📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৫০৬ কোটি টাকার ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলে জিএমসহ চার কর্মকর্তা বরখাস্ত, মন্ত্রী ফোনে দুঃখ প্রকাশ

৫০৬ কোটি টাকার ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলে জিএমসহ চার কর্মকর্তা বরখাস্ত, মন্ত্রী ফোনে দুঃখ প্রকাশ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মাগুরায় এক গ্রাহকের ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি টাকার অস্বাভাবিক বিল দেওয়ার ঘটনায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএমসহ চার কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ভুক্তভোগীকে ফোন করে দুঃখ প্রকাশ করেন

মাগুরা জেলায় এক আবাসিক গ্রাহকের ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি টাকার অস্বাভাবিক বিল দেওয়ার ঘটনায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মো. মহিতুল ইসলামসহ চারজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এই ঘটনায় মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ভুক্তভোগী গ্রাহক মোছা. আলেয়া খাতুনকে ফোন করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম মো. মহিতুল ইসলামসহ চার কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে
  • 📌 ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকার ভুতুড়ে বিল দেওয়া হয়েছিল
  • 📌 মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ভুক্তভোগীকে ফোন করে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে সমস্যা সরাসরি কর্তৃপক্ষকে জানানোর অনুরোধ করেন
  • 📌 মিটার পরিবর্তনের সময় সিল নম্বর ডিমান্ড চার্জের ঘরে বসানোর কারণে ঘটনাটি ঘটে
  • 📌 বরখাস্তকর্মীদের মধ্যে রয়েছে বিলিং সুপারভাইজার সীমা রানী রায়, বিলিং সহকারী সোমা রানী ঘোষ ও মিটার রিডার মোহাম্মদ তোরাপ আলী

📰 বিস্তারিত

মাগুরা জেলার কেচুয়াডুবি গ্রামের মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি টাকার অস্বাভাবিক বিল দেওয়া হয়েছিল। পরে বিলটি সংশোধন করে ১ হাজার ৯৬৩ টাকার বিল পরিশোধ করেন আলেয়া খাতুন। বিষয়টি জানার পর মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ তদন্তের নির্দেশ দেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, মিটার পরিবর্তনের সময় যান্ত্রিক অসাবধানতাবশত সিল নম্বর ডিমান্ড চার্জের ঘরে বসানোর কারণে ঘটনাটি ঘটে।

বরখাস্তকর্মীদের মধ্যে রয়েছে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মো. মহিতুল ইসলাম, শালিখা উপজেলার আড়পাড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের বিলিং সুপারভাইজার সীমা রানী রায়, বিলিং সহকারী সোমা রানী ঘোষ এবং মিটার রিডার মোহাম্মদ তোরাপ আলী। মো. মহিতুল ইসলামকে যশোর অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর কার্যালয়ে এবং অন্য তিনজনকে মাগুরা সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমান সরকার জনবান্ধব ও সেবাধর্মী প্রশাসন নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে বিদ্যুৎ-সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

"আমার মাথা আওলায় গেছে। তাই মন্ত্রী নাকি প্রতিমন্ত্রী ফোন করেছিলেন, তা নিয়ে আমি কনফিউজড।"

মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের ফোনে আলেয়া খাতুন বলেছেন, তিনি মন্ত্রীকে বেশি কিছু বলেননি। শুধু দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি আরও বলেছেন, অস্বাভাবিক বিলের বিষয়টি গণমাধ্যমে আসার পর অনেক ফোন আসায় তিনি কনফিউজড হয়ে পড়েছেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মাগুরা জেলা, কেচুয়াডুবি গ্রাম, শালিখা উপজেলা, আড়পাড়া আঞ্চলিক কার্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, মো. মহিতুল ইসলাম, সীমা রানী রায়, সোমা রানী ঘোষ, মোহাম্মদ তোরাপ আলী, মোছা. আলেয়া খাতুন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা (অস্বাভাবিক বিল), ২৩৫ ইউনিট (বাস্তব বিদ্যুৎ ব্যবহার), ১ হাজার ৯৬৩ টাকা (সংশোধিত বিল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖