📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পুনর্গঠনের দুই বছর পূর্তিতে আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী বলেছেন, ১৯৭৩ সালের আইন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য ছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে ২০০৯-২০২৪ সালের রাষ্ট্রীয় ঘটনাগুলো নিয়ে আসা হয়েছে, যা আইনের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত করছে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পুনর্গঠনের দুই বছর পূর্তি উদযাপনের সময় আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী সাংবাদিকদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ১৯৭৩ সালে এই ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছিল একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য। কিন্তু বর্তমান সরকারের আমলে ২০২৪ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় সংঘটিত ঘটনাগুলো নিয়ে আসা হয়েছে, যা আইনের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯৭৩ সালের আইন ছিল শুধুমাত্র ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য, কিন্তু বর্তমান সংশোধনীর মাধ্যমে ২০০৯-২০২৪ সালের রাষ্ট্রীয় ঘটনাগুলো ট্রাইব্যুনালের কার্যধারায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- 📌 আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী বলেছেন, ২০১০ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে কোনো নতুন বিচার এনেছে বলে জানা যায়নি, কিন্তু ২০২৪ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ঘটনাগুলো নিয়ে আসা হয়েছে, যা আইনের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত করছে।
- 📌 ১৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ট্রাইব্যুনাল-১-এর পুনর্গঠনের দুই বছর পূর্তি উদযাপিত হয়, যেখানে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আলোচনা করেন।
- 📌 রাশেদ খান মেনন ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছিল, যেখানে মনসুরুল হক চৌধুরী আসামিদের আইনজীবী ছিলেন।
- 📌 আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর যেসব ব্যক্তি ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ত করে বক্তব্য দিয়েছেন, সেগুলো ট্রাইব্যুনালের আমলে নেওয়া উচিত।
📰 বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পুনর্গঠনের দুই বছর পূর্তি উদযাপনের সময় আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, ১৯৭৩ সালের আইন ছিল শুধুমাত্র ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য। কিন্তু বর্তমান সরকারের আমলে ২০২৪ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় সংঘটিত ঘটনাগুলো নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি বলেন, এই সংশোধনীর মাধ্যমে আইনের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে।
মনসুরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘২০১০ সালে সংশোধনীর মাধ্যমে কোনো নতুন বিচার এনেছে বলে আমার জানা নেই। কিন্তু ২০২৪ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ঘটনাগুলো নিয়ে আসা হয়েছে। এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ট্রাইব্যুনাল যদি সঠিকভাবে বিচার করতে চায়, তাহলে ঘটনার গভীরে যেতে হবে।’
১৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ট্রাইব্যুনাল-১-এর পুনর্গঠনের দুই বছর পূর্তি উদযাপিত হয়। এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আলোচনা করেন। মনসুরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘ট্রাইব্যুনালের কার্যধারায় ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের রাষ্ট্রীয় ঘটনাগুলো নিয়ে আসা হয়েছে, যা আইনের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত করছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর যেসব ব্যক্তি ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ত করে বক্তব্য দিয়েছেন, সেগুলো ট্রাইব্যুনালের আমলে নেওয়া উচিত।’
এছাড়াও, রাশেদ খান মেনন ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছিল। এই মামলায় মনসুরুল হক চৌধুরী আসামিদের আইনজীবী ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে এই মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের দায়িত্ব পালন করছি। ট্রাইব্যুনাল যদি সঠিকভাবে বিচার করতে চায়, তাহলে ঘটনার গভীরে যেতে হবে এবং সকল প্রাসঙ্গিক তথ্য বিবেচনা করতে হবে।’
"১৯৭৩ সালের আইন ছিল শুধুমাত্র ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য। কিন্তু বর্তমান সংশোধনীর মাধ্যমে ২০০৯-২০২৪ সালের রাষ্ট্রীয় ঘটনাগুলো নিয়ে আসা হয়েছে, যা আইনের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত করছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনসুরুল হক চৌধুরী, রাশেদ খান মেনন, কামরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ অক্টোবর ২০২৬ (পুনর্গঠনের দুই বছর পূর্তি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!