📅 ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশে খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন বাধ্যতামূলক: পিঠা থেকে রেস্তোরাঁ পর্যন্ত সবাইকে আবেদন করতে হবে ১ নভেম্বর থেকে

বাংলাদেশে খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন বাধ্যতামূলক: পিঠা থেকে রেস্তোরাঁ পর্যন্ত সবাইকে আবেদন করতে হবে ১ নভেম্বর থেকে

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) থেকে জানা যায়, ১ নভেম্বর থেকে পিঠা-পুরি দোকান থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, বেকারি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানসহ ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করতে হবে এবং ভোক্তারা অভিযোগ জানাতে পারবেন

১ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশে খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) নতুন নিয়মের আওতায় রাস্তার পিঠা-পুরি দোকান থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, বেকারি, খাদ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানসহ ১৬ ধরনের খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন ও লাইসেন্স নিতে হবে। নতুন বিধান অনুযায়ী, খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে বিএফএসএর নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ থাকবে, যা ভোক্তাদের জন্য পণ্যের নিরাপত্তা যাচাইয়ের একটি সহজ উপায় হয়ে দাঁড়াবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১ নভেম্বর থেকে পিঠা-পুরি দোকান থেকে রেস্তোরাঁ পর্যন্ত সব খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন বাধ্যতামূলক
  • 📌 ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসায় শুধু নিবন্ধন, অন্যদিকে বিশেষ খাদ্য ব্যবসায় লাইসেন্স নিতে হবে
  • 📌 খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে বিএফএসএর নিবন্ধন নম্বর থাকবে, যা ভোক্তাদের অভিযোগ জানাতে সহায়তা করবে
  • 📌 প্রথমবার নিবন্ধন বিনামূল্যে, তবে সুপারফুড প্রস্তুতকারীদের জন্য ফ্লোরের আকার অনুযায়ী ফি দিতে হবে
  • 📌 ৩ বছর মেয়াদে নিবন্ধন ও লাইসেন্স, পরে নবায়ন করতে হবে

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) গত ১৬ জুলাই ‘নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬’ প্রকাশ করে। এই প্রবিধান অনুযায়ী, খাদ্য ব্যবসায়ের চারটি শ্রেণিতে লাইসেন্স ও নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এগুলো হলো: ব্যবসায়িক লাইসেন্স, প্রিমিসেস লাইসেন্স, উত্পাদিত ও আমদানিকৃত পণ্যের লাইসেন্স এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্যের নিবন্ধন।

প্রবিধান অনুযায়ী, ১৬ ধরনের খাদ্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান শুধু নিবন্ধন করাতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে রেস্তোরাঁ, বেকারি, পেস্ট্রি শপ, ক্যাটারিং সেবাদাতা, প্যাকেটজাত খাবার প্রস্তুতকারী, মিষ্টির দোকান, দুগ্ধপণ্য প্রস্তুতকারী, পাইকারি মুদি খাদ্য ব্যবসা, কাঁচা ও তাজা খাদ্য আমদানি, খাদ্য সংরক্ষণাগার, ভোজ্যতেল ও ভোজ্য লবণ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে, বিশেষায়িত খাদ্য ব্যবসায় যেমন শিশুদের ফর্মুলা দুধ, বিশেষ পথ্য, প্রোবায়োটিক খাদ্য, জৈব খাদ্য, কিরণ-সম্পাতকৃত খাদ্য, নিউট্রাসিউটিক্যালসহ লাইসেন্স নিতে হবে।

বিএফএসএ জানিয়েছে, খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ থাকবে। ফলে ভোক্তারা পণ্য দেখেই প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন আছে কিনা বুঝতে পারবেন। এছাড়া, নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করে অভিযোগ জানাতে পারবেন। নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ তিন বছর। প্রথমবার নিবন্ধন বিনামূল্যে করা হয়েছে, তবে সুপারফুড প্রস্তুতকারীদের জন্য ফ্লোরের আকার অনুযায়ী ফি দিতে হবে। ১০০ বর্গমিটার বা তার কম আয়তনের প্রতিষ্ঠানের জন্য ফি ১০ হাজার টাকা, আর ১০ হাজার বর্গমিটারের বেশি আয়তনের জন্য ৬০ হাজার টাকা।

"নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ তিন বছর। এরপর তা নবায়ন করতে হবে।" — বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সারাদেশ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ নভেম্বর (আবেদন শুরু), ১৬ জুলাই (প্রবিধান প্রকাশ), ১৬ (খাদ্য ব্যবসার শ্রেণি), ৩ বছর (মেয়াদ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖