📌 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের সরকার পতন ঘটলে হিজবুল্লাহর অবসান ঘটবে এবং লেবাননের সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ খুলবে। তিনি দাবি করেছেন, ইরানের সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থার পতনই হিজবুল্লাহর সামরিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতা দুর্বল করার মূল উপায়
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের সরকারের পতনকে হিজবুল্লাহর অবসান এবং লেবাননের সঙ্গে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার মূল চাবিকাঠি হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেছেন, ইরানের সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থার পতন ঘটলে স্বাভাবিকভাবে লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহরও অবসান ঘটবে এবং লেবাননের সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরানের সরকার পতন ঘটলে হিজবুল্লাহর অবসান ঘটবে এবং লেবাননের সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে দাবি করেছেন নেতানিয়াহু
- 📌 নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থাকে ‘বিষাক্ত অক্টোপাসের মাথা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং এর পতন ঘটালে পুরো সন্ত্রাসী অবকাঠামো দুর্বল হবে
- 📌 ইসরায়েলের দাবি, ইরানের বর্তমান সরকার ক্ষমতায় থাকা পর্যন্ত ইসরায়েলের নিরাপত্তা হুমকির মুখে থাকবে
- 📌 নেতানিয়াহু জানান, ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাবে এবং আঞ্চলিক মিত্রদের নিয়ে ‘অক্ষ’ পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেবে
- 📌 তিনি বলেছেন, ইসরায়েল ইতোমধ্যে ইরানের ভূগর্ভে ও ভূপৃষ্ঠে থাকা সন্ত্রাসী অবকাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ ধ্বংস করেছে
📰 বিস্তারিত
লেবানন সীমান্তবর্তী ইসরায়েলি শহরগুলোর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘আমাদের অভিযান সম্পূর্ণ করার অর্থ হলো ইরানের সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থার পতন ঘটানো। কারণ, এই শাসনব্যবস্থাই বিষাক্ত অক্টোপাসটির মাথা। আমরা যদি মাথাটি বিচ্ছিন্ন করতে পারি, তাহলে পুরো প্রাণীটিই লুটিয়ে পড়বে।’ তিনি দাবি করেছেন, ইরানের বর্তমান সরকার ক্ষমতায় থাকা পর্যন্ত ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি অব্যাহত থাকবে। নেতানিয়াহু আরও বলেছেন, ইরানের সরকার পরাজিত বা দুর্বল হয়ে পড়লেও তারা আবারও আগের প্রচেষ্টা চালানোর চেষ্টা করবে।
নেতানিয়াহু জানান, ইসরায়েল প্রায় এক বছর আগে ইরানের যে ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করেছিল, তা প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছিল। তিনি দাবি করেছেন, ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাবে এবং আঞ্চলিক মিত্র ও সহযোগী গোষ্ঠীগুলোকে নিয়ে গঠিত তাদের ‘অক্ষ’ পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেবে। নেতানিয়াহু বলেছেন, লেবাননের সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠা করবে, তবে সেই লক্ষ্য অর্জনের আগে ইরানের শাসনব্যবস্থার অবসান ঘটানো জরুরি।
নেতানিয়াহুর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, ইরানের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করাকে তিনি হিজবুল্লাহর সামরিক ও রাজনৈতিক সক্ষমতা দুর্বল করা এবং লেবাননের সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেছেন, ইরানের সরকার পতন ঘটলে হিজবুল্লাহর অবসান ঘটবে এবং লেবাননের সঙ্গে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হবে।
"আমাদের অভিযান সম্পূর্ণ করার অর্থ হলো ইরানের সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থার পতন ঘটানো। কারণ, এই শাসনব্যবস্থাই বিষাক্ত অক্টোপাসটির মাথা। আমরা যদি মাথাটি বিচ্ছিন্ন করতে পারি, তাহলে পুরো প্রাণীটিই লুটিয়ে পড়বে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসরায়েল (লেবানন সীমান্তবর্তী শহরসমূহ), ইরান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু (ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ বছর (ইসরায়েলের ইরানের পদক্ষেপ প্রতিহত করার সময়কাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!