📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:২২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পুরান ঢাকার গৌরবময় আহসান মঞ্জিল: নবাবদের রাজকীয় জীবনের সাক্ষী ঐতিহাসিক প্রাসাদ

পুরান ঢাকার গৌরবময় আহসান মঞ্জিল: নবাবদের রাজকীয় জীবনের সাক্ষী ঐতিহাসিক প্রাসাদ

📷 ছবি: বিডিনিউজ২৪

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 BDNews24 ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পুরান ঢাকার বুড়িগঙ্গার তীরে অবস্থিত আহসান মঞ্জিল একটি ঐতিহাসিক প্রাসাদ, যা নবাবদের রাজকীয় জীবনের সাক্ষী। ১৮৮৮ সালের ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সরকারের সংস্কারেই এটি আজ জাতীয় জাদুঘর হিসেবে পরিচিত

পুরান ঢাকার বুড়িগঙ্গার তীরে ইতিহাসের নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে আহসান মঞ্জিল। এই প্রাসাদটি ঢাকার নবাব পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা খাজা আলীমুল্লাহর বংশধরদের রাজকীয় জীবনের গবেষণাপত্র। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই এলাকাটি আগে ইসলামপুরের কুমারটুলী নামে পরিচিত ছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৮৩০ সালে ঢাকার নবাব পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা খাজা আলীমুল্লাহ ফরাসিদের কাছ থেকে কিনে নেন আহসান মঞ্জিলের পূর্ববর্তী কুঠিবাড়িটি এবং সংস্কার করেন।
  • 📌 ১৮৮৮ সালের ৭ এপ্রিল ঘূর্ণিঝড়ে প্রাসাদটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, পরে সংস্কারের সময় বর্তমান সুদৃশ্য গম্বুজটি সংযোজন করা হয়।
  • 📌 আহসান মঞ্জিল ছিল ঢাকার প্রশাসনিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র, যেখানে দরবার হল, বৈঠকখানা ও অতিথিকক্ষ ছিল।
  • 📌 ১৯৮৫ সালে সরকার অধিগ্রহণ করে সংস্কার করে এবং ১৯৯২ সাল থেকে এটি জাতীয় জাদুঘরের নিয়ন্ত্রণে আসে।
  • 📌 শেখ এনায়েতউল্লাহ ১৮শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে ‘রংমহল’ নামে প্রমোদভবন তৈরি করেন, যা পরবর্তীতে ফরাসিদের কাছে বিক্রি হয়।

📰 বিস্তারিত

আহসান মঞ্জিলের ইতিহাস শুরু হয় ১৮শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে। জমিদার শেখ এনায়েতউল্লাহ এই এলাকায় ‘রংমহল’ নামে একটি প্রমোদভবন নির্মাণ করেন। তার মৃত্যুর পর তার ছেলে মতিউল্লাহর কাছে এটি চলে যায় এবং ফরাসিরা কিনে নিয়ে এখানে একটি বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে। পরবর্তীতে ১৮৩০ সালে ঢাকার নবাব পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা খাজা আলীমুল্লাহ ফরাসিদের কাছ থেকে কুঠিবাড়িটি কিনে নেন এবং সংস্কার করে একটি আবাসিক ভবনে রূপান্তরিত করেন। তার ছেলে আবদুল গনি আধুনিক নকশায় নতুন একটি প্রাসাদ নির্মাণ করেন এবং নিজের ছেলে খাজা আহসানউল্লাহর নামানুসারে এর নাম রাখেন ‘আহসান মঞ্জিল’।

১৮৮৮ সালের ৭ এপ্রিল এক ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে আহসান মঞ্জিলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। সংস্কারের সময় বর্তমান সুদৃশ্য গম্বুজটি সংযোজন করা হয়। এই প্রাসাদে ছিল দরবার হল, বৈঠকখানা ও অতিথিকক্ষ, যেখানে নবাবদের রাজকীয় জীবন চলত। শুধু বাসস্থানই নয়, এটি ছিল ঢাকার প্রশাসনিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র। পঞ্চাশের দশকে নবাব হাবিবুল্লাহ প্রাসাদটি ছেড়ে চলে গেলে সংস্কারের অভাবে তা জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে।

১৯৮৫ সালে সরকার অধিগ্রহণ করে সংস্কার করে এবং ১৯৯২ সাল থেকে এটি জাতীয় জাদুঘরের নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছেন ১৬ বছর বয়সী একজন প্রতিবেদক, যিনি ঢাকা জেলার বাসিন্দা।

"এই প্রাসাদে রয়েছে দরবার হল, বৈঠকখানা ও অতিথিকক্ষ, যেখানে চলত নবাবদের রাজকীয় জীবন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পুরান ঢাকা, বুড়িগঙ্গার তীর, কুমারটুলী এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খাজা আলীমুল্লাহ, শেখ এনায়েতউল্লাহ, খাজা আহসানউল্লাহ, নবাব হাবিবুল্লাহ, আবদুল গনি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮৩০ (বছর), ৭ (এপ্রিল), ১৯৮৫ (সরকার অধিগ্রহণ), ১৯৯২ (জাতীয় জাদুঘর হিসেবে নিয়ন্ত্রণ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖