📌 দুইজন একই নামের কারণে ১০ মাস কারাগারে থাকা ব্যক্তি হাইকোর্টে রিট দেন। আদালত তদন্তের নির্দেশ দিলে জানা যায়, প্রকৃত আসামির পরিবর্তে ভুল ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
দুইজন একই নামের কারণে একই মামলায় ২২ বছর আগে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিবর্তে ভুল আসামিকে ১০ মাসেরও বেশি সময় ধরে কারাগারে রাখা হয়েছে। এই ঘটনার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট দিলে হাইকোর্ট তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১০ মাস কারাগারে থাকা মো. আলমাছ (২৪) দাবি করেন, প্রকৃত আসামির পরিবর্তে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
- 📌 ২০০৪ সালের ১৯ জুন ঢাকা মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১১ মো. আলমাছকে (বাবা মো. খলিল আহমেদ) ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল।
- 📌 প্রকৃত আসামি মো. আলমাছের বাবা শেখ খলিলের নামের মিল থাকায় ২০১৮ সালে জিম্মানামা দিয়ে মুক্তি পেয়েছিলেন কারাগারে থাকা ব্যক্তি।
- 📌 মিরপুর থানায় ২০০২ সালের ১০ এপ্রিল অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়েছিল।
- 📌 রিটে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামির বর্তমান ঠিকানা ছিল আহমেদনগর, পাইকপাড়া, মিরপুর।
📰 বিস্তারিত
দুজনেরই নাম মো. আলমাছ। বাবার নামেও আংশিক মিল রয়েছে। ২০০৪ সালের ১৯ জুন ঢাকা মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১১ রায় দিয়েছিল যে, মো. আলমাছ (বাবা মো. খলিল আহমেদ, গ্রাম দক্ষিণ বাহ্রা, দোহার, ঢাকা) অস্ত্র আইনের মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড পাবেন। রায়ে আসামির বর্তমান ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছিল আহমেদনগর, পাইকপাড়া, মিরপুর।
কিন্তু প্রকৃত আসামির পরিবর্তে ভুল ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। কারাগারে থাকা মো. আলমাছ (২৪) দাবি করেন, তাঁর নাম মো. আলমাছ, বাবা শেখ খলিল, গ্রাম সুন্দরীপাড়া, দোহার, ঢাকা। তিনি উচ্চ আদালতে রিট দিয়েছেন। রিটে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০২ সালের ১০ এপ্রিল মিরপুর থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়েছিল তাঁর ও নাজমুল আলম মামুনের বিরুদ্ধে। পরে ২০০৪ সালের ১৯ জুন ট্রাইব্যুনাল মো. আলমাছকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল। অপর আসামি নাজমুল খালাস পান।
২০১৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জিম্মানামা দিয়ে মুক্তি পেয়েছিলেন কারাগারে থাকা আলমাছ। জিম্মানামায় বলা হয়েছিল, আসামির নাম-ঠিকানা আংশিক ভুল থাকায় স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তাঁকে তাঁর বাবার জিম্মায় দেওয়া হয়েছিল। প্রত্যয়নপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, দক্ষিণ বাহ্রার মো. আলমাছ (বাবা খলিল আহমেদ) প্রকৃত আসামি নন।
"আমি প্রকৃত আসামি নই। আমার নাম মো. আলমাছ, বাবা শেখ খলিল। প্রকৃত আসামির পরিবর্তে আমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর, মিরপুর থানা, দক্ষিণ বাহ্রা, দোহার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আলমাছ (২৪), মো. খলিল আহমেদ, চেয়ারম্যান (২ নম্বর কুসুমহাটি ইউনিয়ন)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ মাস কারাগারে, ২২ বছর আগে মামলা, ১০ বছরের কারাদণ্ড, ২০০২ সালের ১০ এপ্রিল মামলা, ২০০৪ সালের ১৯ জুন রায়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!