📌 হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে চাকরির আশ্বাসে এক ২২ বছর বয়সী তরুণীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পরই তিনি নিজে মূল আসামিকে আটক করে জুতাপেটা করে থানায় সোপর্দ করেন। মামলা দায়ের করা হয়েছে ছয়জন আসামির বিরুদ্ধে
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় চাকরির আশ্বাসে এক তরুণীকে (২২) দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পরই তিনি নিজে মূল অভিযুক্ত বাসির মিয়াকে (২৬) আটক করে জুতাপেটা করে থানায় সোপর্দ করেন। পুলিশের তদন্ত চলছে অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২২ বছর বয়সী তরুণী চাকরির আশ্বাসে ধর্ষিত হন, পরে নিজে মূল আসামিকে আটক করেন
- 📌 ৭ অক্টোবর রমাপুর গ্রামের বাসির মিয়া ও তার সঙ্গীরা লালচান চা-বাগানে তাকে ধর্ষণ করেন
- 📌 মোট ছয়জন ধর্ষণে অংশ নেন, যার মধ্যে বাগানের নিরাপত্তা কর্মীও ছিলেন
- 📌 তরুণীর বোন মুঠোফোনে বাসিরের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন, পরে তাকে আটক করেন
- 📌 জুতাপেটা করে বাসির মিয়াকে থানায় সোপর্দ করা হয়, ভিডিওতে ঘটনা দেখা যায়
- 📌 ২৫০ শয্যা হবিগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ভুক্তভোগীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ভর্তি করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
চুনারুঘাট উপজেলার বাসিন্দা এক তরুণী (২২) শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ওলিপুর শিল্প এলাকার একটি কারখানায় কাজ করতেন। সেখানে তিনি রমাপুর গ্রামের বাসির মিয়ার (২৬) সঙ্গে পরিচিত হন। চাকরিচ্যুত হওয়ার পর বাসির মিয়া ফোনে তাকে চাকরির ব্যবস্থা করার কথা বলে। ৭ অক্টোবর তিনি চুনারুঘাট উপজেলা সদরে যান, যেখানে বাসির ও আরেক তরুণ তাকে অটোরিকশায় নিয়ে লালচান চা-বাগানে নিয়ে যান। বাগানের বাংলোয় অবস্থানকারী চাকরিদাতার সাথে দেখা করার কথা বলে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়।
তরুণীর ভাষ্য অনুযায়ী, বাগানের নির্জন স্থানে প্রথমে দুজন তাকে ধর্ষণ করেন। পরে মোটরসাইকেলে বাসিরের পরিচিত আরও তিনজন আসেন এবং ধর্ষণে অংশ নেন। বাগানের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা একজন কর্মীও ঘটনায় অংশ নেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। মোট ছয়জন তাকে ধর্ষণ করেন। ঘটনার কথা পরিবারকে না জানিয়ে তিনি শুধু বোনকে জানান।
দুই বোন মিলে বাসিরকে আটক করার পরিকল্পনা করেন। ছোট বোন মুঠোফোনে বাসিরের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন এবং গতকাল শনিবার দুপুরে দেখা করার সময় ঠিক করেন। বাসির চুনারুঘাট উপজেলা সদরে এলে দুই বোন তাঁকে আটক করেন। আশপাশের লোকজনও তাঁদের সহযোগিতা করেন। এরপর বাসিরকে জুতাপেটা করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। আজ রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে এক তরুণীকে এক ব্যক্তিকে গালাগাল করে জুতাপেটা করতে দেখা যায়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিকে থানায় আনার পর পুলিশ ভুক্তভোগীকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। শনিবার রাতেই তরুণী বাদী হয়ে বাসির মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা ছয়জনকে আসামি করে চুনারুঘাট থানায় ধর্ষণের মামলা করেন।
"বাগানের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা একজনও ঘটনা দেখে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চুনারুঘাট উপজেলা, হবিগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভুক্তভোগী তরুণী (২২), বাসির মিয়া (২৬), ওসি মো. সাইফুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ জন আসামি, ২৫০ শয্যা হাসপাতাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!