📌 হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে জামায়াতের সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। বিমানবন্দর থানায় দায়ের করা মামলায় তার হুমকি-ধামকির দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে জামায়াতের সহযোগী সদস্য ও বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেফতার করেছে। বিমানবন্দর থানায় দায়ের করা মামলায় তার হুমকি-ধামকির দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, কর্মকর্তাকে হুমকি এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।
- 📌 ২১ নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করে লাগেজ সংগ্রহের সময় দীর্ঘ লাইন এবং জমজমের পানি না আসায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
- 📌 সকাল ১০:৪০ মিনিটে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদকে ডেকে পাঠানোর পর মেজর আখতারুজ্জামান তার দিকে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে এগিয়ে গিয়ে অশালীন ভাষায় গালাগালি করেন।
- 📌 ৩৪ জন জামায়াত প্রতিনিধিসহ মেজর আখতারুজ্জামান মদিনা থেকে ঢাকায় আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ জানিয়েছেন।
- 📌 ডা. ওরাকাতুল জান্নাত বলেছেন, ইমিগ্রেশন পার করে ৩০ মিনিটের বেশি সময় লাগে ট্রলি সংগ্রহে এবং লাগেজ পাওয়ার পরও জমজমের পানি না আসায় যাত্রীরা চরম ভোগান্তি ভোগ করেছেন।
📰 বিস্তারিত
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটের কারণে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে জামায়াতের সহযোগী সদস্য ও বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেফতার করেছে। বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার বিবিসি বাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মদিনা থেকে ঢাকায় আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে মেজর আখতারুজ্জামান ও জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি সহ অন্য যাত্রীরা বিমানবন্দরের ২১ নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করেন। ইমিগ্রেশন শেষে লাগেজ সংগ্রহের জন্য আট নম্বর লাগেজ বেল্ট এলাকায় যাওয়ার সময়, অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে ট্রলি সংগ্রহে সংকট সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ লাইনের কারণে লাগেজ পাওয়ার বিলম্ব এবং জমজমের পানি না আসায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, যা পর্যায়ক্রমে বিশৃঙ্খলায় পরিণত হয়।
এই ঘটনাক্রমের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে মেজর আখতারুজ্জামানকে বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের হুমকি-ধামকি দেওয়া দেখা যায়। বিমানবন্দর থানায় দায়ের করা মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, সকাল ১০:৪০ মিনিটে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদকে ঘটনাস্থলে ডেকে পাঠান। নির্বাহী পরিচালক সেখানে উপস্থিত হয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলার সময় মেজর আখতারুজ্জামান তার দিকে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে এগিয়ে গিয়ে অশালীন ভাষায় গালাগালি করেন।
বিমানবন্দরে সেদিনের ঘটনাক্রমের বিস্তারিত জানান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একই ফ্লাইটের যাত্রী ডা. ওরাকাতুল জান্নাত। তিনি বিবিসি বাংলাকে বলেন, “৩০ মিনিট শুধু ইমিগ্রেশন পার করে আমাকে ট্রলির জন্য দাঁড়াতে হয়েছে। এরপর আরও দুই ঘণ্টা থেকে আড়াই ঘণ্টা ক্রস হয়ে গেলে লাগেজ আসছে, কিন্তু জমজমের পানি আসেনি। ওটাও তো আমরা কিনে এনেছি, আমার লাগেজের পার্ট। সামান্য তথ্যটুকু কেউ আমাদেরকে দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেনি। বিমানের কেউ শুরুতে আসেনি, পরে একজন এসেছিলেন কিন্তু উনিও কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারছিলেন না।”
"ঘাড় ধরে বের করে দেবো, কাজ জানেন না কিছু জানেন না, তদবির করে পোস্টিং এ আসবেন, মাইর খাইতে চান?"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, ওসি কামরুল হাসান তালুকদার, ডা. ওরাকাতুল জান্নাত, গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৪ জন জামায়াত প্রতিনিধি, ২১ নম্বর গেট, ৩০ মিনিট, ১০:৪০ মিনিট, ৫ নম্বর আসন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!