📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদ মোহাম্মদ ইসমাইলের মা ট্রাইব্যুনালে দেন সাক্ষ্য: নানক-তাপসের হাতে ছিল অস্ত্র

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদ মোহাম্মদ ইসমাইলের মা ট্রাইব্যুনালে দেন সাক্ষ্য: নানক-তাপসের হাতে ছিল অস্ত্র

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদ মোহাম্মদ ইসমাইলের মা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্য দেন। তিনি জানান, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই আন্দোলনে অংশ নিয়ে শহীদ হন ছেলে। সাক্ষ্য অনুযায়ী, নানক ও তাপসসহ পুলিশ কর্মকর্তাদের হাতে অস্ত্র ছিল। মামলায় ২৮ আসামির মধ্যে ২৪ জন পলাতক

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদ মোহাম্মদ ইসমাইলের মা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ঢাকার মোহাম্মদপুর ও ধানমন্ডি এলাকায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নানক ও তাপসসহ পুলিশ কর্মকর্তাদের হাতে অস্ত্র ছিল। আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনালে এই সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শহীদ মোহাম্মদ ইসমাইলের মা ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন: ১৯ জুলাই ২০২৪ তারিখে আন্দোলনে অংশ নিয়ে ছেলে শহীদ হন
  • 📌 সাক্ষ্য অনুযায়ী, নানক ও তাপসসহ কমিশনার আসিফ, রাজিব, বিপ্লবসহ পুলিশ কর্মকর্তাদের হাতে অস্ত্র ছিল
  • 📌 মেডিকেল হাসপাতালে গিয়ে ইসমাইলের লাশ শনাক্ত করলে ৩০০-৪০০ লাশ দেখতে পান তিনি
  • 📌 মামলায় ২৮ আসামির মধ্যে ২৪ জন পলাতক, গ্রেপ্তার আছেন ৪ জন
  • 📌 পল্লবী থানায় সরকারবিরোধী চক্রান্তের মামলায় অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে

📰 বিস্তারিত

শহীদ মোহাম্মদ ইসমাইলের মা সাক্ষ্য দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায়। তিনি জানান, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই জুমার নামাজ শেষে ছেলে আন্দোলনে যোগ দেন। সন্ধ্যায় বন্ধু কালু ফোন করে জানান, ইসমাইল গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মা, খালা ও নানীসহ তারা রিকশায় মেডিকেলের উদ্দেশ্যে রওনা হন। রাস্তায় আগুন জ্বলতে দেখে তারা অবাক হন। সেই সময় কমিশনার আসিফ, রাজিব, জাহাঙ্গীর কবির নানক, ফজলে নূর তাপস ও বিপ্লবসহ পুলিশ কর্মকর্তাদের হাতে অস্ত্র ছিল। তাঁদের সামনে একজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

মেডিকেলে গিয়ে ইসমাইলের লাশ শনাক্ত করার পর মা জানান, মর্গে ৩০০-৪০০ লাশ দেখতে পান। পরনের পোশাক দেখে ছেলেকে চিনতে পারেন। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিশের অনুমতি ছাড়া লাশ দিতে অস্বীকার করে। পরদিন মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ কর্মকর্তা সাইফুলের মাধ্যমে সন্ধ্যা ৭টায় লাশ বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। লাশ নেওয়ার সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থেকে মামলা করবেন না মর্মে স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলে জানান তিনি।

মামলায় অভিযুক্ত ২৮ জনের মধ্যে ২৪ জন পলাতক। গ্রেপ্তার আছেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর শাখার সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহ-সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ওমর ফারুক ও ফজলে রাব্বি। আসামিদের মধ্যে রয়েছে ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অ্যাডিশনাল ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকারসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

"আগুন জ্বলতে দেখে অবাক হয়ে পড়লাম। সেই সময় নানক ও তাপসসহ পুলিশ কর্মকর্তাদের হাতে অস্ত্র ছিল। তাঁদের সামনে একজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শহীদ মোহাম্মদ ইসমাইলের মা, জাহাঙ্গীর কবির নানক, ফজলে নূর তাপস, নাঈমুল হাসান রাসেল, সাবেক ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই, ২৮ আসামি (২৪ পলাতক), ৩০০-৪০০ লাশ, চার দিনের রিমান্ড

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖