📅 ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফরিদপুরের বান্ধবপল্লির দুর্গামণ্ডপে প্রকৃতির সৃষ্টি: পাটখড়ি গাছে বাবুইয়ের বাসা থেকে দেবদেবীর প্রতিমা

ফরিদপুরের বান্ধবপল্লির দুর্গামণ্ডপে প্রকৃতির সৃষ্টি: পাটখড়ি গাছে বাবুইয়ের বাসা থেকে দেবদেবীর প্রতিমা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফরিদপুরের বান্ধবপল্লির হরিজন সম্প্রদায়ের তরুণরা নিজস্ব হাতে তৈরি করেছেন দুর্গামণ্ডপে প্রকৃতির মতো অরণ্য। পাটখড়ি দিয়ে সাজানো গাছে বাবুইয়ের বাসা থেকে দেবদেবীর প্রতিমা পর্যন্ত সবকিছুই তাদের সৃজনশীলতা। ৭৮১টি মণ্ডপে পূজা চলছে ফরিদপুরে, যার মধ্যে আলফাডাঙ্গার হরিমন্দিরে সবচেয়ে বড় মণ্ডপ তৈরি হয়েছে

ফরিদপুরের আলীপুর মহল্লার বান্ধবপল্লির দুর্গামণ্ডপে প্রকৃতির মতো একটি অরণ্য সৃষ্টি হয়েছে। পাটখড়ি দিয়ে তৈরি অসংখ্য গাছের ডালে বাবুই পাখির বাসার প্রতিকৃতি, গাছের ফাঁকে দেবদেবীর প্রতিমা এবং দোলনা থেকে দুলছেন শিব-পার্বতী। এই সৃজনশীলতা হরিজন সম্প্রদায়ের তরুণদের নিজস্ব হাতে তৈরি করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৪০ জন তরুণ দুই মাসে নিজস্ব হাতে তৈরি করেছেন মণ্ডপে প্রকৃতির মতো অরণ্য
  • 📌 ১০০ মিটার পথের দুই পাশে পাটখড়ি দিয়ে ১৪টি গাছের আদল তৈরি, প্রতিটি গাছে বাবুইয়ের বাসা ও দেবদেবীর প্রতিমা
  • 📌 ১০ লাখ টাকা বাঁচিয়েছেন ডেকোরেটর নিয়োগ না করায়, নিজস্ব সৃজনশীলতা মূর্ত করেছে
  • 📌 ৭৮১টি মণ্ডপে ফরিদপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা চলছে, আলফাডাঙ্গার হরিমন্দিরে ২৭৭টি প্রতিমা দিয়ে সবচেয়ে বড় মণ্ডপ তৈরি
  • 📌 সিসিটিভি ক্যামেরা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মোতায়েনে নিশ্চিত করা হয়েছে পূজার নিরাপত্তা

📰 বিস্তারিত

ফরিদপুর শহরের আলীপুর মহল্লার বান্ধবপল্লির দুর্গামণ্ডপে প্রকৃতির মতো একটি অরণ্য সৃষ্টি হয়েছে। মণ্ডপের মূল ফটক থেকে মন্দির পর্যন্ত প্রায় ১০০ মিটার পথের দুই পাশে পাটখড়ি দিয়ে অসংখ্য গাছ তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি গাছে বাবুই পাখির বাসার প্রতিকৃতি এবং গাছের ফাঁকে দেবদেবীর প্রতিমা রাখা হয়েছে। মণ্ডপ প্রাঙ্গণে শিব ও পার্বতীকে দোলনা থেকে দুলিয়ে সাজানো হয়েছে। এই সৃজনশীলতা হরিজন সম্প্রদায়ের তরুণদের নিজস্ব হাতে তৈরি করেছে।

বান্ধবপল্লির পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি সজল কুমার দাস বলেন, “ডেকোরেটরদের থিম সাধারণত একই ধরনের হয়। তাদের থেকে সৃজনশীলতা আশা করা যায় না। নিজেরা করায় মনের মাধুরী মিশিয়ে যে ভাবনা মূর্ত করেছেন, কোনো ডেকোরেটরের কাছে তা পাওয়া যেত না। এছাড়াও ডেকোরেটরদের দিয়ে করালে অন্তত ১০ লাখ টাকা খরচ হতো, কিন্তু নিজেরা করায় এত টাকা খরচ হয়নি।”

বান্ধবপল্লির এই ব্যতিক্রমী আয়োজন ফরিদপুর শহরসহ আশপাশের এলাকায় পরিচিতি পেয়েছে। প্রতিবছর এখানে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় হয়। বান্ধবপল্লির হরিজন কলোনির সভাপতি শ্যামল জমাদার বলেন, “দেড় শত বছর ধরে আমাদের পূর্বপুরুষেরা এ দুর্গোৎসবের আয়োজন করে আসছেন। আমরা তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখছি। প্রতিবছর এই মন্দিরে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় হয়। এবার ব্যতিক্রম হবে না।”

ফরিদপুরে এবার মোট ৭৮১টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম জানান, “শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদ্যাপনের জন্য প্রতিটি মণ্ডপ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। আলোকসজ্জা ও অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংযোগ, বৈদ্যুতিক তার ও জেনারেটর ব্যবহারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।”

পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী বলেন, “চুরি, ছিনতাই, মাদক, নারী-শিশুকে হয়রানিসহ অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক আছে। পূজা উপলক্ষে শহরে অবৈধ মোটরসাইকেলের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশ দায়িত্ব পালন শুরু করেছে। প্রতিটি মন্দিরে আনসার ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।”

"ডেকোরেটরদের থিম সাধারণত একই ধরনের হয়। তাদের থেকে সৃজনশীলতা আশা করা যায় না। নিজেরা করায় মনের মাধুরী মিশিয়ে যে ভাবনা মূর্ত করেছেন, কোনো ডেকোরেটরের কাছে তা পাওয়া যেত না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বান্ধবপল্লি, আলীপুর মহল্লা, ফরিদপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সজল কুমার দাস, শ্যামল জমাদার, মাজহারুল ইসলাম, শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ জন তরুণ, ১০০ মিটার পথ, ১৪টি গাছের আদল, ১০ লাখ টাকা, ৭৮১টি মণ্ডপ, ২৭৭টি প্রতিমা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖