📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আহসান মঞ্জিলের ৫টি লোহার সিন্দুক: ৩টি তালাবদ্ধ, ভেতরে কী আছে তা এখনও রহস্য

আহসান মঞ্জিলের ৫টি লোহার সিন্দুক: ৩টি তালাবদ্ধ, ভেতরে কী আছে তা এখনও রহস্য

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আহসান মঞ্জিলের ৯ নম্বর গ্যালারিতে রাখা পাঁচটি লোহার সিন্দুকের মধ্যে তিনটি এখনও খোলা হয়নি। সিন্দুকগুলোর মধ্যে কী আছে তা নিয়ে দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল রয়েছে। সিন্দুকগুলো ১৯শ শতাব্দীর লন্ডন থেকে আনা হয়েছিল এবং এখনও তাদের মরিচা পড়েনি

আহসান মঞ্জিলের ঐতিহাসিক গ্যালারিতে রাখা পাঁচটি লোহার সিন্দুকের মধ্যে তিনটি এখনও খোলা হয়নি। এই তালাবদ্ধ সিন্দুকগুলোর ভেতরে কী আছে তা নিয়ে দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল রয়েছে। সিন্দুকগুলো ঢাকার নবাব পরিবারের ব্যক্তিগত কোষাগার হিসেবে ব্যবহৃত হতো এবং এখনও তাদের মরিচা পড়েনি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আহসান মঞ্জিলের ৯ নম্বর গ্যালারিতে ৫টি লোহার সিন্দুক রয়েছে, এর মধ্যে ৩টি এখনও খোলা হয়নি
  • 📌 সবচেয়ে বড় সিন্দুকটির উচ্চতা ২৫৪ সেন্টিমিটার, চওড়া ১৪৮ সেন্টিমিটার এবং এতে ৯৪টি লকার রয়েছে
  • 📌 বাকি চারটি সিন্দুকের মধ্যে তিনটি উচ্চতা ১৮০ সেন্টিমিটার, চওড়া ৬৫ সেন্টিমিটার এবং একটি উচ্চতা ১৮০ সেন্টিমিটার, চওড়া ৯৯ সেন্টিমিটার
  • 📌 সিন্দুকগুলো ১৯শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে যুক্তরাজ্যের ‘চাব্স’ কোম্পানির তৈরি এবং কলকাতার ‘দ্য থমসন অ্যান্ড কোং’ এজেন্টের মাধ্যমে আনা হয়েছিল
  • 📌 ১৯৮৭ সালে ভূমি মন্ত্রণালয় একটি কমিটি গঠন করে সিন্দুকগুলোর তালিকা করার জন্য, কিন্তু কোনো সিন্দুক খোলা হয়নি

📰 বিস্তারিত

আহসান মঞ্জিল বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের একটি শাখা হিসেবে পরিচালিত হয়। এই ঐতিহাসিক প্রাসাদটি ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। আহসান মঞ্জিলের উপকিপার দিবাকর সিকদার জানান, তালাবদ্ধ সিন্দুকগুলো দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি করছে। তিনি বলেন, ‘আমারও মাঝেমধ্যে সিন্দুকের ভেতরে কী আছে তা জানতে ইচ্ছা হয়, কিন্তু সে সুযোগ নেই।’

১৮৩০ সালে ঢাকার নবাব পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা খাজা আলীমুল্লাহ ফরাসিদের কাছ থেকে বুড়িগঙ্গার তীরের একটি কুঠিবাড়ি কিনে সংস্কার করে বাসভবনে পরিণত করেন। তাঁর ছেলে আবদুল গনি আধুনিক নকশায় নতুন একটি ভবন নির্মাণ করেন এবং তাঁর ছেলে খাজা আহসানউল্লাহর নামে নাম রাখেন ‘আহসান মঞ্জিল’। ১৮৫৯ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয়ে ১৮৭২ সালে শেষ হয়। ১৯৫২ সালে জমিদারি উচ্ছেদ আইনের আওতায় নবাব খাজা হাবিবুল্লাহ প্রাসাদটি ছেড়ে চলে যান। ১৯৮৫ সালে সরকার অধিগ্রহণ করে সংস্কার করে এবং ১৯৯২ সাল থেকে এটি জাতীয় জাদুঘরের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

সিন্দুকগুলো ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে ঢাকার নবাব পরিবারে ধনসম্পদের প্রাচুর্য ছিল। ওই সময়ে টাকা ও মূল্যবান অলংকার সংরক্ষণের জন্য সিন্দুকগুলো লন্ডন থেকে আনা হয়েছিল। সিন্দুকগুলোর প্রস্তুতকারক যুক্তরাজ্যের ‘চাব্স’ এবং কলকাতার এজেন্ট ‘দ্য থমসন অ্যান্ড কোং’। সিন্দুকগুলো অত্যন্ত জটিল তালাব্যবস্থা বা লকিং সিস্টেমের সাথে যুক্ত।

"আমারও মাঝেমধ্যে সিন্দুকের ভেতরে আসলে কী আছে, তা জানতে ইচ্ছা হয়। কিন্তু সে সুযোগ নেই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আহসান মঞ্জিল, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দিবাকর সিকদার (আহসান মঞ্জিল জাদুঘরের উপকিপার), খাজা আলীমুল্লাহ, আবদুল গনি, খাজা আহসানউল্লাহ, খাজা হাবিবুল্লাহ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫টি সিন্দুক, ৩টি তালাবদ্ধ, ৯৪টি লকার, ২৫৪ সেন্টিমিটার উচ্চতা, ১৪৮ সেন্টিমিটার চওড়া, ১৮০ সেন্টিমিটার উচ্চতা, ৬৫ সেন্টিমিটার ও ৯৯ সেন্টিমিটার চওড়া

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖