📌 ইসরাইলের নির্বাচনের আগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি বিরোধী দলের নেতা গাদি আইজেনকটের সাথে গোপন বৈঠক করেন। অন্যদিকে, নেতানিয়াহুর সাথে হাকাবির বৈঠক বাতিল হয়। জরিপে বিরোধী জোট এগিয়ে রয়েছে
ইসরাইলের নির্বাচনের আগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি বিরোধী দলের নেতা গাদি আইজেনকটের সাথে গোপন বৈঠক করেন। বৈঠকে অধিকৃত পশ্চিম তীরের উত্তেজনা, দখলদারদের সহিংসতা ও গাজার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাথে হাকাবির বৈঠক বাতিলের পিছনে রহস্য বাড়ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি ইসরাইলের বিরোধী দলের নেতা গাদি আইজেনকটের সাথে গোপন বৈঠক করেন — এটি ছিল তাদের প্রথম ও একমাত্র বৈঠক।
- 📌 বৈঠকে আলোচিত বিষয়: অধিকৃত পশ্চিম তীরের উত্তেজনা, দখলদারদের সহিংসতা ও গাজা উপত্যকার মানবতাবিরোধী পরিস্থিতি।
- 📌 নেতানিয়াহুর সাথে হাকাবির বৈঠক বাতিল হয় — প্রধানমন্ত্রী নিজেই বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন।
- 📌 ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে জরিপে বিরোধী জোট এগিয়ে — ৬৭টি আসন পেতে পারে, ক্ষমতাসীন জোট পাবে ৪৯টি।
- 📌 আইজেনকটের ইয়াশার পার্টি ২৩টি আসন পেয়ে শীর্ষে, নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি পাবে ২০টি আসন।
- 📌 ৪৫% জরিপে আইজেনকটকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উপযুক্ত মনে করেন, নেতানিয়াহুকে সমর্থন করেছেন ৩৫%।
- 📌 নেতানিয়াহু আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) পরোয়ানায় আটকা পড়েছেন গাজা যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে।
📰 বিস্তারিত
ইসরাইলের নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি বিরোধী দলের নেতা গাদি আইজেনকটের সাথে গোপন বৈঠক করেন। বৈঠকটি ছিল তাদের প্রথম এবং একমাত্র বৈঠক। তবে বৈঠকের স্থান ও তারিখ সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। আলোচনায় অধিকৃত পশ্চিম তীরের উত্তেজনা, দখলদারদের সহিংসতা এবং গাজা উপত্যকার মানবতাবিরোধী পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। মার্কিন দূতাবাস বা আইজেনকটের দফতর আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাথে হাকাবির বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করা হয়। বৈঠক বাতিলের পিছনে রহস্য বাড়ছে। একটি সূত্রের দাবি, নেতানিয়াহু নিজেই বৈঠকটি বাতিল করেছেন। তবে বাতিলের কারণ বা নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।
এই ঘটনা ঘটে যখন ২৭ অক্টোবরের নির্বাচন ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে আলোচনা চলছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা দীর্ঘদিন ধরে প্রচার করা হয়। তবে আসন্ন নির্বাচনে ট্রাম্প কোনো পক্ষের পক্ষে সমর্থন ঘোষণা করেননি।
জরিপে দেখা যায়, নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোটের চেয়ে বিরোধী জোট এগিয়ে রয়েছে। ১২০ আসনের নেসেটে বিরোধীরা ৬৭টি আসন পেতে পারে, অন্যদিকে ক্ষমতাসীন জোট পাবে ৪৯টি আসন। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ৬১টি আসন। জরিপে আইজেনকটের ইয়াশার পার্টি ২৩টি আসন পেয়ে শীর্ষে রয়েছে। নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি পাবে ২০টি আসন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাকে উপযুক্ত মনে করা হয় — এমন প্রশ্নে ৪৫% জরিপে আইজেনকটের পক্ষে মত দিয়েছেন, নেতানিয়াহুকে সমর্থন করেছেন ৩৫%।
"বৈঠকে অধিকৃত পশ্চিম তীরের উত্তেজনা, দখলদারদের সহিংসতা এবং গাজা উপত্যকার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসরাইল, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের দফতর (স্থান ও তারিখ গোপন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাইক হাকাবি (মার্কিন রাষ্ট্রদূত), গাদি আইজেনকট (বিরোধী নেতা), বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু (প্রধানমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৭টি আসন (বিরোধী জোট), ৪৯টি আসন (ক্ষমতাসীন জোট), ৬১টি আসন (সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন), ২৩টি আসন (ইয়াশার পার্টি), ২০টি আসন (লিকুদ পার্টি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!