📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১৯৭১ ও গণঅভ্যুত্থানে ধর্মবিশেষে একতা দেখিয়েছেন বাংলাদেশের মানুষ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আহ্বান

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান
১৯৭১ ও গণঅভ্যুত্থানে ধর্মবিশেষে একতা দেখিয়েছেন বাংলাদেশের মানুষ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আহ্বান

📷 ছবি: DBC News

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডিবিসি নিউজ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মহাখালী ও গুলশান-বনানীতে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠানে বলেছেন, ১৯৭১ ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে ধর্মবিশেষে একতা দেখিয়েছেন বাংলাদেশের মানুষ। তিনি দেশ গড়ার কাজে সব নাগরিকের সমান অধিকার ও ঐক্য আহ্বান জানিয়েছেন

রাজধানী ঢাকায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মহাখালী ও গুলশান-বনানীর পূজামণ্ডপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বলেছেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষ ধর্মবিশেষে একতা দেখিয়েছেন। তিনি দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক সংগ্রামে ধর্মীয় পরিচয় কখনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি বলে উল্লেখ করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৮ অক্টোবর রাতে মহাখালী ও গুলশান-বনানীতে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে ধর্মবিশেষে একতার আহ্বান জানান
  • 📌 তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানসহ সব ধর্মের মানুষ একত্রে দেশকে স্বাধীন করেছিল
  • 📌 ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানেও ধর্ম ও দলমত নির্বিশেষে মানুষ রাজপথে নেমে সফল হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন
  • 📌 তিনি বলেন, দেশ গড়ার কাজে সব নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে এবং কেবল নাগরিক পরিচয়কেই মূল্যায়ন করা হবে
  • 📌 প্রধানমন্ত্রী মহাখালী রক্ষাকালী মন্দির ও গুলশান-বনানীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দসহ দর্শনার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন

📰 বিস্তারিত

১৮ অক্টোবর রাতে রাজধানীর মহাখালী ও গুলশান-বনানীর দুর্গাপূজা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ ধর্মবিশেষে একতা দেখিয়েছেন। তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের কথা উল্লেখ করে বলেন, সেই যুদ্ধে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানসহ সব ধর্মের মানুষ একত্রে দেশকে স্বাধীন করেছিল। তিনি বলেন, ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও ধর্মীয় পরিচয় কখনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।

দেশ গড়ার কাজে সব নাগরিকের সমান অধিকার ও ঐক্য নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয় আমরা বাংলাদেশের মানুষ। এদেশের ওপর সবার সমান অধিকার রয়েছে।’ তিনি উল্লেখ করেন, দেশ স্বাধীন করা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে ধর্ম বা জাত দেখা হয়নি, তেমনি দেশ গড়ার সংগ্রামেও কেবল নাগরিক পরিচয়কেই মূল্যায়ন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, হাজার বছর ধরে বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করে আসছে। তিনি আগামীতেও এই সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।

সকালে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে মহাখালী রক্ষাকালী মন্দির পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দসহ উপস্থিত পূজারি ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে কুশল ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে তিনি গুলশান-বনানীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। মণ্ডপ পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন উপস্থিত ছিলেন।

"আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয় আমরা বাংলাদেশের মানুষ এবং এদেশের ওপর সবার সমান অধিকার রয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মহাখালী ও গুলশান-বনানী, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ডা. জুবাইদা রহমান, শফিকুল ইসলাম মিল্টন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ অক্টোবর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖