📌 ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহী-জনতা একত্রিত হয়ে আধিপত্য ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করেন। তিনি তরুণ প্রজন্মকে দেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘করব কাজ, গড়ব দেশ’ মূলমন্ত্রকে ধরে আগামী বাংলাদেশের ভবিষ্যত তৈরি করতে হবে
৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহী-জনতা একত্রিত হয়ে দেশি-বিদেশি আগ্রাসন ও দুর্ভিক্ষের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। তিনি উল্লেখ করেছেন, ১৯৭১ সালের পর থেকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতা হরণের বিরুদ্ধে এই ঐতিহাসিক দিনে সেনাবাহিনী ও সাধারণ মানুষের ঐক্য দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ সালে সিপাহী-জনতা একত্রিত হয়ে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে দেশের দায়িত্ব গ্রহণের পথ খুলে দেন
- 📌 স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৪ সালে একদলীয় শাসন ও দুর্ভিক্ষের মাধ্যমে দেশকে বিপর্যয়ে ফেলা হয়েছিল, যা ২০২৪ সালের পূর্ববর্তী ফ্যাসিবাদী আমলে পুনরাবৃত্তি হয়েছিল
- 📌 তিনি তরুণ প্রজন্মকে ‘করব কাজ, গড়ব দেশ’ মূলমন্ত্রের অধীনে দেশের ভবিষ্যত গড়ার আহ্বান জানান
- 📌 অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধী শিশু-কিশোরদের সেরিব্রাল পালসি দিবস উদযাপনের র্যালিতে অংশ নেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
- 📌 সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অংশ নেন
📰 বিস্তারিত
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতা একত্রিত হয়ে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে দেশের দায়িত্ব গ্রহণের পথ খুলে দেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, এই দিনটি ছিল আধিপত্য ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সিপাহী-জনতার বিজয়ের দিন। তিনি বলেন, ১৯৭৪ সালে সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে একদলীয় শাসন কায়েম করা হয়েছিল এবং রক্ষীবাহিনীর নিপীড়ন ও দুর্ভিক্ষের মাধ্যমে দেশকে বিপর্যয়ে ফেলা হয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের পূর্ববর্তী ফ্যাসিবাদী আমলে জনগণ একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিল।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী তরুণ প্রজন্মকে দেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ মূলমন্ত্রের অধীনে তরুণদের লেখাপড়ার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেদের বিকশিত করার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, কোনো আগ্রাসী বা আধিপত্যবাদী শক্তি আর কখনো জনগণের ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা হরণ করতে পারবে না।
৭ নভেম্বর সকালে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ডিসপ্লে ও ফুটবল ম্যাচ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধী শিশু-কিশোরদের সেরিব্রাল পালসি দিবস উদযাপনের র্যালিতে অংশ নেন তিনি। স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু-কিশোর ও তাদের পরিবার এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
"১৯৭৪ সালে সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে একদলীয় শাসন কায়েম, রক্ষীবাহিনীর নিপীড়ন এবং দুর্ভিক্ষের মাধ্যমে দেশকে যে চরম বিপর্যয়ে ফেলা হয়েছিল, ২০২৪ সালের পূর্ববর্তী ফ্যাসিবাদী আমলেও জনগণ একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিল। যেভাবে ’২৪-এ তরুণ সমাজ দেশকে মুক্ত করতে জেগে উঠেছে, ঠিক একইভাবে ’৭৫-এও সিপাহী-জনতা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, তরুণ প্রজন্ম, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রতিবন্ধী শিশু-কিশোর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ নভেম্বর, ১৯৭৫, ২০২৪
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!