📌 বাংলাবাজার ইউপিএল বিক্রয়কেন্দ্রে ২৮ সেপ্টেম্বর হামলা ও সহকর্মীদের হেনস্তার পর সরকারের সহযোগিতা পেয়ে বিক্রয়কেন্দ্র পুনরায় খোলা হয়েছে। ইউপিএলের মাহরুখ মহিউদ্দিন জানান, আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং পুলিশের সহযোগিতায় অভিযুক্তদের শনাক্তকরণের আশা প্রকাশ করেছেন
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার বাংলাবাজারে অবস্থিত ইউপিএল বিক্রয়কেন্দ্রে ২৮ সেপ্টেম্বর (সোমবার) ঘটে যাওয়া হামলা ও সহকর্মীদের হেনস্তার পর বিক্রয়কেন্দ্রটি পুনরায় খোলা হয়েছে। ইউপিএলের প্রকাশনা পরিচালক মাহরুখ মহিউদ্দিন জানান, সরকারের সহযোগিতা পেয়ে তারা স্বাভাবিকভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে ঘটনাটি পরিকল্পিত ছিল বলে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাবাজার ইউপিএল বিক্রয়কেন্দ্রে হামলা ও সহকর্মীদের হেনস্তা; ফাঁড়িতে আটক রাখা হয়
- 📌 গত বুধবার বিক্রয়কেন্দ্র পুনরায় খোলা হয়েছে, সরকারের সহযোগিতা পেয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে
- 📌 মাহরুখ মহিউদ্দিন জানান, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ হলেও জিডি নেওয়া হয়নি; সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে
- 📌 পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ সিসিটিভি ফুটেজ চেয়েছে, ইউপিএল তা সরবরাহ করেছে
- 📌 মাহরুখ মহিউদ্দিন বলেন, সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে
- 📌 ২০২৬ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেলায় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছিল
📰 বিস্তারিত
মাহরুখ মহিউদ্দিন জানান, গত ২৮ সেপ্টেম্বর বিক্রয়কেন্দ্রে হামলা ও সহকর্মীদের হেনস্তার পর তারা আইনি প্রস্তুতি নেয়ার কারণে ঘটনার পর একদিন বিক্রয়কেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়েছিল। বুধবার সকাল থেকে বিক্রয়কেন্দ্রটি পুরোদমে খোলা রয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা স্বাভাবিকভাবে আমাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। বিক্রয়কেন্দ্র খোলার পোস্ট ইউপিএলের ফেসবুক পেজে দেওয়া হয়েছিল। এই পোস্টে আমরা বিপুল সাড়া পেয়েছি।”
মাহরুখ মহিউদ্দিন আরও জানান, “ফৌজদারি অপরাধে রাষ্ট্র নিজেই বাদীপক্ষ থাকে। কারণ, শুধু আক্রান্ত ব্যক্তি নয়, রাষ্ট্র ও আইনকেও এখানে আক্রমণ করা হয়। ফলে শুধু আক্রান্ত আমরাই নই। রাষ্ট্রেরও দায়িত্ব আছে অপরাধীদের খুঁজে বের করা, কারও ইন্ধনে তারা এটা করেছে কি না, সেটা তদন্ত করে দেখা, বিচারের আওতায় আনা।”
মাহরুখ মহিউদ্দিন জানান, তাদের লিখিত অভিযোগ থানা গ্রহণ করেছে, কিন্তু জিডি নেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, “আমরা সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করছি। আইনি প্রতিকার চাওয়ার প্রক্রিয়ায় আছি। ইতিমধ্যে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ থেকে সিসিটিভি ফুটেজ চাওয়া হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে তা সরবরাহ করা হয়েছে। আশা করি, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী শিগগির দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”
মাহরুখ মহিউদ্দিন বলেন, “গত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরপর একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেলা করতে গিয়ে আমরা অপ্রীতিকর ঘটনার শিকার হয়েছিলাম। সেখানে ‘শেখ মুজিব: ট্রায়াম্ফ অ্যান্ড ট্র্যাজেডি’ বইটি নিয়ে তরুণদের উত্তেজনা দেখা গিয়েছিল। এস এ করিমের বইটি শেখ মুজিবুর রহমানের স্তুতিমূলক জীবনালেখ্য নয়। তবে সেই ঘটনায়ও আমরা নতি স্বীকার করিনি। ইউপিএলের পেশাদারি ও চাপের মুখে নতি স্বীকার না করার নীতি আমরা ধরে রেখেছি।”
"মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত বা পরিপূর্ণভাবে অন্ধ না হয়ে গিয়ে থাকলে হামলার ইন্ধনদাতারা আশা করি ইতিমধ্যে বুঝতে পেরেছেন, আপামর পাঠকসমাজ, মিডিয়া ও সমাজের শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের কতটা সমর্থন আমরা আমাদের শক্ত অবস্থানের কারণে পেয়েছি। এ ক্ষেত্রে নতুন কিছু অবশ্য আমরা করিনি। ইউপিএলের পেশাদারি ও চাপের মুখে নতি স্বীকার না করার যে নীতি বরাবরই ছিল, আমরা শুধু সেটাই ধরে রেখেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাবাজার, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহরুখ মহিউদ্দিন (ইউপিএল প্রকাশনা পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ সেপ্টেম্বর (হামলার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!