📌 বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৬টি পরিবারকে সরকারি আর্থিক সহায়তা হিসেবে মোট ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। বন বিভাগের আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান বন সংরক্ষক মো.আমীর হোসাইন চৌধুরী হাতি-মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিতকরণের গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরেন
বান্দরবানের লামা উপজেলায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৬টি পরিবারকে সরকারি আর্থিক সহায়তা হিসেবে মোট ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। রোববার (৪ অক্টোবর) লামা বন বিভাগের আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই সহায়তা চেক বিতরণ করা হয়। বন্যহাতি ও মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিতকরণ এবং হাতির আবাসস্থল সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় অনুষ্ঠানে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বান্দরবান লামায় হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৬টি পরিবারকে মোট ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা সহায়তা প্রদান করা হয়েছে
- 📌 প্রধান বন সংরক্ষক মো.আমীর হোসাইন চৌধুরী বলেছেন, ভবিষ্যতে হাতির আক্রমণে মৃত্যু হলে সহায়তা দিতে হবে না — সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে
- 📌 বন্যহাতি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ — এর আবাসস্থল ও চলাচলের করিডোর সংরক্ষণ জরুরি
- 📌 অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দে ও লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন
📰 বিস্তারিত
লামা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বন্যহাতি ও মানুষের মধ্যে সংঘাত কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় হাতির আবাসস্থল সংরক্ষণ এবং মানুষের জানমাল রক্ষায় বন বিভাগ, প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধান বন সংরক্ষক মো.আমীর হোসাইন চৌধুরী বলেন, “ভবিষ্যতে হাতির আক্রমণে মানুষের মৃত্যু হলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিতে যেন আসতে না হয়। সেজন্য মানুষ ও হাতির মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, বন্যহাতি ও মানুষের মধ্যে সংঘাত কমাতে সবাইকে সচেতন হতে হবে। হাতির স্বাভাবিক বিচরণক্ষেত্র ও আবাসস্থল সংরক্ষণের পাশাপাশি মানুষের জানমাল রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ প্রয়োজন।
বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা সরকারি সহায়তা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। লামা থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ কাইছার হামিদ এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন সহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
"ভবিষ্যতে হাতির আক্রমণে মৃত্যু হলে সহায়তা দিতে যেন আসতে না হয় — সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লামা উপজেলা, বান্দরবান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান বন সংরক্ষক মো.আমীর হোসাইন চৌধুরী, চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দে, লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৬টি পরিবার, ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা, ৪ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!