📌 কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগে এয়ার এশিয়া পেনাং থেকে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে। বিমান পরিবহনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, কক্সবাজার-কাঠমান্ডু ও কক্সবাজার-কুনমিং রুটেও সরাসরি ফ্লাইটের পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন আন্তর্জাতিক টার্মিনালের উদ্বোধন আশা করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে
কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে মালয়েশিয়ার সুলভ মূল্যের বিমান সংস্থা এয়ার এশিয়া কক্সবাজার ও পেনাংয়ের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের নেতৃত্বে সরকারের এই উদ্যোগ পর্যটন খাতকে নতুন উচ্চতা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আশীর্বাদে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এয়ার এশিয়া পেনাং থেকে কক্সবাজার সরাসরি ফ্লাইট চালু করবে, তবে তারিখ ও ফ্লাইট সংখ্যা এখনো ঘোষণা করা হয়নি
- 📌 কক্সবাজার-কাঠমান্ডু-কক্সবাজার ও কক্সবাজার-কুনমিং রুটেও সরাসরি ফ্লাইটের পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 ১৭ হাজার ৯৫৬ বর্গমিটার আয়তনের নতুন আন্তর্জাতিক টার্মিনালে ৩৬২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে
- 📌 বিমানবন্দরের বার্ষিক যাত্রী সক্ষমতা বেড়ে ১৮ লাখে উন্নীত হবে, বর্তমানে ৭ লাখ ৩০ হাজার
- 📌 বঙ্গোপসাগর থেকে ৪৩ হেক্টর জমি পুনরুদ্ধার করে রানওয়েটি ১০ হাজার ৭০০ ফুটে বাড়ানো হয়েছে
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, এয়ার এশিয়া কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে। তিনি বলেন, ‘এয়ার এশিয়া কক্সবাজারে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করবে বলে নিশ্চিত হয়েছে’। তবে ফ্লাইটের শুরুতে কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ বা সপ্তাহে পরিচালিত ফ্লাইটের সংখ্যা এখনো ঘোষণা করা হয়নি।
কক্সবাজারকে আঞ্চলিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার আরও দুটি আন্তর্জাতিক রুট চালুর পরিকল্পনা করছে। এগুলো হলো কক্সবাজার-কাঠমান্ডু-কক্সবাজার এবং কক্সবাজার-কুনমিং (চীনের ইউনান প্রদেশ)। মন্ত্রী জানান, ‘আমরা কক্সবাজার-কাঠমান্ডু রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালুরও পরিকল্পনা করছি। চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ অঞ্চলের পর্যটকদের আকৃষ্ট করাই এর মূল লক্ষ্য’।
বিমানবন্দরের নতুন আন্তর্জাতিক টার্মিনালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আশা করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে। তিনি বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনসও কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট পরিচালনা করবে’।
নতুন টার্মিনালে চেক ইন কাউন্টার, ইমিগ্রেশন সুবিধা, লাগেজ সরবরাহের বেল্ট, নিরাপত্তা তল্লাশি সরঞ্জাম, লিফট, এসকেলেটর ও বোর্ডিং ব্রিজসহ আধুনিক সুবিধা রয়েছে। প্রায় ৩৬২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই টার্মিনালের বার্ষিক যাত্রী পরিচালন সক্ষমতা বেড়ে ১৮ লাখে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বঙ্গোপসাগর থেকে ৪৩ হেক্টর জমি পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে বিমানবন্দরের রানওয়েটি ৯ হাজার ফুট থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার ৭০০ ফুট করা হয়েছে। এটি বর্তমানে দেশের দীর্ঘতম রানওয়ে। সরকার আশা করছে, এই উন্নয়ন পর্যটন খাতে বিনিয়োগ বাড়াবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি করবে।
"আমরা কক্সবাজারকে শুধু দেশীয় পর্যটকদের ওপর নির্ভরশীল একটি গন্তব্যের পরিবর্তে আন্তর্জাতিক পর্যটনের প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলার বৃহত্তর কৌশলের অংশ হিসেবে প্রস্তাবিত এসব রুটকে দেখা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত (বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী), তারেক রহমান (প্রধানমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ হাজার ৯৫৬ বর্গমিটার (টার্মিনাল আয়তন), ৩৬২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা (বিনিয়োগ), ১৮ লাখ (বছরানুযায়ী যাত্রী সক্ষমতা), ৪৩ হেক্টর (জমি পুনরুদ্ধার), ১০ হাজার ৭০০ ফুট (রানওয়েটি দৈর্ঘ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!