📌 বাংলাদেশে নুডলসের বাজার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১০ সালের ১০০ কোটি টাকার বাজার এখন এক হাজার ২০০ কোটি টাকার কাছাকাছি। প্রতি বছর ৭.৯৮ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে এই খাবার। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নুডলসের বৈচিত্র্য ও বাংলাদেশ থেকে বছরে ১৫ হাজার টন নুডলস রপ্তানি হচ্ছে
বাংলাদেশে নুডলসের জনপ্রিয়তা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে দেশের নুডলসের বাজার এক হাজার ২০০ কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। মাত্র ১২ বছরে এই বাজার ১২ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১০ সালে যখন বাজারের আকার ছিল মাত্র ১০০ কোটি টাকা, এখন তা এক হাজার ২০০ কোটি টাকার কাছাকাছি। প্রতি বছর এই খাবারের চাহিদা ৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ হারে বাড়ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিশ্বে প্রায় ১ হাজার ২০০ ধরনের নুডলস তৈরি হয়, এর মধ্যে প্রচলিত ৩০০-এর বেশি ধরন
- 📌 বাংলাদেশ থেকে বছরে ১৫ হাজার টন নুডলস রপ্তানি হয়, মধ্যপ্রাচ্য, মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে পৌঁছায়
- 📌 বাংলাদেশে নুডলসের বাজার ২০২৫ সালে ১২০০ কোটি টাকা (১০ কোটি মার্কিন ডলার) এবং ২০৩০ সালে ১৮০০ কোটি টাকা (১৫ কোটি মার্কিন ডলার) হতে পারে
- 📌 ৬০ শতাংশের বেশি নুডলস বিক্রি হয় দেশের মফস্বল অঞ্চলে
- 📌 বাজারে ৪০টির বেশি ব্র্যান্ডের ইনস্ট্যান্ট, কাপ ও স্টিক নুডলস পাওয়া যায়, যার মধ্যে ইনস্ট্যান্ট নুডলসের বাজার ৭৫ শতাংশ
- 📌 কোভিড-১৯ মহামারির সময় নুডলসের চাহিদা ১৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশে নুডলসের চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে দেশের খাদ্য সংস্কৃতিতে নুডলসের স্থান অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। নানা স্বাদের নুডলসের অভিজ্ঞতা নিতে তরুণদের মধ্যে এই খাবারের চাহিদা বাড়ছে। ঢাকার বড় বড় রেস্তোরাঁর মেন্যুতে নানা রকম নুডলসের রেসিপি দেখা যায়। সহজে রান্না করা যায় এমন নুডলস এখন ঘরে ঘরে পরিচিত। বাজারে বিভিন্ন ধরনের তাৎক্ষণিক রান্নার নুডলস পাওয়া যায়।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নুডলসের নিজস্ব ধরন রয়েছে। চীনে লামিয়ান, জাপানে উদন ও রামেন, ভিয়েতনামে ভাইন ফো, কোরিয়ায় গ্লাস নুডলস এবং থাইল্যান্ডে পাড থাই নুডলসের মতো বিভিন্ন ধরনের নুডলস জনপ্রিয়। বাংলাদেশেও নানা ধরনের নুডলসের চাহিদা বাড়ছে। দেশের ভোগ্যপণ্যের বাজারে নুডলসের চাহিদা গত দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০২৫ সালে বাংলাদেশি ইনস্ট্যান্ট নুডলস বাজারের মূল্য প্রায় ১০ কোটি মার্কিন ডলার (১২০০ কোটি টাকা) এবং ২০৩০ সালের মধ্যে বাজারের আকার হবে প্রায় ১৫ কোটি মার্কিন ডলার (১৮০০ কোটি টাকা)। প্রতিবছর এই বাজার ৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। নুডলসের চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে দেশ থেকে বছরে প্রায় ১৫ হাজার টন নুডলস রপ্তানি হয়। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশসহ মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পণ্যটি যাচ্ছে।
বাংলাদেশের নুডলস উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাজারে ৪০টির বেশি ব্র্যান্ডের ইনস্ট্যান্ট, কাপ ও স্টিক নুডলস এবং রামেনের মতো পণ্য রয়েছে। এর মধ্যে ইনস্ট্যান্ট নুডলসের বাজার অংশীদারত্ব ৭৫ শতাংশের ওপর। পাশাপাশি স্টিক ও কাপ নুডলসও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ৬০ শতাংশের বেশি নুডলস বিক্রি হয় দেশের মফস্বল অঞ্চলে, অর্থাৎ শহর ও গ্রামে সমানতালে পণ্যটির চাহিদা বাড়ছে।
"কোভিড-১৯ মহামারির সময় ঘরে বসে খাবার গ্রহণের হার বাড়ার কারণে নুডলসের চাহিদা ১৬ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ, ঢাকা, মধ্যপ্রাচ্য, মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তরুণদের, শিশু, মানুষের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২০০ কোটি টাকা (বাজার), ১৫ হাজার টন (রপ্তানি), ৭.৯৮ শতাংশ (বৃদ্ধি হার), ১৬ শতাংশ (কোভিড সময়ে বৃদ্ধি), ৪০টি (ব্র্যান্ড), ৭৫ শতাংশ (ইনস্ট্যান্ট নুডলসের বাজার অংশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!