📌 বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ঘোষণা করেছেন, ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক প্রকল্প ৩ নভেম্বর একনেকে উঠবে। প্রকল্প অনুমোদিত হলে ২-৩ বছরের মধ্যে সড়ক উন্নয়ন কাজ শেষ হবে। কুয়াকাটার পর্যটন সম্ভাবনা বৃদ্ধির জন্য সরকার আন্তর্জাতিক পরিকল্পনাবিদদের নিয়ে কাজ করছে
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ঘোষণা করেছেন, ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক প্রকল্পটি ৩ নভেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উঠবে। প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে সর্বোচ্চ ২-৩ বছরের মধ্যে সড়ক উন্নয়ন কাজ সম্পূর্ণ হবে। মন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন কুয়াকাটার জন্য বিরাট সম্ভাবনা তৈরি করবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩ নভেম্বর একনেকে ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক প্রকল্পের অনুমোদন প্রক্রিয়া শুরু হবে
- 📌 প্রকল্প অনুমোদিত হলে ২-৩ বছরের মধ্যে সড়ক উন্নয়ন কাজ শেষ হবে
- 📌 কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক পরিকল্পনাবিদদের সহায়তায় উন্নয়নের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার
- 📌 বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের জায়গা হিসেবে কুয়াকাটা, কক্সবাজার, সুন্দরবন, সিলেট ও সাজেকের নাম উল্লেখ করেছেন মন্ত্রী
- 📌 পটুয়াখালী জেলায় অনুষ্ঠিত ‘পর্যটন কার্নিভ্যাল’-এ এই ঘোষণা দেন মন্ত্রী
📰 বিস্তারিত
মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরকার আসার পর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকরা আমাদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন। কারণ, তারা এই দেশে বিনিয়োগ করতে চান। বিনিয়োগের জন্য চার-পাঁচটি জায়গার নাম সবার আগে আসে। এর মধ্যে কক্সবাজার, কুয়াকাটা, সুন্দরবন, সিলেট ও সাজেক অন্যতম।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিনিয়োগকারীদের আমরা সব সময় উদ্বুদ্ধ করতে চাই এবং তাদের সব ধরনের সহায়তা দিতে চাই।’
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, বর্তমান সরকারের সব কর্মকাণ্ড মাস্টারপ্ল্যান অনুসারে গ্রহণ করা হয়। এতে প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতা কমবে। তিনি উল্লেখ করেন, কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক পরিকল্পনাবিদদের সহায়তায় পরিকল্পনা করে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনের সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা জেসমিন, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, বরিশাল জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, পটুয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুট্রি, পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক চৌধুরী আশরাফুল করিম এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবু ইউসুফসহ বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলার বিএনপির নেতারা।
"আমাদের সরকার আসার পর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিকেরা আমাদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন। এর কারণ হলো তাঁরা এ দেশে কিছু করতে চান। বিনিয়োগ করার জন্য চার-পাঁচটা জায়গার নাম সবার আগে আসে। এর মধ্যে একটা হলো কক্সবাজার, এরপর হলো কুয়াকাটা, সুন্দরবন, সিলেট ও সাজেক।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পটুয়াখালী, কুয়াকাটা পর্যটনকেন্দ্র
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত (মন্ত্রী), জোনায়েদ সাকি (প্রতিমন্ত্রী), এ বি এম মোশাররফ হোসেন, সুলতানা জেসমিন, খলিল আহমেদ, আকন কুদ্দুসুর রহমান, স্নেহাংশু সরকার কুট্রি, চৌধুরী আশরাফুল করিম, মোহাম্মদ আবু ইউসুফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ নভেম্বর, ২-৩ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!