📌 তহবিল সংকটে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) গাজায় খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম ব্যাপকভাবে সংকুচিত করছে। এর ফলে ৫ লাখ মানুষের মাসিক খাদ্য সহায়তা বন্ধের হুমকি মাথায় রেখেছে। গাজার দুই-তৃতীয়াংশ মানুষই খাদ্য নিরাপত্তা সংকটে ভুগছে
গাজার খাদ্য সংকট আরও গভীরে পতিত হতে যাচ্ছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) তহবিল সংকটের কারণে গাজায় খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম ব্যাপকভাবে সংকুচিত করছে। এর ফলে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ তাদের মাসিক খাদ্য সহায়তা থেকে বঞ্চিত হতে যাচ্ছে। গাজার মোট জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ বা প্রায় ১৪ লাখ মানুষ বর্তমানে খাদ্য নিরাপত্তা সংকটে ভুগছে, যার মধ্যে ২ লাখ মানুষ অতি জরুরি অবস্থায় রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডব্লিউএফপি গাজায় মাসিক খাদ্য সহায়তা পাওয়ার মানুষের সংখ্যা ১৬ লাখ থেকে কমিয়ে ১১ লাখে নিয়ে আসছে।
- 📌 খাদ্যের বরাদ্দ অর্ধেকে কমিয়ে ৭৫ হাজার পরিবারে নগদ সহায়তা কাটিয়ে দেওয়া হয়েছে।
- 📌 দৈনিক গরম খাবারের ইউনিট সংখ্যা ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে কমিয়ে ১ লাখ ৫০ হাজারে নিয়ে আসা হয়েছে।
- 📌 গাজার ৬০ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলি বাহিনী দখল করে রেখেছে এবং প্রতিদিন বিমান হামলা চালাচ্ছে।
- 📌 ডব্লিউএফপি আগামী ছয় মাসের জন্য ৪৫ কোটি ডলার তহবিলের আহ্বান জানিয়েছে।
📰 বিস্তারিত
গাজার খাদ্য সংকট আরও গভীরে পতিত হতে যাচ্ছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) জানিয়েছে, ব্যাপক তহবিল ঘাটতির কারণে গাজায় ত্রাণসহায়তা কার্যক্রম ব্যাপকভাবে সংকুচিত করতে হচ্ছে। এর ফলে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ তাদের মাসিক খাদ্য সহায়তা থেকে বঞ্চিত হতে যাচ্ছে। গাজার মোট জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ বা প্রায় ১৪ লাখ মানুষ বর্তমানে খাদ্য নিরাপত্তা সংকটে ভুগছে, যার মধ্যে ২ লাখ মানুষ অতি জরুরি অবস্থায় রয়েছে।
ডব্লিউএফপির ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক কার্ল স্কাউ গাজা থেকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তির এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখানকার জীবন এখনো অত্যন্ত নির্মম। বসবাসের জন্য উপযুক্ত কোনো আশ্রয় নেই, মৌলিক সেবার সুবিধা নেই এবং কোনো নিরাপত্তা বা জীবনের নিশ্চিন্ততা নেই।’ তিনি যোগ করেছেন, ‘ঠিক এমন একসময়ে এই সহায়তা কাটছাঁট করা হচ্ছে, যখন আমরা চতুর্থ শীতের মুখোমুখি হতে যাচ্ছি। আমি এখানকার শীতকাল দেখেছি, যা সত্যি ভীষণ নির্মম।’
গাজার সরকারি জনসংযোগ বিভাগ ডব্লিউএফপির এই ঘোষণাকে ‘মহাবিপর্যয়কর’ বলে বর্ণনা করেছে এবং বলেছে, এতে করে এলাকায় দুর্ভিক্ষ আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তারা আরও তহবিল দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। নুসিরাত শরণার্থী শিবিরের একটি অস্থায়ী তাঁবুর পাশে দাঁড়িয়ে সাবরিন কুহাইল নামে এক ফিলিস্তিনি নারী বলেছেন, ‘এমন কঠিন পরিস্থিতি ও দুঃসহ জীবনের ওপর তোমরা আমাদের জীবনকে আরও কঠিন করে তুলতে চাইছ। যুদ্ধ, ধ্বংসলীলা, অবরোধ আর অনবরত রক্তপাত দিয়ে তোমরা আমাদের তিনটি বছর ধরে ভূখা রেখেছ। আমাদের কাছে আর কী চাও তোমরা?’
"যুদ্ধবিরতি চুক্তির এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখানকার জীবন এখনো অত্যন্ত নির্মম। বসবাসের জন্য উপযুক্ত কোনো আশ্রয় নেই... মৌলিক সেবার সুবিধা নেই। কোনো নিরাপত্তা বা জীবনের নিশ্চিন্ততা নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজা, নুসিরাত শরণার্থী শিবির
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কার্ল স্কাউ (ডব্লিউএফপি পরিচালক), সাবরিন কুহাইল (ফিলিস্তিনি নারী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ লাখ (বঞ্চিত মানুষ), ১৪ লাখ (খাদ্য সংকটে ভুগছেন), ২ লাখ (অতি জরুরি অবস্থায়), ৪৫ কোটি ডলার (তহবিল প্রয়োজন), ৬০ শতাংশ (ইসরায়েলি দখল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!