📅 ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২:১০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হুতি বিরোধী যুদ্ধে সৌদি আরবের পাশে নামছে আরব আমিরাত: ইয়েমেনে নতুন সামরিক সহযোগিতা চুক্তি

হুতি বিরোধী যুদ্ধে সৌদি আরবের পাশে নামছে আরব আমিরাত: ইয়েমেনে নতুন সামরিক সহযোগিতা চুক্তি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলে ইরান-সমর্থিত হুতি বাহিনীর বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক সহযোগিতা শুরু করেছে। সৌদি আরব বিমান সহায়তা দেবে, আরব আমিরাত অর্থায়ন ও প্রশিক্ষণ পুনরায় শুরু করবে। হুতি বাহিনীর ক্রমবর্ধমান হামলা ও সীমান্ত দখলের ভয়ে উভয় দেশের মধ্যে এই নতুন চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে

ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলে ইরান-সমর্থিত হুতি বাহিনীর বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযানে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে নতুন সহযোগিতা চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির অংশ হিসেবে সৌদি আরব হুতি বিরোধী সরকারি বাহিনীকে বিমান সহায়তা প্রদান করবে, অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত পুনরায় অর্থায়ন ও প্রশিক্ষণ শুরু করবে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের তথ্য অনুযায়ী, এই সহযোগিতা চুক্তি ইয়েমেনের ভবিষ্যৎ নিয়ে উভয় দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের দূরত্বের প্রথম বাস্তব লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলে** ইরান-সমর্থিত হুতি বাহিনীর বিরুদ্ধে **সৌদি আরব ও আরব আমিরাতের যৌথ সামরিক সহযোগিতা** শুরু হয়েছে।
  • 📌 **সৌদি আরব** হুতি বিরোধী সরকারি বাহিনীকে **বিমান সহায়তা** প্রদান করবে, আরব আমিরাত **অর্থায়ন ও প্রশিক্ষণ** পুনরায় শুরু করবে।
  • 📌 **হুতি বাহিনীর ক্রমবর্ধমান হামলা** সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও জ্বালানি অবকাঠামোকে অচল করে দিয়েছে, যা উভয় দেশকে একযোগে উদ্বিগ্ন করেছে।
  • 📌 **জায়ান্ট ব্রিগেড** নামে পরিচিত দক্ষিণাঞ্চলীয় বাহিনী আগে আরব আমিরাতের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ ও অর্থায়ন পেয়েছিল, কিন্তু গত জানুয়ারিতে আমিরাত তাদের সমস্ত সহায়তা প্রত্যাহার করে নেয়।
  • 📌 **বিচ্ছিন্নতাবাদী সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল (এসটিসি)** দক্ষিণ ইয়েমেনের সীমান্তের বাইরে লড়াই করার অনুমতি পায়নি, কিন্তু সৌদি আরবের গণভোট সমর্থন যদি স্পষ্ট হয়, তাহলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে।
  • 📌 **মিসর** সৌদি আরবের প্রতিরক্ষায় সামরিক সহায়তা প্রদানের জন্য পার্লামেন্টে জরুরি অধিবেশন আহ্বান করেছে, কিন্তু মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাতাহ আল-সিসি জোর দিয়ে বলেছেন, তারা কোনো আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ নেবেনা।

📰 বিস্তারিত

ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলে ইরান-সমর্থিত হুতি বাহিনীর বিরুদ্ধে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে নতুন সহযোগিতা চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির অংশ হিসেবে সৌদি আরব হুতি বিরোধী সরকারি বাহিনীকে বিমান সহায়তা প্রদান করবে, অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত পুনরায় অর্থায়ন ও প্রশিক্ষণ শুরু করবে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের তথ্য অনুযায়ী, এই সহযোগিতা চুক্তি ইয়েমেনের ভবিষ্যৎ নিয়ে উভয় দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের দূরত্বের প্রথম বাস্তব লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

হুতি বাহিনীর ক্রমবর্ধমান হামলা সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও জ্বালানি অবকাঠামোকে অচল করে দিয়েছে। সৌদি আরব প্রতিদিন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হচ্ছে এবং স্বাভাবিক পরিস্থিতি বজায় রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। দক্ষিণাঞ্চলীয় বাহিনীগুলো—যাদের মূল অংশটি ‘জায়ান্ট ব্রিগেডের’ অন্তর্ভুক্ত—আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছে এবং অর্থায়নও পেয়েছে। তবে গত জানুয়ারিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত ইয়েমেন থেকে তাদের সমস্ত সামরিক সহায়তা প্রত্যাহার করে দেয়।

বিচ্ছিন্নতাবাদী সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল (এসটিসি) দক্ষিণ ইয়েমেনের সীমান্তের বাইরে লড়াই করার অনুমতি পায়নি। তবে সৌদি আরবের গণভোট সমর্থন যদি স্পষ্ট হয়, তাহলে ওই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এডেনভিত্তিক আন্তর্জাতিক স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার গত সপ্তাহে রাজধানী সানার দখল থেকে হুতি বাহিনীকে হটিয়ে দিতে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত সাফল্য সীমিত।

মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাতাহ আল-সিসি বলেছেন, সৌদি আরবের প্রতিরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সামরিক বাহিনীকে ক্ষমতা দিতে তিনি পার্লামেন্টের একটি জরুরি অধিবেশন আহ্বান করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, মিসর কোনো আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ নেবে না, বরং কেবল সৌদি আরবকে রক্ষা করবে।

"হুতি বাহিনীর অগ্রাভিযান প্রতিবেশি উপসাগরীয় দেশের শাসকদের একযোগে শঙ্কিত করেছে। সৌদি আরব প্রতিদিন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হচ্ছে এবং স্বাভাবিক পরিস্থিতি বজায় রাখতে হিমশিম খাচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চল, সানা (রাজধানী), তাইজ, মারিব, বাব এল-মান্দেব প্রণালী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার, হুতি বাহিনী, সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল (এসটিসি) প্রধান আইদারুস আল-জুবাইদি, মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাতাহ আল-সিসি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ বছর (বিচ্ছিন্নতাবাদীদের স্বাধীনতার দাবি), ১৯৬৭-১৯৯০ (পুরাতন সীমান্ত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖