📌 বরিশালের রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর নাজিয়া রহমান মাইশা (৩০) মৃত্যুবরণ করেছেন। স্বজনরা চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ তুলেছেন, কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন শ্বাসরোধে মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর চিকিৎসকদের ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে
বরিশালের রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর নাজিয়া রহমান মাইশা (৩০) মৃত্যুবরণ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে। নাজিয়ার স্বজনরা চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ তুলেছেন, কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন শ্বাসনালীতে বমি আটকে শ্বাসরোধে তার মৃত্যু হয়েছে। নাজিয়া বরিশাল নগরীর কালিজিরা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এবং বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের সাবেক কর্মচারীর মেয়ে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নাজিয়া রহমান মাইশা (৩০) বরিশালের রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর মৃত্যুবরণ করেছেন
- 📌 স্বজনরা দাবি করেছেন, অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর চিকিৎসক ডা. সোহেল মিয়া সার্বক্ষণিকভাবে রোগীর পাশে ছিলেন না
- 📌 হাসপাতালের ম্যানেজার সাহিল আহমেদ সাকিব বলেছেন, অস্ত্রোপচার স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হয়েছিল, কিন্তু পোস্টঅপারেটিভ পর্যায়ে রক্তচাপ কমে বমি আটকে শ্বাসরোধে মৃত্যু হয়েছে
- 📌 ঘটনার পর ডা. তহুরা আক্তার ও ডা. সোহেল মিয়ার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে
- 📌 কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি
📰 বিস্তারিত
বরিশাল নগরীর কালিজিরা এলাকার বাসিন্দা নাজিয়া রহমান মাইশা (৩০) বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের সাবেক কর্মচারীর মেয়ে। তিনি উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রেজিস্ট্রার ডা. তহুরা আক্তারর তত্ত্বাবধানে গর্ভকালীন চিকিৎসা নিচ্ছিলেন নাজিয়া। তার পরামর্শেই সিজারের জন্য তাকে রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ডা. তহুরা আক্তার নিজেই অস্ত্রোপচার করে সন্তান প্রসব করান। তবে অস্ত্রোপচারের শেষ দিকে নাজিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় বলে স্বজনরা জানান।
নাজিয়ার স্বজন সাজ্জাদ হোসেন নয়ন অভিযোগ করেন, অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর নাজিয়া অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং বমি করতে থাকেন। তার দাবি, অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক ডা. সোহেল মিয়া অস্ত্রোপচারের সময় সার্বক্ষণিকভাবে রোগীর পাশে ছিলেন না।
হাসপাতালের ম্যানেজার সাহিল আহমেদ সাকিব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অস্ত্রোপচার স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হয়েছিল এবং তখন মা ও সন্তান দুজনই ভালো ছিলেন। তবে পোস্টঅপারেটিভ ইউনিটে নাজিয়ার রক্তচাপ কমে যায় এবং তিনি কয়েকবার বমি করেন। তাৎক্ষণিকভাবে বমি পরিষ্কার করা হলেও তার অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাকে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে পাঠানো হয়। সেখানে শ্বাসনালীতে বমি আটকে শ্বাসরোধে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়।
নাজিয়ার স্বামী হাফিজ আহমেদ বলেন, সন্তান জন্মের পর অপারেশন থিয়েটারে চিকিৎসকেরা কী করেছেন, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন। ঘটনার পর ডা. তহুরা আক্তার ও ডা. সোহেল মিয়ার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। ফলে তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
"অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর নাজিয়া অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং বমি করতে থাকেন। তার দাবি, অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক ডা. সোহেল মিয়া অস্ত্রোপচারের সময় সার্বক্ষণিকভাবে রোগীর পাশে ছিলেন না।"
"অস্ত্রোপচার স্বাভাবিকভাবেই সম্পন্ন হয়েছিল এবং তখন মা ও সন্তান দুজনই ভালো ছিলেন। পরে পোস্টঅপারেটিভ ইউনিটে নাজিয়ার রক্তচাপ কমে যায় এবং তিনি কয়েকবার বমি করেন। তাৎক্ষণিকভাবে বমি পরিষ্কার করা হলেও তার অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাকে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে পাঠানো হয়। সেখানে শ্বাসনালীতে বমি আটকে শ্বাসরোধে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশালের রাহাত-আনোয়ার হাসপাতাল ও শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাজিয়া রহমান মাইশা (৩০), ডা. তহুরা আক্তার, ডা. সোহেল মিয়া, সাহিল আহমেদ সাকিব, সাজ্জাদ হোসেন নয়ন, হাফিজ আহমেদ, আল মামুন উল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ (বয়স), ২৪ (সেপ্টেম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!