📌 ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে সিজার অস্ত্রোপচারের সময় পেটে গজ রেখে সেলাই দেওয়ার অভিযোগে ২৫ বছর বয়সী নার্স বীথী আক্তার চার মাস পর মৃত্যুবরণ করেন। তার স্বামী জানান, অস্ত্রোপচারের ভুলের কারণে তার শারীরিক অবস্থা ধীরে ধীরে খারাপ হয়ে পড়ে
ফরিদপুরে সিজার অস্ত্রোপচারের সময় পেটে গজ রেখে সেলাই দেওয়ার অভিযোগে ২৫ বছর বয়সী ডিপ্লোমা মিডওয়াইফ নার্স বীথী আক্তার চার মাস পর ঢাকার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন। তার স্বামী মো. রাকিবুল ইসলাম জানান, অস্ত্রোপচারের ভুলের কারণে বীথীর শারীরিক অবস্থা ধীরে ধীরে অবনতির পথে চলে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৫ বছর বয়সী নার্স বীথী আক্তার ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে সিজার অস্ত্রোপচারের সময় পেটে গজ রেখে সেলাই দেওয়ার অভিযোগে মৃত্যুবরণ করেছেন।
- 📌 ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
- 📌 ৬ মে সিজার অস্ত্রোপচারের সময় চিকিত্সক ডা. তামান্না ও ইন্টার্ন চিকিত্সক অরবিন্দর মাধ্যমে তার পেটে গজ রেখে সেলাই দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 ৪ মাস ধরে বীথী শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এবং তার ওজন ৬১ কেজি থেকে কমে ৩৮ কেজিতে নেমে আসে।
- 📌 গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল হুদা বলেছেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত।
📰 বিস্তারিত
গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বীথী আক্তার ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিজার অস্ত্রোপচারের সময় পেটে গজ রেখে সেলাই দেওয়ার অভিযোগে মৃত্যুবরণ করেছেন। তার স্বামী মো. রাকিবুল ইসলাম জানান, অস্ত্রোপচারের পর থেকেই বীথী শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন।
অস্ত্রোপচারের সময় চিকিত্সক ডা. তামান্না ও ইন্টার্ন চিকিত্সক অরবিন্দের মাধ্যমে তার পেটে গজ রেখে সেলাই দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অস্ত্রোপচারের পর থেকেই বীথী তীব্র পেটব্যথায় ভুগছিলেন। প্রায় দুই মাস পর তাকে আবারও অস্ত্রোপচার করাতে হয়। পরবর্তীতে তার অন্ত্রে গুরুতর জটিলতা দেখা দিলে তাকে আইসিইউতে চিকিত্সা দেওয়া হয়। পরিবারের দাবি, বাইপাস সার্জারিসহ একাধিক জটিল চিকিত্সা নিতে হয়েছে তাকে।
বীথীর শারীরিক অবস্থা ধীরে ধীরে অবনতির পথে চলে যায়। তার ওজন ৬১ কেজি থেকে কমে মাত্র ৩৮ কেজিতে নেমে আসে। সন্তান জন্মের পরও প্রায় চার মাস নিজের নবজাতক সন্তানকে কোলে নেওয়া বা বুকের দুধ খাওয়ানোর মতো শারীরিক অবস্থায় ছিলেন না বীথী। তার মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া ছড়িয়ে পড়েছে।
গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল হুদা বলেন, “বীথীর মৃত্যুর খবরটি শুনেছি। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসক ও আমি বীথীর বাড়িতে গিয়ে তার সন্তানকে দুইবার দেখে এসেছি। এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত।”
"বীথীর মৃত্যুর খবরটি শুনেছি। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসক ও আমি বীথীর বাড়িতে গিয়ে তার সন্তানকে দুইবার দেখে এসেছি। এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, গোয়ালন্দ উপজেলা, উজানচর ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বীথী আক্তার, মো. রাকিবুল ইসলাম, মো. সাইফুল হুদা, ডা. তামান্না, ইন্টার্ন চিকিত্সক অরবিন্দ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর বয়স, ৮ অক্টোবর, ৬ মে, ৬১ কেজি, ৩৮ কেজি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!