📌 ইরানের সেনাবাহিনী আরাশ ড্রোনে বড় ধরনের উন্নয়ন আনেছে যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে। সেনাবাহিনীর উপপ্রধান জেনারেল আলিরেজা শেখ জানান, শত্রুপক্ষের ড্রোন ভূপাতিত করে তাদের সক্ষমতা সীমিত করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা অর্থনীতিকে চ্যালেঞ্জ করার নতুন কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে
ইরানের সামরিক সক্ষমতা আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আরাশ ড্রোনে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন আনেছে দেশটির সেনাবাহিনী। ইরানের প্রতিরক্ষা খাতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনের পাশাপাশি শত্রুপক্ষের ড্রোন ভূপাতিত করে তাদের আক্রমণাত্মক ক্ষমতা সীমিত করার নতুন কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। ইরানের ইংরেজি চ্যানেল প্রেসটিভি ২৫ সেপ্টেম্বর জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর নির্বাহী বিষয়ক উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলিরেজা শেখ এই উন্নয়ন সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরানের সেনাবাহিনী আরাশ ড্রোনে বড় ধরনের উন্নয়ন আনেছে যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে
- 📌 শত্রুপক্ষের ড্রোন ভূপাতিত করে তাদের আক্রমণাত্মক ক্ষমতা সীমিত করার নতুন কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে
- 📌 ইরান ৫০ শতাংশ বিশ্ব সামরিক সক্ষমতা দাবি করে থাকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিযোগিতায় জিতেছে
- 📌 জেনারেল শেখ বলেন, ‘আমরা প্রতিরক্ষা অর্থনীতিকে চ্যালেঞ্জ করে শত্রুকে দেউলিয়া হওয়ার দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে’
- 📌 ইরান বর্তমানে পবিত্র প্রতিরক্ষা সপ্তাহ পালন করছে, যা ১৯৮০-৮৮ সালের যুদ্ধের স্মরণে
- 📌 ২০২৫ সালের ১২ দিনের ও ২০২৬ সালের ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের প্রতিরোধক্ষমতা বিশ্বকে প্রমাণ করেছে
📰 বিস্তারিত
ইরানের প্রতিরক্ষা বিষয়ক সংবাদ মাধ্যম দেফা প্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলিরেজা শেখ বলেছেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। তিনি জানান, শত্রুপক্ষের ড্রোন ভূপাতিত করে তাদের আশপাশে উপস্থিতি সীমিত করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। শেখ বলেন, ইরান কম খরচের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের ব্যয়বহুল গোলাবারুদ মজুত ক্ষয় করেছে এবং তাদের সক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
জেনারেল শেখ বলেন, ‘আমরা যুদ্ধক্ষেত্রেও দেখিয়েছি, জাতীয় ইচ্ছাশক্তি প্রযুক্তিকে পরাজিত করতে পারে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমরা যুদ্ধক্ষেত্রেও দেখিয়েছি যে, জাতীয় ইচ্ছাশক্তি প্রযুক্তিকে পরাজিত করতে পারে।’ বর্তমান ‘যুদ্ধও নয়, শান্তিও নয়’ পরিস্থিতিতে ইরান সক্ষমতা বাড়াতে এবং কৌশল পুনর্মূল্যায়ন করছে। তিনি বলেন, ‘সরঞ্জাম, অস্ত্র ও ব্যবস্থার যথাযথ সমন্বয় আমেরিকান-ইসরাইলি শত্রুর সক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।’
জেনারেল শেখ বলেন, ‘আজ সামরিক ক্ষেত্রে শত্রুকে হতাহত করাই একমাত্র মানদণ্ড নয়। বরং দীর্ঘমেয়াদি প্রতিযোগিতায় শত্রুকে চ্যালেঞ্জ করার সক্ষমতা যার রয়েছে, যুদ্ধের বিজয়ী সে-ই।’ তিনি বলেন, ‘দীর্ঘমেয়াদি এই ক্ষয়যুদ্ধে আমরা শত্রুকে চ্যালেঞ্জ করেছি এবং দাবার ছকের একটি কোণে তাকে আলোচনায় বসতে বাধ্য করেছি।’
"আমরা আমাদের সক্ষমতাগুলো পুনর্বিন্যাস করেছি এবং আরাশ ড্রোনে বড় ধরনের উন্নয়ন এনেছি, যাতে যুদ্ধক্ষেত্রে এটিকে আরো কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইরান (বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলিরেজা শেখ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ সেপ্টেম্বর, ৫০ শতাংশ, ১২ দিন, ৪০ দিন, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ৭ এপ্রিল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!