📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৪০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৯০ বছরের বয়সেও স্মৃতিশক্তি অক্ষুণ্ণ: মুক্তিযুদ্ধের নারী অগ্রদূত প্রতিভা মুৎসুদ্দি ‘বড় মা’

৯০ বছরের বয়সেও স্মৃতিশক্তি অক্ষুণ্ণ: মুক্তিযুদ্ধের নারী অগ্রদূত প্রতিভা মুৎসুদ্দি ‘বড় মা’

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ৯০ বছরের বয়সেও স্মৃতিশক্তি অক্ষুণ্ণ রেখে নারীশিক্ষা ও সমাজসেবায় অবদান রাখা বাংলাদেশের অন্যতম অগ্রদূত প্রতিভা মুৎসুদ্দি। তিনি ‘বড় মা’ হিসেবে পরিচিত এবং মুক্তিযুদ্ধের সময় দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার পুত্রভ্রাতৃবধূ হিসেবে প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব গ্রহণ করে দেশের কল্যাণে কাজ করেছেন

বাংলাদেশের নারীশিক্ষা ও সমাজসেবায় অবদান রাখা অন্যতম ব্যক্তিত্ব প্রতিভা মুৎসুদ্দি ‘বড় মা’ হিসেবে পরিচিত। বয়স ৯০ ছাড়িয়ে গেলেও তাঁর স্মৃতি অক্ষুণ্ণ এবং তিনি মনে করতে পারেন তাঁর ছাত্রীদের নাম। তিনি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে দেশের জন্য অবদান রেখেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৯০ বছরের বয়সেও স্মৃতিশক্তি অক্ষুণ্ণ রেখে নারীশিক্ষা ও সমাজসেবায় অবদান রাখা প্রতিভা মুৎসুদ্দি ‘বড় মা’ হিসেবে পরিচিত।
  • 📌 ১৯৩৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার মহামুনি গ্রামে জন্মগ্রহণকারী প্রতিভা মুৎসুদ্দি আইনজীবী কিরণ বিকাশ মুৎসুদ্দি ও গৃহিণী শৈলবালা মুৎসুদ্দির কন্যা।
  • 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএ ডিগ্রি অর্জন এবং ১৯৫৫ সালে স্বাধিকার আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে গ্রেপ্তার হন।
  • 📌 ১৯৬৩ সালে নারীশিক্ষার পাদপীঠ ভারতেশ্বরী হোমসে যোগদান করে ১৯৬৫ সালে অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
  • 📌 ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার পুত্রভ্রাতৃবধূ হিসেবে কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
  • 📌 ২০০২ সালে একুশে পদক লাভ করেন এবং ৩৩ বছর ধরে ভারতেশ্বরী হোমসের দায়িত্ব পালন করেন।

📰 বিস্তারিত

প্রতিভা মুৎসুদ্দি বাংলাদেশের নারীশিক্ষা ও সমাজসেবায় অন্যতম অগ্রদূত। তিনি ১৯৩৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার মহামুনি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা কিরণ বিকাশ মুৎসুদ্দি ছিলেন আইনজীবী এবং মা শৈলবালা মুৎসুদ্দি ছিলেন গৃহিণী। তিনি চট্টগ্রাম খাস্তগীর বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, চট্টগ্রাম থেকে উচ্চমাধ্যমিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৫৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী থাকা অবস্থায় তিনি স্বাধিকার আন্দোলনের মিছিলে অংশগ্রহণের কারণে গ্রেপ্তার হন এবং দুই সপ্তাহ কারাবাসের পর মুক্ত হন। ১৯৫৬-৫৭ শিক্ষাবর্ষে তিনি রোকেয়া হলের প্রথম নির্বাচিত ভিপি হন। ১৯৬০ সালে ময়মনসিংহ মহিলা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে বিএড ডিগ্রি লাভ করেন।

১৯৬৩ সালে তিনি নারীশিক্ষার পাদপীঠ ভারতেশ্বরী হোমসে অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬৫ সালে তিনি রণদা প্রসাদ সাহার ইচ্ছায় ভারতেশ্বরী হোমসের অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা ও তাঁর পুত্র ভবানী প্রসাদ সাহাকে হত্যা করার পর তিনি কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর হাল ধরেন।

তিনি ২০০২ সালে একুশে পদক লাভ করেন এবং ৩৩ বছর ধরে ভারতেশ্বরী হোমসের দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর সময়ে ভারতেশ্বরী হোমস ১৯৮৭ সালে স্কুল হিসেবে এবং ১৯৯৫ সালে কলেজ হিসেবে দেশসেরার মর্যাদা পায়।

"আমি মাকে হারিয়ে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করতে দেব না, সেই লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠা করেছি কুমুদিনী কল্যাণ সংস্থা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলা, ঢাকা, ময়মনসিংহ, ভারতেশ্বরী হোমস
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রতিভা মুৎসুদ্দি, রণদা প্রসাদ সাহা, কিরণ বিকাশ মুৎসুদ্দি, শৈলবালা মুৎসুদ্দি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ বছর বয়স, ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৫৬-৫৭ শিক্ষাবর্ষ, ৩৩ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖