📌 ঢাকার নবাবগঞ্জের বর্ধনপাড়ার ৩১০ বছরের পুরোনো সর্বজনীন দুর্গামন্দিরে মহা অষ্টমীর অঞ্জলিতে অংশ নিতে ভারতের চন্দননগর ও কোচবিহার থেকে এসেছেন আত্মীয়রা। শিকড়ের টানে ফিরে এসেছেন তারা, যাদের মধ্যে অন্যতম যদুনাথ পাল ও হেনা পাল ৩৮ বছর পর এবং ইতি পাল এক যুগ পর এসেছেন পূর্বপুরুষের মন্দিরে
ঢাকার নবাবগঞ্জের বর্ধনপাড়ার সর্বজনীন দুর্গামন্দিরে মহা অষ্টমীর সকালে অঞ্জলির জন্য দীর্ঘ সারি গড়ে উঠেছে। এই ৩১০ বছরের পুরোনো মন্দিরে স্থানীয় ভক্তদের পাশাপাশি ভারতের চন্দননগর ও কোচবিহার জেলা থেকে এসেছেন আত্মীয়রা। তাদের কাছে এখানে আসা শুধু পূজা নয়, ফেলে যাওয়া শিকড়ের কাছে ফেরার অনুভূতি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩১০ বছরের পুরোনো বর্ধনপাড়া মন্দিরে মহা অষ্টমীর অঞ্জলিতে অংশ নেওয়া স্থানীয় ও ভারতীয় আত্মীয়দের দীর্ঘ সারি
- 📌 ৩৮ বছর পর ফিরেছেন যদুনাথ পাল ও হেনা পাল, পূর্বপুরুষের ভিটেমাটিতে ফিরে এসেছেন
- 📌 এক যুগ পর এসেছেন ইতি পাল (৪৩), দিদির বাড়িতে ফিরে পূজায় অংশ নিতে
- 📌 ২০১টি মণ্ডপে নবাবগঞ্জে এই বছর শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে
- 📌 দেশ-বিদেশের অতিথিদের আগমনে পূজা আনন্দঘন হয়েছে বলে জানান পূজা কমিটির সভাপতি
📰 বিস্তারিত
মহা অষ্টমীর সকালে ঢাকার নবাবগঞ্জের বর্ধনপাড়ার বড় পালবাড়ি সর্বজনীন দুর্গামন্দিরে অঞ্জলির জন্য দীর্ঘ সারি গড়ে উঠেছে। স্থানীয় ভক্তদের পাশাপাশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চন্দননগর ও কোচবিহার জেলা থেকে এসেছেন আত্মীয়রা। তাদের মধ্যে অন্যতম যদুনাথ পাল ও তাঁর স্ত্রী হেনা পাল ৩৮ বছর পর ফিরেছেন পূর্বপুরুষের ভিটেমাটিতে। ইতি পাল (৪৩) এক যুগ পর এসেছেন দিদির বাড়িতে এবং পূর্বপুরুষের এই মন্দিরের পূজায় অংশ নিতে।
ভৌগোলিক দূরত্ব থাকলেও দুর্গাপূজার টান মানুষকে একই উৎসবের বন্ধনে যুক্ত করেছে। ইতি পাল বলেছেন, কলকাতার জমকালো পূজার আকর্ষণও তাঁকে আটকে রাখতে পারেনি। ইছামতী নদীর পারের পুরোনো স্মৃতি তাঁকে বারবার টানে। যদুনাথ পাল বলেছেন, ‘অনেক স্মৃতি এই গ্রামের সঙ্গে। সেই কবে এসেছি, তা যেন ভুলে যাওয়ার মতোই। অনেক কিছুই তো বদলে গেছে।’ তবে গ্রামের চেনা আমেজ তাঁকে আনন্দ দিয়েছে বলে জানান তিনি।
স্থানীয় মানুষের কাছে এই মন্দির শুধু পূজার জায়গা নয়; এটি দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও পারিবারিক স্মৃতিরও অংশ। তিন শতাব্দীর ইতিহাস বুকে নিয়ে মন্দিরটি আজও দুর্গোৎসবের ধারা ধরে রেখেছে। অঞ্জলি শেষে ভক্তদের অনেকে মন্দির প্রাঙ্গণে কিছুক্ষণ সময় কাটান। পুরোনো স্থাপনা, পূজার আয়োজন আর চেনা মানুষের সঙ্গে দেখা পরিণত হয় মিলনমেলায়।
"অনেক স্মৃতি এই গ্রামের সঙ্গে। সেই কবে এসেছি, তা যেন ভুলে যাওয়ার মতোই। অনেক কিছুই তো বদলে গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বর্ধনপাড়া, নবাবগঞ্জ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: যদুনাথ পাল, হেনা পাল, ইতি পাল (৪৩), শ্যামল পাল (পূজা কমিটির সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১০ বছর (মন্দিরের বয়স), ৩৮ বছর (পাল পরিবারের ফিরে আসার সময়), ২০১টি (মণ্ডপ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!