📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২৮ বছর ধরে অকার্যকর সেতু: কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় সরকারি প্রকল্পের ব্যর্থতা কেন অব্যাহত?

২৮ বছর ধরে অকার্যকর সেতু: কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় সরকারি প্রকল্পের ব্যর্থতা কেন অব্যাহত?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল গ্রামে ১৯৯৭-৯৮ সালে নির্মিত একটি সরকারি সেতু ২৮ বছর ধরে অকার্যকর রয়েছে। সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি মানুষের কাজে আসছে না, যা প্রশাসনিক দায়িত্বহীনতার দৃষ্টান্ত। স্থানীয় বাসিন্দারা নিজস্ব উদ্যোগে সিঁড়ি ও মাটির পথ তৈরি করছেন

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল গ্রামে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে নির্মিত একটি সরকারি সেতু ২৮ বছর ধরে মানুষের কাজে আসছে না। ঘুংঘুর নদীতে নির্মিত এই প্রায় ৬০ ফুট দীর্ঘ সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। জনগণের অর্থ ব্যয় করে নির্মিত এই অবকাঠামো দীর্ঘদিন ধরে অকার্যকর থাকায় প্রশাসনিক ব্যর্থতার একটি স্পষ্ট উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৮ বছর ধরে অকার্যকর সেতু: কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় নির্মিত সেতু ১৯৯৭-৯৮ সাল থেকে মানুষের কাজে আসছে না।
  • 📌 সংযোগ সড়কের অভাব: সেতুর পূর্ব পাশে পাকা সড়ক থাকলেও পশ্চিম পাশে মাত্র ২০ ফুট দূরে আরেকটি পাকা সড়ক রয়েছে, কিন্তু সেটি নির্মিত হয়নি।
  • 📌 বাসিন্দাদের নিজস্ব উদ্যোগ: স্থানীয় বাসিন্দারা নিজস্বভাবে সেতুর এক পাশে নয়টি সিঁড়ি এবং অন্য পাশে মাটি ও বালুর বস্তা দিয়ে ওঠানামার ব্যবস্থা করেছে।
  • 📌 শিশু ও বয়স্কদের ঝুঁকি: সেতু পারতে শিশু ও বয়স্কদের ঝুঁকি নিয়ে চলতে হয়।
  • 📌 প্রশাসনিক দায়িত্বহীনতা: এলজিইডির সাবেক প্রকৌশলী জানান, জমিসংক্রান্ত মামলার কারণে সংযোগ সড়ক নির্মাণ সম্ভব হয়নি।
  • 📌 কোনো দায়িত্বহীনতার জবাবদিহি নেই: এত বছর ধরে সেতু অকার্যকর থাকার জন্য কোনো দায়িত্বহীন ব্যক্তির জবাবদিহি নিশ্চিত হয়নি।

📰 বিস্তারিত

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল গ্রামে নির্মিত সেতুটি ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। সেতুটি প্রায় ৬০ ফুট দীর্ঘ, কিন্তু সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় এটি মানুষের কাজে আসছে না। স্থানীয় বাসিন্দাদের কথা মতে, সেতুর পূর্ব পাশে পাকা সড়ক রয়েছে, কিন্তু পশ্চিম পাশে মাত্র ২০ ফুট দূরে আরেকটি পাকা সড়ক রয়েছে। অথচ এই সংযোগ সড়কটি নির্মিত হয়নি।

এই অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দারা নিজস্ব উদ্যোগে সেতুর এক পাশে নয়টি সিঁড়ি নির্মাণ করেছে। অন্য পাশে মাটি ও বালুর বস্তা দিয়ে ওঠানামার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিশু ও বয়স্কদের জন্য এই ব্যবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাবেক প্রকৌশলী জানান, সংযোগ সড়কের জন্য নির্ধারিত জায়গায় জমিসংক্রান্ত মামলার কারণে কাজটি করা সম্ভব হয়নি।

এই ব্যর্থতার জন্য প্রশাসনিক দায়িত্বহীনতার দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এলজিইডি কর্মকর্তা, উপজেলা প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিদের কাছে প্রশ্ন রয়েছে যে, এত বছর ধরে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। জমিসংক্রান্ত মামলার কারণে কাজ বন্ধ থাকলে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়নি কেন? জমির বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য প্রশাসনিক বা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন?

"অর্থাৎ সরকারি অবকাঠামো যেখানে মানুষের দুর্ভোগ কমানোর কথা, সেখানে সেটিই দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাকশিমুল গ্রাম, বুড়িচং উপজেলা, কুমিল্লা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্থানীয় বাসিন্দা, এলজিইডির সাবেক প্রকৌশলী, উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ বছর, ৬০ ফুট, ২০ ফুট, ৯টি সিঁড়ি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖