📌 ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। ভোরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় কর্মসূচি। বিএনপির নেতৃত্বে রাজনৈতিক দলগুলো, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো শ্রদ্ধা জানায়
ঢাকা, ২৭ আগস্ট ২০২৬: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। ভোর সাড়ে ছয়টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন কবির সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে ২৭ আগস্ট ২০২৬
- 📌 ভোর সাড়ে ছয়টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শুরু হয়
- 📌 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে দলটির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়
- 📌 সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও অধীন প্রতিষ্ঠান, বিএনপি, বাসদ, বাংলাদেশ লেবার পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল শ্রদ্ধা নিবেদন করে
- 📌 বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়েছে
📰 বিস্তারিত
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ভোর সাড়ে ছয়টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির সূচনা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করেন। এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে দলটির নেতাকর্মীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন। তার লেখনী যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করেছে। স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান পর্যন্ত বিভিন্ন আন্দোলনে নজরুলের বাণী মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে।
এছাড়া সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও এর অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাসদ, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, বাংলাদেশ কংগ্রেসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। শ্রদ্ধাঞ্জলি পর্বের শুরুতেই সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও এর অধীন প্রতিষ্ঠানগুলো ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ‘আমারে দেবো না ভুলিতে’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করা হয়। সন্ধ্যায় একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের উদ্বোধনকালে মুখ্য আলোচক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. তারিক মনজুর। সংস্কৃতি সচিব কানিজ মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন। আলোচনা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।
"জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম নির্যাতিত, নিপীড়িত মানুষের পক্ষের সোচ্চার কণ্ঠ। তিনি যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী শক্তির উৎস ও অনুপ্রেরণা। যেকোনো আন্দোলন-সংগ্রামে নজরুল প্রধান অনুপ্রেরণা ছিলেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ (তম মৃত্যুবার্ষিকী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!