📌 খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি এলাকার দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে স্থাপিত পানির ট্যাংক থেকে ৪০০ পরিবার পানির সুবিধা পাচ্ছে। সৌরশক্তি চালিত পাম্পের মাধ্যমে সংগ্রহ করা পানি সরাসরি ট্যাংক থেকে নেওয়া যাবে
খাগড়াছড়ির দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে স্থাপিত পানির ট্যাংক ৪০০ পরিবারের পানিসংকট দূর করেছে। দুল্যাতলী ইউনিয়নের মাগড়াছড়ি পাড়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আঙিনায় সৌরশক্তি চালিত পাম্পের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানি সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আশপাশের এলাকার পরিবারগুলো পানির নিরাপত্তা পেয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি এলাকায় সেনাবাহিনী স্থাপন করেছে পানির ট্যাংক, যা ৪০০ পরিবারকে উপকৃত করছে
- 📌 মাগড়াছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আঙিনায় সৌরশক্তি চালিত পাম্পের মাধ্যমে পানি সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়েছে
- 📌 উদ্বোধন করেন দুল্যাতলী আর্মি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন মাহাথির মুস্তফা নাবিল
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দা সুমিতা চাকমা বলেছেন, ‘এলাকার দুর্গমতা কারণে পানির ব্যবস্থা করা ছিল কঠিন, এ উদ্যোগের জন্য সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞ’
- 📌 ২৪ আর্টিলারি ব্রিগেডের গুইমারা রিজিয়ন এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে
📰 বিস্তারিত
খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি এলাকার দুল্যাতলী ইউনিয়নের মাগড়াছড়ি পাড়া দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল। এখানে পানির ব্যবস্থা করা ছিল অত্যন্ত কঠিন। শুকনো মৌসুমে পানির সংগ্রহের জন্য মানুষকে দীর্ঘ পথ যেতে হতো। সেনাবাহিনীর উদ্যোগে এবার এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ ৪০০ পরিবার পানির সুবিধা পাচ্ছে। মাগড়াছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আঙিনায় স্থাপিত বিশাল পানির ট্যাংক থেকে সরাসরি পানি সংগ্রহ করা যাবে। সৌরশক্তি চালিত পাম্পের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানি সংগ্রহ করা হচ্ছে, যা ট্যাংকে সংরক্ষিত থাকবে।
সোমবার সকালে দুল্যাতলী আর্মি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন মাহাথির মুস্তফা নাবিল উদ্বোধন করেন এই পানির ট্যাংক। উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্পের জেসিও ওয়ারেন্ট অফিসার আলমগীর, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুবেল বিন্দু চাকমা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। স্থানীয় বাসিন্দা সুমিতা চাকমা বলেন, ‘আমাদের এলাকা অনেক দুর্গম। দৈনন্দিন কাজে পানির ব্যবস্থা করা সহজ ছিল না। এখন শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এলাকার পরিবারগুলোও উপকৃত হবে। সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।’
ক্যাপ্টেন মুস্তফা নাবিল বলেন, ‘পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সেনাবাহিনী সবসময় জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। স্থানীয় মানুষের প্রয়োজন বিবেচনায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও জনসাধারণের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’
"পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সেনাবাহিনী সবসময় জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাগড়াছড়ি, খাগড়াছড়ি, লক্ষ্মীছড়ি ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্যাপ্টেন মাহাথির মুস্তফা নাবিল, সুমিতা চাকমা, রুবেল বিন্দু চাকমা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০০ পরিবার, ২৪ আর্টিলারি ব্রিগেড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!