📌 ইসলামী বিপ্লবী রক্ষী বাহিনী (আইআরজিসি) আল-আকসা অভিযানের তিন বছর পূর্তিতে ঘোষণা দিয়েছে, ইসরাইলের সামরিক অজেয় কিংবদন্তি চিরতরে ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রতিরোধ অক্ষের শক্তি ও অঞ্চলব্যাপী একতা ইসরাইল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে
আল-আকসা অভিযানের তিন বছর পূর্তিতে ইসলামী বিপ্লবী রক্ষী বাহিনী (আইআরজিসি) একটি ঐতিহাসিক বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বাহিনীটি দাবি করেছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের ঐ অভিযান ইসরাইলের সামরিক অজেয় কিংবদন্তিকে চিরতরে ধ্বংস করেছে। একইসাথে গোটা অঞ্চলে প্রতিরোধ অক্ষের শক্তি ও ঐক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ইরানের ইংরেজি চ্যানেল প্রেসটিভি জানিয়েছে, আইআরজিসি বিবৃতিতে বলেছে, এই অভিযান ‘ভবিষ্যৎ নির্মাণকারী ঘটনা’ হিসেবে ইতিহাসে চিহ্নিত হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ অক্টোবর ২০২৩র আল-আকসা অভিযান ইসরাইলের সামরিক অজেয় কিংবদন্তিকে চিরতরে ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।
- 📌 ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের যোদ্ধারা ও হামাসের বীরত্ব ইসরাইলের নিরাপত্তা কাঠামোকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে।
- 📌 গাজা থেকে ইরান পর্যন্ত প্রতিরোধ অক্ষের শক্তি ইসরাইল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ‘ভয়াবহ পরাজয়’ ইরানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ও তৃতীয় যুদ্ধে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
- 📌 প্রতিরোধ অক্ষের দৃঢ়তা ও ঐক্য ইসরাইলের বিরুদ্ধে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।
📰 বিস্তারিত
আইআরজিসি বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে তিন বছর পেরিয়ে গেছে। ওই দিন ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের যোদ্ধারা ইসরাইলের নিরাপত্তা কাঠামোকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। বাহিনীটি বলেছে, নিপীড়িত ফিলিস্তিনি জনগণের ইচ্ছাশক্তি ও আল্লাহর ওপর ভরসা এই অভিযানের মূল চালিকাশক্তি ছিল।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, গত তিন বছরে প্রতিরোধ অক্ষের পক্ষে আঞ্চলিক সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ইসরাইল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ‘কাঠামোগত সঙ্কট ও একের পর এক পরাজয়ের ঘূর্ণাবর্তে’ ডুবে গেছে। আইআরজিসি দাবি করেছে, আল-আকসা অভিযান ইসরাইলি সেনাবাহিনীর ‘অজেয়’ কিংবদন্তিকে চিরতরে গুঁড়িয়ে দিয়েছে।
বাহিনীটি উল্লেখ করেছে, গাজা থেকে লেবানন, ইয়েমেন, ইরাক ও সিরিয়া হয়ে ইরান পর্যন্ত প্রতিরোধ অক্ষের শক্তি ইসরাইল ও তার মার্কিন ও আঞ্চলিক সমর্থকদের মোকাবিলা করছে। সব ফ্রন্টে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল পরাজিত হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।
বিবৃতিতে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন কোনো আগ্রাসী যুদ্ধ শুরু করার সতর্কতা জারি করেছে আইআরজিসি। তারা বলেছে, কোনো ভুল হিসাবের জবাব হবে ‘আগ্রাসীর জন্য বেদনাদায়ক ও ধ্বংসাত্মক’। হরমুজ প্রণালীতে ইরানের দৃঢ় নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতির শেষে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের শহীদদের স্মরণ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে ইসমাইল হানিয়া, ইয়াহিয়া সিনওয়ার ও মোহাম্মদ দেইফের নাম। আইআরজিসি বলেছে, আল-কুদস মুক্ত না হওয়া এবং ইসরাইল পুরোপুরি ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত প্রতিরোধ চলবে।
"২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে তিন বছর পেরিয়ে গেছে। ওই দিন ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের যোদ্ধারা এবং বীর হামাস, নিপীড়িত ফিলিস্তিনি জনগণের ইস্পাতকঠিন ইচ্ছাশক্তি ও আল্লাহর ওপর ভরসা করে, দখলদার ইসরাইলের নিরাপত্তা কাঠামো গুঁড়িয়ে দেয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফিলিস্তিন (গাজা), লেবানন, ইয়েমেন, ইরাক, সিরিয়া, ইরান, ইসরাইল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইসলামী বিপ্লবী রক্ষী বাহিনী (আইআরজিসি), ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের যোদ্ধারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ অক্টোবর ২০২৩ (আল-আকসা অভিযানের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!