📌 বায়তুল মোকাররমে আবারও এসির তার চুরির ঘটনা ঘটে। জুমার নামাজে হাজারো মুসল্লিকে গরমে ভোগান্তি করতে হয়। অবহেলার অভিযোগে ৫ কর্মীকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালে ৪০টি এসির তার চুরির ঘটনা ঘটেছিল, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে আবারও এসির সংযোগ তার চুরির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার জুমার নামাজে অংশ নিতে আসা হাজারো মুসল্লিকে চরম গরম ও অস্বস্তির মুখে পড়তে হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাতের কোনো এক সময়ে এই চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে মসজিদের নিরাপত্তাকর্মী ওবায়দুর রহমান, আলী ও মহসিন এবং প্রধান খাদেম নাসিরুল্লাহ ও খাদেম বিল্লালকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বায়তুল মোকাররমে এসির তার চুরির ঘটনা ঘটে, ৮টি এসি বন্ধ হয়ে যায়
- 📌 জুমার নামাজে হাজারো মুসল্লিকে গরমে ভোগান্তি করতে হয়
- 📌 অবহেলার অভিযোগে ৫ কর্মীকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে
- 📌 ছাদের তালা ভাঙা বা কাটার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি
- 📌 ২০২৪ সালে ৪০টি এসির তার চুরির ঘটনা ঘটেছিল, কিন্তু কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি
- 📌 ২০২৪ সালের ঘটনায় ৮ থেকে ৯ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছিল
- 📌 এবারও প্রায় পৌনে তিন লাখ টাকা ব্যয় হতে পারে
- 📌 মসজিদ পরিচালক শেখ মুশিদুল ইসলামের দায়িত্বে উদাসীনতা ও উপ-পরিচালক মো. আবু তালহার অদক্ষতার অভিযোগ উঠেছে
- 📌 মো. আবু তালহার নিয়োগে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নিয়মানুযায়ী চাকরিবিধি উপেক্ষা করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বায়তুল মোকাররমে এসির সংযোগ তার চুরির ঘটনা আবারও ঘটেছে। এই ঘটনায় আটটি এসি বন্ধ হয়ে গেছে, যার ফলে শুক্রবার জুমার নামাজে অংশ নিতে আসা হাজারো মুসল্লিকে চরম গরম ও অস্বস্তির মুখে পড়তে হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাতের কোনো এক সময়ে এই চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে মসজিদের নিরাপত্তাকর্মী ওবায়দুর রহমান, আলী ও মহসিন এবং প্রধান খাদেম নাসিরুল্লাহ ও খাদেম বিল্লালকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, ছাদের তালা ভাঙা বা কাটার কোনো ধরনের আলামত পাওয়া যায়নি। ফলে নিরাপদে চাবি ব্যবহার করেই ছাদে প্রবেশ করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
২০২৪ সালের ৪০টি এসির তার চুরির ঘটনায়ও কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সে সময়ও মসজিদের ওই অংশের চাবি কেবল সীমিতসংখ্যক ব্যক্তির জিম্মায় ছিল। ওই চুরির পর এসির সংযোগ পুনঃস্থাপন করতে প্রায় ৮ থেকে ৯ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছিল। সর্বশেষ চুরি যাওয়া তারের সংযোগ ঠিক করতে এবারও প্রায় পৌনে তিন লাখ টাকা ব্যয় হতে পারে বলে জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্র।
মসজিদ পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ইসলামিক ফাউন্ডেশন সচিব শেখ মুশিদুল ইসলামের দায়িত্বে চরম উদাসীনতা রয়েছে। মসজিদ পরিচালনা কিংবা অভ্যন্তরীণ পরিচ্ছন্নতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে তাঁর অনীহা সর্বমহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি, মসজিদের উপ-পরিচালক পদে মো. আবু তালহা নামের এক অদক্ষ কর্মকর্তাকে পদায়ন করা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, এই কর্মকর্তাকে বিশেষ সুবিধায় নিয়োগ দিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের চাকরিবিধি ১৯৯৮ (সংশোধিত ২০০৯) উপেক্ষা করা হয়েছে। নিয়মানুযায়ী নবম গ্রেডে চাকরির অভিজ্ঞতা ছাড়া সরাসরি ষষ্ঠ গ্রেডে নিয়োগের সুযোগ না থাকলেও, কেবল নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সুযোগ দিতে ১৩তম গ্রেড থেকে সরাসরি ষষ্ঠ গ্রেডে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল।
"মসজিদের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ইসলামিক ফাউন্ডেশন সচিব শেখ মুশিদুল ইসলামের দায়িত্বে উদাসীনতা রয়েছে। মসজিদ পরিচালনা কিংবা অভ্যন্তরীণ পরিচ্ছন্নতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে তাঁর অনীহা সর্বমহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ মুশিদুল ইসলাম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন সচিব), ওবায়দুর রহমান, আলী, মহসিন, নাসিরুল্লাহ, খাদেম বিল্লাল, মো. আবু তালহা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ কর্মী (শোকজ নোটিশ), ৮টি এসি (বন্ধ), ৪০টি এসি (২০২৪ সালের ঘটনা), ৮-৯ লাখ টাকা (২০২৪ সালের ব্যয়), ১৩তম গ্রেড (মো. আবু তালহার নিয়োগ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!