📌 রামপুরা মালিবাগ বাজারে গত সপ্তাহে পটোল, শিম, করলা ও বরবটির দাম ২০-৫০% কমলেও টমেটোর দাম ১৪-৩৩% বেড়েছে। মাছ-মুরগির দামেও অসামঞ্জস্যপূর্ণ পরিবর্তন দেখা গেছে, যা ক্রেতাদের খরচ বৃদ্ধি করেছে
রাজধানীর বাজারে সবজির দামের বিপরীতমুখী প্রবণতা ক্রেতাদের জীবনকে আরো জটিল করে তুলেছে। গত সপ্তাহে পটোলের দাম কেজিপ্রতি ১২০ টাকা থেকে নেমে এসেছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায় — যা প্রায় ৩৩ থেকে ৫০ শতাংশ কম। কিন্তু টমেটোর দাম বিপরীত দিকে গেছে: গত সপ্তাহে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা থেকে এখন ১৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে — সর্বনিম্ন দামের তুলনায় ৩৩.৩ শতাংশ বৃদ্ধি। এই বিপরীতমুখী দামের পরিবর্তন ক্রেতাদের বাজার জীবনকে অস্বস্তিকর করে তুলেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পটোলের দাম গত সপ্তাহের ১২০ টাকা থেকে এখন ৬০-৮০ টাকা — ৩৩-৫০% কম।
- 📌 শিমের দাম ১৫০-২৫০ টাকা থেকে নেমে এসেছে ১২০-১৪০ টাকা — ২০% কম।
- 📌 টমেটোর দাম ১২০-১৪০ টাকা থেকে বেড়েছে ১৬০ টাকা — ১৪-৩৩% বেশি।
- 📌 কাঁচামরিচের দাম গত সপ্তাহে ১২০-২০০ টাকা থেকে এখন ১৪০ টাকা — সর্বোচ্চ দামে ৩০% কম।
- 📌 রুই মাছের দাম ৩৬০-৪২০ টাকা থেকে বেড়েছে ৩৫০-৬০০ টাকা — ৪২.৯% পর্যন্ত ব্যবধান।
- 📌 ব্রয়লার মুরগির দাম সর্বনিম্নে ৫.৩% কমলেও সর্বোচ্চ দাম অপরিবর্তিত।
- 📌 বিক্রেতারা দামের পরিবর্তনের কারণ হিসেবে নতুন শীতকালীন সবজির সরবরাহের অভাব, আগের মৌসুমের সবজির কমে যাওয়া, বৃষ্টির প্রভাব ও পরিবহন ব্যয় উল্লেখ করেছেন।
- 📌 ক্রেতা গোলাম রব্বানি বলেছেন, ‘আয় বাড়ছে না, কিন্তু প্রতিদিনের খরচ বেড়েই চলেছে। মাছ-মাংসের দাম বাড়ার কারণে খাবারের তালিকায় সীমিত আয়ের লোকদের জন্য বিলাসিতা হয়ে উঠেছে।’
📰 বিস্তারিত
রামপুরা মালিবাগ বাজারে গত ৯ অক্টোবর থেকে ১৬ অক্টোবরের মধ্যে পটোল, শিম, করলা ও বরবটির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বিশেষ করে পটোলের দাম কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৬০ টাকা কমেছে — যা প্রায় ৩৩ থেকে ৫০ শতাংশ হ্রাস। শিমের দামও ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা থেকে নেমে এসেছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায়, যা আগের সর্বনিম্ন দামের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ কম। করলা ও বরবটির দামও যথাক্রমে ৮০ থেকে ১৫০ টাকা থেকে ৮০ টাকা এবং ৮০ থেকে ১২০ টাকা থেকে ৭০ টাকা নেমেছে।
বিপরীত দিকে টমেটোর দাম বেড়েছে। গত সপ্তাহে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা থেকে এখন কেজিপ্রতি ১৬০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। সর্বনিম্ন দামের তুলনায় ৩৩.৩ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ দামের তুলনায় ১৪.৩ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে। কাঁচামরিচের দামেও অসামঞ্জস্যপূর্ণ পরিবর্তন দেখা গেছে: গত সপ্তাহে ১২০ থেকে ২০০ টাকা থেকে এখন ১৪০ টাকা — সর্বোচ্চ দামে ৩০ শতাংশ কমলেও সর্বনিম্ন দামের তুলনায় ১৬.৭ শতাংশ বেশি।
মাছ-মুরগির বাজারেও অসামঞ্জস্যপূর্ণ দামের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। রুই মাছের দাম ৩৬০ থেকে ৪২০ টাকা থেকে বেড়েছে ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা — যা সর্বোচ্চ দামের তুলনায় ৪২.৯ শতাংশ বেশি। ব্রয়লার মুরগির সর্বনিম্ন দাম ৫.৩ শতাংশ কমলেও সর্বোচ্চ দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ডিমের দামেও একই হারে কমেনি। বিক্রেতারা দামের পরিবর্তনের কারণ হিসেবে নতুন শীতকালীন সবজির সরবরাহের অভাব, আগের মৌসুমের সবজির কমে যাওয়া, বৃষ্টির প্রভাব ও পরিবহন ব্যয়ের কথা উল্লেখ করেছেন।
"আয় বাড়ছে না, অথচ প্রতিদিনের খরচ বেড়েই চলেছে। এখন খাবারের তালিকায় মাছ-মাংস রাখা অনেকটা বিলাসিতার মতো। কিছু সবজির দাম কমলেও সামগ্রিক বাজারে স্বস্তি ফেরেনি। ব্রয়লার মুরগি, তেলাপিয়া ও পাঙাশের দামও বেশি। এতে সীমিত আয়ে সংসারের প্রয়োজন মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রামপুরা মালিবাগ বাজার, রাজধানী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্রেতা গোলাম রব্বানি, বিক্রেতা কদর আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩-৫০% (পটোলের দাম কমেছে), ১৪-৩৩% (টমেটোর দাম বেড়েছে), ১২০-১৬০ টাকা (টমেটোর দাম), ৬০-৮০ টাকা (পটোলের দাম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!