📌 খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা করেছেন। জহিরুল হককে মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান করার আদেশের প্রতিবাদে এই কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের দাবি, জহিরুল হক রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কারণে যোগ্য নয়
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন। এই কর্মবিরতি শুরু হয়েছে মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক (চলতি দায়িত্ব) জহিরুল হককে বিভাগীয় প্রধান করার আদেশের প্রতিবাদে। শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের দাবি, জহিরুল হক রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কারণে এই পদে যোগ্য নয় এবং তাদের কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে অবধি অফিস আদেশ বাতিল না হওয়া পর্যন্ত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা করেছেন।
- 📌 মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক জহিরুল হককে বিভাগীয় প্রধান করার আদেশের প্রতিবাদে কর্মবিরতি শুরু হয়েছে।
- 📌 শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের অভিযোগ, জহিরুল হক আওয়ামী লীগ ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং জুলাই আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিলেন।
- 📌 কর্মবিরতির সময় হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসাসেবা চালু থাকবে।
- 📌 শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের দাবি, দ্রুত বিষয়টি নিষ্পত্তি করে জহিরুল হককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হোক।
📰 বিস্তারিত
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক কমিটি কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে। অধ্যক্ষ অধ্যাপক সৈয়দ আমানুল ইসলামের স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক এ বি এম সাইফুল আলমের অবসরোত্তর ছুটির পর জহিরুল হককে দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাইফুল আলম ৩০ সেপ্টেম্বর অবসরোত্তর ছুটি নেবেন।
শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের দাবি, জহিরুল হক রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কারণে এই পদে যোগ্য নয়। তারা জানান, জহিরুল হক আওয়ামী লীগ ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং জুলাইয়ের আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিলেন। শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের সদস্যসচিব মো. এস এম কামরান হোসেন বলেন, শিক্ষক হিসেবে জহিরুল হকের একাডেমিক কার্যক্রমে কোনো আপত্তি নেই। তবে তাঁকে বিভাগীয় প্রধান করার আদেশকে অনৈতিক মনে করছেন তারা।
জহিরুল হক প্রথম আলোকে অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, তিনি জুলাই আন্দোলনের সময় খুলনাতে ছিলেন না। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের পানিশমেন্ট ট্রান্সফার দিয়ে গোপালগঞ্জে পাঠানো হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, স্বাচিপের কেন্দ্রের তালিকায় তার নাম নেই এবং তিনি ২০১৪ সালে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) লাইভ মেম্বারের জন্য টাকা এবং ফরম জমা দিয়েছিলেন।
"অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। জুলাই আন্দোলনের সময় আমি খুলনাতে ছিলাম না। আওয়ামী লীগের শেষ দিকে আমাকে পানিশমেন্ট ট্রান্সফার দিয়ে গোপালগঞ্জে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। স্বাচিপের কেন্দ্রের যে তালিকা আছে, সেখানে আমার কোনো নাম নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, খুলনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জহিরুল হক, মো. এস এম কামরান হোসেন, সৈয়দ আমানুল ইসলাম, এ বি এম সাইফুল আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ সেপ্টেম্বর (সাইফুল আলমের অবসরোত্তর ছুটি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!