📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গ্রে মার্কেটে শাওমি, ভিভো ও আইফোনসহ সব স্মার্টফোনের আধিপত্য, বাজারের ৪০‑৫০% দখল

গ্রে মার্কেটে শাওমি, ভিভো ও আইফোনসহ সব স্মার্টফোনের আধিপত্য, বাজারের ৪০‑৫০% দখল

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 অনানুষ্ঠানিক আমদানি মাধ্যমে শাওমি, ভিভো, অপো, ওয়ানপ্লাস ও আইফোনসহ বেশিরভাগ স্মার্টফোন গ্রে মার্কেটের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে, যা বাজারের ৪০‑৫০% দখল করেছে

অনানুষ্ঠানিক আমদানির মাধ্যমে শাওমি, ভিভো, অপো, ওয়ানপ্লাস এবং অ্যাপলের আইফোনসহ বেশিরভাগ জনপ্রিয় স্মার্টফোন বাংলাদেশে গ্রে মার্কেটের মাধ্যমে বিক্রি হচ্ছে। তুলনামূলক কম দাম এবং নতুন মডেল দ্রুত পাওয়ার সুবিধা গ্রাহকদের এই চ্যানেলে টানছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৪ সালে স্থানীয় নির্মাতারা গ্রে মার্কেটকে মোট হ্যান্ডসেট বাজারের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ বলে দাবি করেছিল, ২০২৫ সালে ৪০ শতাংশের বেশি এবং ২০২৬ সালে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ দখল করেছে।
  • 📌 ২০২২ সালে শাওমি স্মার্টফোন বাজারের ২৮.৮ শতাংশ দখল করে প্রথম স্থানে উঠে আসে, তবে ২০২৩ সালে ভিভো ১৬.১ শতাংশ শেয়ার নিয়ে শীর্ষে উঠে শাওমি পঞ্চম স্থানে নেমে আসে।
  • 📌 মোট শুল্ক‑কর প্রায় ৫৮ শতাংশ, এবং ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে হ্যান্ডসেট উৎপাদন ১০ শতাংশ কমে ৫৪ লাখ ৭৬ হাজার ইউনিটে নেমে আসে।
  • 📌 আইফোনের নতুন মডেলগুলো অনুমোদিত বিক্রয় চ্যানেল ছাড়াই বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক, টোকিও স্কয়ার ও শাহ আলী প্লাজা মতো বাজারে দ্রুত গ্রে মার্কেটে পাওয়া যায়।

📰 বিস্তারিত

অনানুষ্ঠানিক চ্যানেলের মাধ্যমে শাওমি, ভিভো, অপো, ওয়ানপ্লাস এবং আইফোনসহ সব প্রধান ব্র্যান্ডের ফোন বাংলাদেশে প্রবেশ করছে, যার ফলে বাজারের উল্লেখযোগ্য অংশ গ্রে মার্কেটের দখলে রয়েছে। ২০২৪‑২০২৬ সালের বিভিন্ন প্রতিবেদনে এই অংশ ৩৫‑৫০ শতাংশের মধ্যে পরিবর্তিত হওয়া দেখা গেছে, যা বৈধ আমদানির তুলনায় কম কর ও দ্রুত সরবরাহের সুবিধা থেকে উদ্ভূত।

উচ্চ ভ্যাট এবং শুল্কের বোঝা গ্রাহকদের জন্য অতিরিক্ত ব্যয় সৃষ্টি করেছে। শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যনেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে স্মার্টফোনের ওপর বিদ্যমান ভ্যাট কাঠামো এই পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।

প্রতিবেশী দেশ ভারত ভ্যাট হারের পরিবর্তন করে ১৮ শতাংশ থেকে ১২ শতাংশ, ভবিষ্যতে ৫ শতাংশে নামানোর পরিকল্পনা করেছে, যা বাংলাদেশের ৪‑১৫ শতাংশ ভ্যাট হারের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পার্থক্য সৃষ্টি করে। চীন থেকে আসা ফোনগুলোও অনানুষ্ঠানিক পথে দেশে প্রবেশ করে, ফলে নকল বা পরিবর্তিত আইএমইআইযুক্ত ডিভাইসের উপস্থিতি বৃদ্ধি পায়।

"শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যনেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে স্মার্টফোনের ওপর বিদ্যমান ভ্যাট কাঠামো এই পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক, টোকিও স্কয়ার, শাহ আলী প্লাজা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জিয়াউদ্দিন চৌধুরী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫‑৫০% বাজার শেয়ার, ২৮.৮% শাওমি, ১৬.১% ভিভো, ৫৮% শুল্ক‑কর, ১০% উৎপাদন হ্রাস

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖