📌 পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কের নাম ও ইতিহাসে জড়িয়ে আছে ঢাকার আর্মেনীয় বিলিয়ার্ড ক্লাব থেকে ভিক্টোরিয়া পার্ক হয়ে সিপাহী বিদ্রোহের স্মৃতিসৌধে রূপান্তর। ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের ফাঁসিদণ্ডিতদের মরদেহ এই গাছগুলিতে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে পার্কের নামকরণে প্রভাব ফেলে
পুরান ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে অবস্থিত বাহাদুর শাহ পার্কের নাম ও ইতিহাসে জড়িয়ে আছে এক বেদনাদায়ক অধ্যায়। এই পার্কের নামকরণের পেছনে রয়েছে ঢাকার আর্মেনীয় বিলিয়ার্ড ক্লাব থেকে শুরু করে সিপাহী বিদ্রোহের স্মৃতিসৌধে রূপান্তর।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের পর ফাঁসিদণ্ডিত বিপ্লবীদের মরদেহ এই পার্কের গাছগুলিতে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল ইংরেজ শাসকদের ভয় ছড়াতে
- 📌 ১৮৫৮ সালে রানি ভিক্টোরিয়ার ভারতবর্ষ শাসন ঘোষণা এই ময়দানে পাঠানো হয়েছিল, যার পর থেকে পার্কের নাম হয় 'ভিক্টোরিয়া পার্ক'
- 📌 ১৯৫৭ বা ১৯৬১ সালে সিপাহী বিদ্রোহের শতবার্ষিকীতে পার্কের নাম পরিবর্তন করে 'বাহাদুর শাহ পার্ক' রাখা হয়, স্মৃতিসৌধ নির্মাণের সাথে
- 📌 পার্কের নামকরণের পেছনে রয়েছে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহের নাম, যিনি বিদ্রোহের লক্ষ্য ছিলেন ইংরেজ শাসনের অবসান
📰 বিস্তারিত
পুরান ঢাকার এই ঐতিহাসিক স্থানটি আঠারো শতকের শেষ দিকে ঢাকার আর্মেনীয়দের বিলিয়ার্ড ক্লাব হিসেবে পরিচিত ছিল। স্থানীয়রা বিলিয়ার্ড বলকে 'আন্টা' বলে ডাকতেন, যার নামানুসারে জায়গাটির নাম হয় 'আন্টাঘর'। ১৮৫৮ সালে রানি ভিক্টোরিয়া ভারতবর্ষের শাসনভার গ্রহণের ঘোষণা এই ময়দানেই পাঠানো হয়েছিল, যার পর থেকে পার্কের নাম পরিবর্তন করে 'ভিক্টোরিয়া পার্ক' রাখা হয়।
১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের পর ইংরেজ শাসকরা প্রহসনমূলক বিচারে অসংখ্য বিপ্লবী সিপাহীকে ফাঁসি দেয়। তাদের মরদেহ এই পার্কের গাছগুলিতে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল জনগণের মধ্যে ভয় ছড়াতে। এই ইতিহাসের স্মৃতি ধরে রাখতে ১৯৫৭ বা ১৯৬১ সালে সিপাহী বিদ্রোহের শতবার্ষিকী উপলক্ষে পার্কের নাম পরিবর্তন করে 'বাহাদুর শাহ পার্ক' রাখা হয় এবং স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
সিপাহী বিদ্রোহের লক্ষ্য ছিল ইংরেজ শাসনের অবসান ঘটিয়ে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহর শাসন ফিরিয়ে আনা। সেই কারণেই পার্কের নামকরণ করা হয় বাহাদুর শাহের নামে। প্রতিবেদনটি লিখেছেন একজন ১২ বছর বয়সী প্রতিবেদক, যিনি ঢাকা জেলায় অবস্থিত।
"এই পার্ক শুধু নাম বদলের ইতিহাসই বহন করে না, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে এক বেদনাদায়ক অধ্যায়ও।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পুরান ঢাকা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রানি ভিক্টোরিয়া, মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮৫৭, ১৮৫৮, ১৯৫৭/১৯৬১
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!