📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১৯৭২ সালে চাঁদের উদ্দেশ্যে মহাকাশে পাড়ি জমানো পাঁচ ইঁদুরের অভিযান ও গবেষণা ফলাফল

১৯৭২ সালে চাঁদের উদ্দেশ্যে মহাকাশে পাড়ি জমানো পাঁচ ইঁদুরের অভিযান ও গবেষণা ফলাফল

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ১৯৭২ সালে অ্যাপোলো ১৭ অভিযানের অংশ হিসেবে চাঁদের চারপাশে ঘুরে আসা পাঁচটি ইঁদুরের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা মহাজাগতিক রশ্মির প্রভাব নিয়ে গবেষণা করেন। মহাকাশযাত্রা থেকে ফিরে চারটি ইঁদুর জীবিত ছিল, আর তাদের মাথায় পাওয়া যায় গড়ে ১৬টি কণার চিহ্ন

১৯৭২ সালে অ্যাপোলো ১৭ মহাকাশ অভিযানের সময় চাঁদের চারপাশে ঘুরে আসা পাঁচটি ইঁদুরের মাধ্যমে মহাজাগতিক রশ্মির প্রভাব নিয়ে গবেষণা চালিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। মহাকাশচারীদের জন্য ক্ষতিকর বিকিরণ সম্পর্কে ধারণা পেতে এই পরীক্ষা পরিচালিত হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অ্যাপোলো ১৭ অভিযানে অংশ নিয়েছিল পাঁচটি খুদে ইঁদুর, যারা চাঁদের চারপাশে ঘুরে আসে
  • 📌 প্রতিটি ইঁদুরের মাথার চামড়ার নিচে বসানো হয়েছিল কসমিক রে ডিটেক্টর
  • 📌 মহাকাশযানটি উৎক্ষেপণ করা হয় ৭ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে এবং ফিরে আসে ১৯ ডিসেম্বর
  • 📌 ফ্লাইটের সময় ইঁদুরগুলো ছিল প্যাসিফিক পকেট মাউস প্রজাতির, যারা পানি ছাড়াই বেঁচে থাকতে পারে
  • 📌 মহাকাশযাত্রা থেকে ফিরে চারটি ইঁদুর জীবিত ছিল
  • 📌 ইঁদুরগুলোর মাথায় গড়ে ১৬টি কণার চিহ্ন পাওয়া যায়

📰 বিস্তারিত

মহাকাশের গভীরে মারাত্মক ক্ষতিকর মহাজাগতিক রশ্মি থেকে পৃথিবী তার চুম্বকক্ষেত্র ও বায়ুমণ্ডলের মাধ্যমে মানুষকে রক্ষা করে। কিন্তু মহাকাশচারীরা যখন পৃথিবীর বাইরে যান, তখন এই বিকিরণ তাদের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। বিজ্ঞানীরা এই প্রভাব সম্পর্কে জানতে ১৯৭২ সালে অ্যাপোলো ১৭ অভিযানের অংশ হিসেবে পাঁচটি ইঁদুরকে চাঁদের চারপাশে পাঠান।

গবেষণার অংশ হিসেবে প্রতিটি ইঁদুরের মাথার চামড়ার নিচে কসমিক রে ডিটেক্টর বসানো হয়েছিল। অ্যাপোলো ১৭ মহাকাশযানটি উৎক্ষেপণ করা হয় ৭ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে এবং প্রায় ১৩ দিন পর ১৯ ডিসেম্বর এটি পৃথিবীতে ফিরে আসে। পুরো ফ্লাইটে ইঁদুরগুলো একটি সিলগালা পাত্রে ছিল।

বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, ইঁদুরগুলো ছিল প্যাসিফিক পকেট মাউস প্রজাতির। এই ছোট আকারের ইঁদুরগুলো পানি ছাড়াই দীর্ঘ সময় বেঁচে থাকতে পারে। গবেষণায় জীবিত কোষের ভেতর মহাজাগতিক রশ্মির প্রভাব পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল।

"মহাকাশযাত্রার আগে প্রতিটি ইঁদুরের মাথার তালুর নিচে একটি ছোট প্লাস্টিকের ডসিমিটার বসানো হয়েছিল। ইঁদুরগুলোর মাথার ভেতর দিয়ে অতি-শক্তিশালী কণা যাওয়ার তথ্য ধারণ করা হয়েছিল এই যন্ত্রের মাধ্যমে।"

অ্যাপোলো ১৭ মহাকাশযান ফিরে আসার পর চারটি ইঁদুর জীবিত ছিল। পরবর্তী পরীক্ষায় তাদের মাথার টিস্যুসহ চোখ, কান ও অভ্যন্তরীণ টিস্যু পরীক্ষা করে দেখা যায়, প্রতিটি মনিটরে গড়ে ১৬টি কণার চিহ্ন রয়েছে। যদিও ইঁদুরগুলোর মাথায় কিছু ক্ষত দেখা যায়, তবে যন্ত্রের শনাক্ত করা সংকেতের সঙ্গে ক্ষতগুলোর সরাসরি যোগাযোগ পাওয়া যায়নি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চাঁদের চারপাশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মহাকাশচারীরা, বিজ্ঞানীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫টি ইঁদুর, ১৬টি কণা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖