📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিশ্বজিৎ দাস হত্যাকাণ্ড মামলায় আপিল বিভাগে দ্রুত শুনানির আবেদন: রাষ্ট্রপক্ষের চেম্বার আদালতের দাবি

বিশ্বজিৎ দাস হত্যাকাণ্ড মামলায় আপিল বিভাগে দ্রুত শুনানির আবেদন: রাষ্ট্রপক্ষের চেম্বার আদালতের দাবি

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্বজিৎ দাস হত্যাকাণ্ড মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে দ্রুত শুনানির আবেদন জমা দিয়েছে। হাইকোর্টের রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দু’জন আসামির দণ্ড বহাল রাখা হয়েছে, অন্য ছয়জনকে ফাঁসি কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিশ্বজিৎ দাস হত্যাকাণ্ড মামলায় দ্রুত শুনানির আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ চেম্বার আদালতে বিশেষ আবেদন করে মৃত্যুদণ্ড ও আসামিদের আপিলের ওপর দ্রুত শুনানি সম্পন্ন করার দাবি তুলেছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে বলে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল জানিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯ অক্টোবর আপিল বিভাগে বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের দ্রুত শুনানির আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে
  • 📌 ২০১৭ সালের ৬ আগস্ট হাইকোর্টের রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দু’জন আসামির দণ্ড বহাল রাখা হয়েছে — রফিকুল ইসলাম শাকিল ও রাজন তালুকদার
  • 📌 মহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন ও মীর মো. নূরে আলম লিমনকে ফাঁসি কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে
  • 📌 সাইফুল ইসলাম ও কাইয়ুম মিঞা টিপুকে মামলা থেকে পূর্ণ খালাস দেওয়া হয়েছে
  • 📌 ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর পুরান ঢাকায় নির্মমভাবে হত্যা করা হয় বিশ্বজিৎ দাসকে
  • 📌 ২১ জন নেতাকর্মীকে অভিযুক্ত করা হয়, এর মধ্যে ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়

📰 বিস্তারিত

২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর বিরোধী জোটের ডাকা অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় নিরীহ দর্জি বিশ্বজিৎ দাসকে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ৫ মার্চ ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ২১ জন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয়।

২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর ঢাকার ৪ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ৮ জন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৩ জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে। এরপর নিয়ম অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথিপত্র হাইকোর্টে পাঠানো হয় এবং দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা খালাস চেয়ে আপিল দায়ের করেন।

২০১৭ সালের ৬ আগস্ট হাইকোর্টের রায়ে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া দু’জন আসামির দণ্ড বহাল রাখা হয় — রফিকুল ইসলাম শাকিল ও রাজন তালুকদার। অন্যদিকে, মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন ও মীর মো. নূরে আলম লিমনকে ফাঁসি কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সাইফুল ইসলাম ও কাইয়ুম মিঞা টিপুকে মামলা থেকে পূর্ণ খালাস দেওয়া হয়। হাইকোর্টের রায়ে এ এইচ এম কিবরিয়া ও গোলাম মোস্তফাকে খালাস দেওয়া হয়, তবে তারা সাজা চ্যালেঞ্জ না করায় বিচারিক আদালতের দেওয়া বাকি ১১ জন আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল থেকে যায়।

"সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে দ্রুত শুনানির আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ চেম্বার আদালতে বিশেষ আবেদন করে দ্রুত শুনানি সম্পন্ন করার দাবি তুলেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পুরান ঢাকা, ভিক্টোরিয়া পার্ক
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল, বিশ্বজিৎ দাস, রফিকুল ইসলাম শাকিল, রাজন তালুকদার, মাহফুজুর রহমান নাহিদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ (অক্টোবর), ৬ (আগস্ট), ২১ (নেতাকর্মী), ৮ (মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত), ১৩ (যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖