📅 ২ অক্টোবর ২০২৬, ৯:২৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পলিথিনের ছাউনির অধীনে কষ্টের জীবন থেকে বেরিয়ে আসে বাবা-ছেলে দু’জন: নতুন ঘর ও পাম্পের প্রতিশ্রুতি

পলিথিনের ছাউনির অধীনে কষ্টের জীবন থেকে বেরিয়ে আসে বাবা-ছেলে দু’জন: নতুন ঘর ও পাম্পের প্রতিশ্রুতি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মানইর গ্রামের বৃদ্ধ কফিল প্রামাণিক (৭০) ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ছেলে আসমত প্রামাণিক (৫২) দিনের পর দিন পলিথিনের নিচে কাটাচ্ছিলেন। বাবা-ছেলের দুর্দশা দেখে স্থানীয় এমপি আব্দুল আজিজের উদ্যোগে নির্মিত হয় নতুন ঘর এবং পানির সমস্যা দূর করতে দেওয়া হয় পাম্পের প্রতিশ্রুতি

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মানইর গ্রামের বৃদ্ধ কফিল প্রামাণিক (৭০) ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ছেলে আসমত প্রামাণিক (৫২) দিনের পর দিন পলিথিনের ছাউনির নিচে কাটাচ্ছিলেন। ঝড়-বৃষ্টি ও রোদ থেকে রক্ষা পেতে কোনো স্থায়ী আশ্রয় না থাকায় তাদের জীবন ছিল কষ্টের। কিন্তু এখন সেই কষ্টের দিনগুলো অতীত হয়ে গেছে। স্থানীয় এমপি আব্দুল আজিজের উদ্যোগে নির্মিত নতুন ঘর এবং পানির সমস্যা দূর করতে দেওয়া পাম্পের প্রতিশ্রুতি তাদের জীবনে নতুন আশা নিয়ে এসেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৭০ বছর বয়সী কফিল প্রামাণিক ও ৫২ বছর বয়সী দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ছেলে আসমত প্রামাণিক দিনের পর দিন পলিথিনের নিচে বসবাস করতেন নাটোরের মানইর গ্রামে।
  • 📌 ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত নতুন ঘরটি তাদের মাথার ওপর স্থায়ী ছাদ হিসেবে কাজ করবে।
  • 📌 এমপি আব্দুল আজিজ অনুষ্ঠানে ঘোষণা করেন, পানির সমস্যা দূর করতে একটি বিদ্যুৎচালিত পাম্প দেওয়া হবে।
  • 📌 পোলিও রোগে দৃষ্টিশক্তি হারান আসমত। বাবা কফিলের নিজস্ব ঘর ছিল না, তাই পলিথিনের নিচে বসবাস করতে বাধ্য হন।
  • 📌 ১০ নভেম্বর পর্যন্ত মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদালত দিন ধার্য করেছেন।

📰 বিস্তারিত

বৃদ্ধ কফিল প্রামাণিকের জীবন ছিল কষ্টের। প্যারালাইজড হয়ে চলাফেরায় অক্ষম তিনি। একসময় স্ত্রী ও এক মেয়েকে নিয়ে তাঁর সংসার ছিল। কিন্তু প্রায় সাত-আট বছর আগে স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে চলে যান এবং মেয়েটিও মারা যান। এরপর দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ছেলে আসমতই তাঁর একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়ান। বাবার খাবারের জোগাড় করতে আসমতকে মানুষের দ্বারে দ্বারে সাহায্য চাইতে হতো। পলিথিনের ছাউনির নিচে বর্ষা কিংবা রোদ—কোনোটিই তাদের জন্য স্বস্তির ছিল না। এক খণ্ড জমি থাকলেও সেখানে নিরাপদ একটি ঘর তোলার সামর্থ্য ছিল না।

বাবা-ছেলের দুর্দশা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের পর বিষয়টি নজরে আসে ঢাকাস্থ বড়াইগ্রাম উপজেলা সমিতি ও উপজেলা প্রশাসনের। স্থানীয় এমপি আব্দুল আজিজের উদ্যোগে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় নতুন ঘর। আজ শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এমপি আব্দুল আজিজ বাবা-ছেলের দুর্দশা তুলে ধরায় সংবাদমাধ্যম ও ব্যক্তিদের ধন্যবাদ জানান। তিনি পানির সমস্যা দূর করতে একটি বিদ্যুৎচালিত পাম্প দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বড়াইগ্রাম উপজেলা সমিতির সভাপতি ও সাবেক সিভিল সার্জন ডা. শামসউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসাইন, জোনাইল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রাশেদুল ইসলাম রাসেল, জোনাইল বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি মসলেম উদ্দিন, বড়াইগ্রাম উপজেলা সমিতির উপদেষ্টা আব্দুল কাদের, পিকেএসএফের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মনির হোসেন, সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি ও ঢাকা ইমপালস হাসপাতালের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রাশিদুল ইসলাম, বড়াইগ্রাম সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক শফীউল হাসান তিতু, সমিতির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাফিসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

"আমাদের উদ্যোগে এই ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। বাবা-ছেলের দুর্দশা দেখে আমরা তাদের জীবনকে আরো সুন্দর করার চেষ্টা করেছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মানইর গ্রাম, বড়াইগ্রাম উপজেলা, নাটোর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কফিল প্রামাণিক (৭০), আসমত প্রামাণিক (৫২), এমপি আব্দুল আজিজ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা, ১০ নভেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖