📅 ৬ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পুঁজিবাজারে ১৬ বছর পর সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ ফিরে আসছে: সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানদের জন্য নতুন সুবিধা

পুঁজিবাজারে ১৬ বছর পর সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ ফিরে আসছে: সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানদের জন্য নতুন সুবিধা

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দীর্ঘ ১৬ বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে আবার সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ চালু হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় ২০১০ সালের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে, যেখানে যোগ্যতা পূরণকারী সরকারি, বেসরকারি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান আইপিও ছাড়াই তালিকাভুক্তি করতে পারবে

দীর্ঘ ১৬ বছর পর বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ আবারও চালু হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় গত সোমবার একটি আদেশ জারি করে ২০১০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জারি করা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে। এতে যোগ্যতা পূরণকারী সরকারি, বেসরকারি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) ছাড়াই সরাসরি স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তি করতে পারবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৬ বছর পর সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ ফিরে আসছে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে।
  • 📌 অর্থ মন্ত্রণালয় ২০১০ সালের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে, বিএসইসির আবেদন পরিপ্রেক্ষিতে।
  • 📌 ১০ শতাংশ বা তার বেশি সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানিরা সরাসরি তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।
  • 📌 ৫০০ কোটি টাকা বার্ষিক লেনদেন বা সম্পদ থাকা দেশীয় কোম্পানিগুলোও সুযোগ পাবে।
  • 📌 ৩০০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন থাকা বিটিআরসি অনুমোদিত টেলিকম ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানও আওতায় আসবে।
  • 📌 বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানির ক্ষেত্রে পুঞ্জীভূত লোকসান না থাকা এবং আগের দুই অর্থবছরে ইতিবাচক নগদ প্রবাহ থাকার শর্ত।
  • 📌 শেয়ারহোল্ডাররা ১০ থেকে ২০ শতাংশ শেয়ার সরাসরি বাজারে বিক্রি করতে পারবেন।
  • 📌 কারসাজি ঠেকাতে রেফারেন্স মূল্যের ভিত্তিতে ফ্লোর প্রাইস নির্ধারণ করা হবে।
  • 📌 তালিকাভুক্তির প্রথম ৩০ মিনিটে শুধু ক্রেতাদের দরপ্রস্তাবের সুযোগ থাকবে।
  • 📌 প্রথম পাঁচ কার্যদিবসে একক আদেশে সর্বোচ্চ ১০০০ শেয়ার কেনাবেচার সীমা রাখা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) চেয়ারম্যানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থ মন্ত্রণালয় গত সোমবার একটি আদেশ জারি করে ২০১০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জারি করা সরাসরি তালিকাভুক্তির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে। এতে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারের টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে সরকারি, বেসরকারি ও বহুজাতিক কোম্পানির সরাসরি তালিকাভুক্তির ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর বিএসইসির ১২৭তম কমিশন সভায় ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে সিকিউরিটিজের সরাসরি তালিকাভুক্তি) বিধিমালা, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন করা হয়।

খসড়া বিধিমালায় সব কোম্পানির জন্য সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ রাখা হয়নি। নির্দিষ্ট যোগ্যতা পূরণকারী বড় ও প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানই এ সুবিধা পাবে। শতভাগ বা সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি এবং যেসব কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের অন্তত ১০ শতাংশ সরকারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মালিকানায় রয়েছে, তারা সরাসরি তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। একইভাবে সম্পূর্ণ বা সংখ্যাগরিষ্ঠ বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানিও এ সুযোগ পাবে। এ ছাড়া অন্তত ৫০০ কোটি টাকা বার্ষিক লেনদেন বা সম্পদ থাকা দেশীয় কোম্পানি এবং কমপক্ষে ৩০০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন থাকা বিটিআরসি অনুমোদিত টেলিকম ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানও আওতায় আসবে। ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট যোগ্যতার শর্ত রাখা হয়েছে।

বিশেষ করে বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানির ক্ষেত্রে পুঞ্জীভূত লোকসান না থাকা এবং আগের দুই অর্থবছরে পরিচালন কার্যক্রম থেকে ইতিবাচক নগদ প্রবাহ থাকার শর্ত রাখা হয়েছে। যোগ্য কোম্পানির বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডাররা তাদের হাতে থাকা মোট শেয়ারের ১০ থেকে ২০ শতাংশ বাজারে বিক্রি করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে কোম্পানি নতুন শেয়ার ইস্যু করবে না; শেয়ারহোল্ডাররা সরাসরি তাদের শেয়ার বিক্রি করবেন। ফলে শেয়ার বিক্রি থেকে পাওয়া অর্থ কোম্পানির হিসাবে না গিয়ে শেয়ারহোল্ডারের হিসাবে যাবে।

২০০৬ সালে সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ চালু হয়েছিল, কিন্তু ২০১০ সালের শেয়ারবাজার ধসের পর কারসাজি ও অনিয়মের অভিযোগের কারণে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। নতুন কাঠামোয় শেয়ারদর কারসাজির সুযোগ কমাতে বেশ কিছু শর্ত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রেফারেন্স মূল্যের ভিত্তিতে ফ্লোর প্রাইস নির্ধারণ, তালিকাভুক্তির প্রথম ৩০ মিনিটে শুধু ক্রেতাদের দরপ্রস্তাবের সুযোগ এবং প্রথম দুই কার্যদিবসে শেয়ার বিক্রিতে বিধিনিষেধ। এছাড়া প্রথম পাঁচ কার্যদিবসে একক আদেশে সর্বোচ্চ ১০০০ শেয়ার কেনাবেচার সীমা এবং তালিকাভুক্তির পর এক বছর পর্যন্ত কোম্পানির স্পনসর ও পরিচালকদের বাজার থেকে শেয়ার পুনঃক্রয়ে নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব করা হয়েছে।

"সরাসরি তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে যোগ্যতার মানদণ্ড কঠোর করা হয়েছে। বিশেষ করে বহুজাতিক ও বড় স্থানীয় কোম্পানিগুলোকে বাজারে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে এ ব্যবস্থা করা হয়েছে।"

বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান বলেছেন, সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ নতুন ও ভালো কোম্পানির অংশগ্রহণ বাড়াবে এবং পুঁজিবাজার আরও গভীর ও বৈচিত্র্যময় হবে। প্রচলিত আইপিও প্রক্রিয়ায় দীর্ঘ সময় লাগায় বড় ও প্রতিষ্ঠিত অনেক কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসতে আগ্রহী হয় না। সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ চালু হলে এ বাধা কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তবে নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হওয়ার পর শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ, লেনদেন ও কোম্পানির প্রকাশিত তথ্যের ওপর বিএসইসি ও স্টক এক্সচেঞ্জের নজরদারি কতটা কার্যকর হয়, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অর্থ মন্ত্রণালয়, বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ বছর, ১০ শতাংশ, ৫০০ কোটি টাকা, ৩০০ কোটি টাকা, ১০০০ শেয়ার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖