📌 এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইউরোলজিস্ট অধ্যাপক মো. কামরুল ইসলামের ছবি ও কণ্ঠস্বর নকল করে ভুয়া ওষুধের বিজ্ঞাপন প্রচারের অভিযোগে দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। অভিযান চালানো হয় চট্টগ্রাম মহানগরের বায়েজিদ বোস্তামি ও পাঁচলাইশ থানায়
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে ইউরোলজিস্ট ও কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট সার্জন অধ্যাপক মো. কামরুল ইসলামের পরিচয় জাল করে ভুয়া ওষুধের বিজ্ঞাপন প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে অধ্যাপক কামরুল ইসলামের ছবি, নাম ও কণ্ঠস্বর নকল করে ভুয়া ওষুধের বিজ্ঞাপন প্রচার করা হতো
- 📌 গ্রেপ্তার দুই তরুণের নাম তানভীর আলম ওরফে রাহাত (২৩) এবং মো. নুর নবী ইসলাম ওরফে মানিক (২৩)
- 📌 অভিযান চালানো হয় চট্টগ্রাম মহানগরের বায়েজিদ বোস্তামি ও পাঁচলাইশ থানায়
- 📌 গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে তিনটি মুঠোফোন, চারটি সিম কার্ড ও সাতটি ভুয়া ভেষজ ফুড সাপ্লিমেন্ট উদ্ধার
📰 বিস্তারিত
ডিএমপির ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন দলের তদন্তে জানা যায়, প্রতারক চক্রটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অধ্যাপক কামরুল ইসলামের নামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট ও পেজ খুলে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করত। এসব অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এআই প্রযুক্তির সাহায্যে চিকিৎসকের কণ্ঠস্বর নকল করে বিভিন্ন ভিডিও প্রচার করা হতো।
এসব ভিডিওতে প্রোস্টেট সমস্যা, শারীরিক ও যৌন দুর্বলতা নিরাময়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে অজ্ঞাত ওষুধ বিক্রির বিজ্ঞাপন দেওয়া হতো। অধ্যাপক কামরুল ইসলামের পরিচয় ব্যবহার করা হতো বলে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে এসব পণ্য ক্রয় করে প্রতারিত হতেন বলে ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার নিয়াজ মেহেদী জানান।
তদন্ত সূত্রে জানা যায়, অধ্যাপক কামরুল ইসলাম বিষয়টি জানতে পেরে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারীর মাধ্যমে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। এরপর ডিএমপির ডিবি তদন্ত শুরু করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারক চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে। গত মঙ্গল ও বুধবার চট্টগ্রাম মহানগরের বায়েজিদ বোস্তামি ও পাঁচলাইশ থানায় অভিযান চালিয়ে দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়।
"অনলাইনে কোনো ওষুধ বা স্বাস্থ্য পণ্য কেনার আগে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, হাসপাতাল বা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন ও বৈধতা যাচাই করতে হবে। শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিজ্ঞাপন কিংবা অপরিচিত ব্যক্তির কথা বিশ্বাস করে কোনো ওষুধ কেনা থেকে বিরত থাকতে হবে। প্রতারণার শিকার হলে দ্রুত নিকটস্থ থানায় যোগাযোগের পরামর্শ দিয়েছে ডিবি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম মহানগর, বায়েজিদ বোস্তামি ও পাঁচলাইশ থানা এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মো. কামরুল ইসলাম, নিয়াজ মেহেদী, তানভীর আলম ওরফে রাহাত, মো. নুর নবী ইসলাম ওরফে মানিক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন গ্রেপ্তার, ৩টি মুঠোফোন, ৪টি সিম কার্ড, ৭টি ভুয়া ভেষজ ফুড সাপ্লিমেন্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!