📌 এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে অশ্লীল ছবি তৈরি করে প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে র্যাবের অভিযানে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা থেকে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি বিভিন্ন পণ্য বিক্রির নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করে তাদের ছবি বিকৃত করে চাঁদাবাজি করতেন বলে জানা গেছে
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৫-এর অভিযানে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে রাইসুল ইসলাম জুয়েল (৩৩) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পণ্য বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের পর তাদের ছবি বিকৃত করে অশ্লীল ছবি তৈরি করে চাঁদাবাজি করতেন বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে রাইসুল ইসলাম জুয়েলকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৫
- 📌 অভিযুক্ত ব্যক্তি বিভিন্ন পণ্য বিক্রির নামে অর্থ আদায় করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে অশ্লীল ছবি তৈরি করে চাঁদাবাজি করতেন
- 📌 গ্র্যান্ড পিয়ানো বিক্রির নামে ঢাকার এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা আদায় করেন
- 📌 ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা দাবি করে অশ্লীল ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন
- 📌 রাইসুল ইসলাম জুয়েলের বিরুদ্ধে আরও তিনজনের কাছ থেকে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে
📰 বিস্তারিত
র্যাব-৫-এর সূত্রে জানা গেছে, রাইসুল ইসলাম জুয়েল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পণ্য বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করতেন। তিনি ফেসবুকে ‘গ্র্যান্ড পিয়ানো’ বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়ে ঢাকার এক ব্যক্তির সঙ্গে ৮০ হাজার টাকায় একটি গ্র্যান্ড পিয়ানো বিক্রির সমঝোতায় আসেন। পরবর্তীতে কৌশলে ওই ব্যক্তির বিকাশ ও ব্যাংক হিসাবের তথ্য সংগ্রহ করেন তিনি।
এরপর ব্যক্তিটিকে গ্র্যান্ড পিয়ানো পাঠাতে বলার পর বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন রাইসুল ইসলাম জুয়েল। পরে হোয়াটসঅ্যাপ থেকে ওই ব্যক্তির ছবি সংগ্রহ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে অশ্লীল ছবি তৈরি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর সেই ছবি ব্যক্তিটিকে পাঠিয়ে ৬০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রাজধানীর ভাটারা থানায় সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। পরে র্যাব-৫ অভিযান চালিয়ে রাইসুল ইসলাম জুয়েলকে গ্রেপ্তার করে বড়াইগ্রাম থানায় হস্তান্তর করে। র্যাব জানায়, রাইসুলের বিরুদ্ধে আরও কয়েকজনের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
"মাদারীপুরের সুস্ময় চক্রবর্তী নামে এক ব্যক্তি ২৭ কার্টন সাউন্ড বক্স কেনার জন্য ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাঁকে কোনো পণ্য দেওয়া হয়নি। আমি টাকা বা পণ্য—কোনোটিই পাইনি।"
চট্টগ্রামের রুহি ইসলামও রাইসুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। তাঁর দাবি, রাইসুলের কাছে মসলা জাতীয় পণ্য বিক্রি করলেও তিনি পণ্য ফেরত দেননি এবং এর মূল্যও পরিশোধ করেননি। বড়াইগ্রাম থানার পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘তাঁকে ভাটারা থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার গোপালপুর এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাইসুল ইসলাম জুয়েল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩ বছর, ৮০ হাজার টাকা, ৬০ হাজার টাকা, ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!