরকে পিএনআর, টিকিট নম্বর ও ফ্লাইট নম্বর উল্লেখ করে এসএমএস দিতে হবে। এছাড়াও, হজ ফ্লাইট শুরুর এক মাস আগে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে সকল তথ্য জানাতে হবে। হজে যাওয়ার আগে কোনো হজযাত্রীর মৃত্যু হলে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সকে টিকিটের পুরো অর্থ ফেরত দিতে হবে। মৃত হজযাত্রীর সঙ্গে সহগামী হিসেবে নিবন্ধিত পরিবারের সদস্য হজে না গেলে তাদের বিমান ভাড়ার অর্থও ফেরত দিতে হবে। সৌদি আরবে হজযাত্রীর মৃত্যু হলে তার পরিবারকে টিকিটের ৫০ শতাংশ ভাড়া ফেরত দিতে হবে।
দুর্ঘটনা, অসুস্থতা, ভিসা জটিলতা বা অন্য কোনো যৌক্তিক কারণে হজযাত্রী নির্ধারিত ফ্লাইটে যেতে না পারলে এয়ারলাইন্সগুলোকে প্রতিস্থাপনের সুবিধা দিতে হবে। সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের ক্ষেত্রে হজ অফিস, ঢাকা এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এজেন্সিকে অন্তত ১৫ দিন আগে সকল তথ্য জানাতে হবে।
"সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মধ্যে ২০২৭ সালের হজ চুক্তি আগামী ৬ থেকে ১১ নভেম্বর স্বাক্ষরিত হবে। এই চুক্তির পর বাংলাদেশের হজযাত্রীদের চূড়ান্ত সংখ্যা জানা যাবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ; সৌদি আরবের জেদ্দা ও মদিনা বিমানবন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স, ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩টি এয়ারলাইন্স, ৫০%, ৩৫%, ১৫%, ৮০%, ২০%, ৬-১১ নভেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!