📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১:৪৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১০ লাখ টাকার চুক্তিতে যুব কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস: গ্রেপ্তার ৭ জন, জব্দ ১১৬টি স্ট্যাম্প ও ১০টি শিক্ষাসনদ

১০ লাখ টাকার চুক্তিতে যুব কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস: গ্রেপ্তার ৭ জন, জব্দ ১১৬টি স্ট্যাম্প ও ১০টি শিক্ষাসনদ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে ১০ লাখ টাকার চুক্তি করে প্রশ্নপত্র বিক্রি করা হতো। গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে ১১৬টি স্ট্যাম্প, ১০টি শিক্ষাসনদ ও ৪০ জনের ব্যাংক চেক। এসআরবি তদন্ত করছে প্রশ্নপত্র কীভাবে ফাঁস হয়েছিল

ঢাকায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসআরবি তদন্তে জানা যায়, চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে ১০ লাখ টাকার চুক্তি করে প্রশ্নপত্র বিক্রি করা হতো। পুরো টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত শিক্ষাসনদ ফেরত দেওয়া হতো না। গ্রেপ্তার সদস্যদের কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে ১১৬টি স্ট্যাম্প, ১০টি শিক্ষাসনদ ও ৪০ জনের ব্যাংক চেক।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১০ লাখ টাকার চুক্তি করে যুব কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিক্রি করা হতো। পুরো টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত শিক্ষাসনদ ফেরত দেওয়া হতো না।
  • 📌 ৭ জন গ্রেপ্তার: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মচারী নূর মোহাম্মদ (৩০), কম্পিউটার অপারেটর জাহাঙ্গীর (৩৮), ইমদাদুল ইসলাম (৩৫), আসাদুল ইসলাম (৩৩), রুবেল ইসলাম (৩৩), মফিজুল ইসলাম (২৩) ও হাসিনুর রহমান (সুজন)।
  • 📌 জব্দ করা হয়েছে: ১১৬টি ১০০ টাকার স্ট্যাম্প, ১০টি শিক্ষাসনদ, ৪০ জনের ব্যাংক চেক ও চেক বই।
  • 📌 ২-৩ লাখ টাকার ব্যাংক চেক নেওয়া হতো যারা একসঙ্গে পুরো টাকা দিতে পারতেন না।
  • 📌 মামলা সিআইডিতে স্থানান্তর: মতিঝিল থানায় করা মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) স্থানান্তর করা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

গ্রেপ্তার সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে লিখিত চুক্তি করে প্রশ্নপত্র বিক্রি করা হতো। এসআরবি ৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন বলেন, চাকরিপ্রার্থীদের মূল শিক্ষাসনদ জমা দিতে হতো। পুরো টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত সনদ ফেরত পাওয়া যেত না। যারা একসঙ্গে পুরো টাকা দিতে পারতেন না, তাদের কাছ থেকে স্বাক্ষরসহ ২-৩ লাখ টাকার ব্যাংক চেক নেওয়া হতো।

তদন্তে জানা যায়, এনবিআরের কর্মচারীদের হাত ঘুরে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছিল। ১০ অক্টোবর ভোর ৪টা ৪৩ মিনিটে নূর মোহাম্মদ মুঠোফোনে প্রশ্নপত্রের অস্পষ্ট ছবি পেয়েছিলেন। সকাল সোয়া ছয়টায় জাহাঙ্গীর আরও স্পষ্ট ছবি পেয়েছিলেন। পরে প্রশ্নপত্রের উত্তর তৈরি করে চক্রের সদস্যদের কাছে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তাঁদের মাধ্যমে সম্ভাব্য পরীক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছেছিল উত্তরপত্র।

মতিঝিল থানায় করা মামলাটি সিআইডিতে স্থানান্তর করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মীর্জা মোহাম্মদ মুক্তা জানান, আজ রোববার সকালে মামলার নথিপত্র সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

"প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর সেটির উত্তর তৈরি করে চক্রের সদস্যদের কাছে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে তাঁদের মাধ্যমে সম্ভাব্য পরীক্ষার্থী ও প্রশ্নপত্রের গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে যায় উত্তরপত্র।"

লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন, এসআরবি ৩-এর অধিনায়ক

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (মতিঝিল, ঢাকার বাইরে)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন, নূর মোহাম্মদ, জাহাঙ্গীর, ইমদাদুল ইসলাম, আসাদুল ইসলাম, রুবেল ইসলাম, মফিজুল ইসলাম, হাসিনুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লাখ টাকা (চুক্তি), ১১৬টি স্ট্যাম্প, ১০টি শিক্ষাসনদ, ৪০ জনের ব্যাংক চেক, ২-৩ লাখ টাকা (চেক)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖